ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খলিল-তৈয়্যব-আখতার বিমানের নতুন পরিচালক: নেপথ্যে বোয়িং কেনার ‘প্যাকেজড ডিল’?
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ: নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে নারী-শিশু এবং সংখ্যালঘুদের ওপর বাড়ছে সহিংসতা
নোবেল বিজয়ী থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের পৃষ্ঠপোষক : জঙ্গি মদদে ক্ষমতা, সংখ্যালঘু রক্তে টিকে থাকা
কারাগারে আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের মৃত্যুর মিছিল, ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক নজরে বাংলাদেশ: একতরফা নির্বাচন, সংখ্যালঘু নিপীড়ন ও বৈধতার পতন
খুনি-ফ্যাসিস্ট, জঙ্গি-মদদদাতা, অবৈধ-দখলদার ইউনূস গং কর্তৃক
ইউনুসের দৌলতে দেশের অর্থনীতি এখন লাশকাটা ঘরে
ফ্রিল্যান্সার পোর্টালের বিপর্যয় : নিছক ভুল নাকি রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনার নমুনা?
দেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য তৈরি সরকারি ওয়েবসাইটে উপজেলার নাম সুবর্ণচর হয়ে গেছে গোল্ডেন, ভেড়ামারা হয়ে গেছে শিপ, পত্নীতলা হয়ে গেছে স্পাউস। গুগল ট্রান্সলেটর চালিয়ে দিলে যেমন হয়, ঠিক সেই দশা। এই হলো বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সদ্য উদ্বোধন করা সরকারি পোর্টালের হাল। যে পোর্টালের কথা ছিল ফ্রিল্যান্সারদের আন্তর্জাতিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করবে, সেখানেই দেশের মৌলিক ভূগোলই চিনতে পারেনি ডেভেলপাররা।
আড়াইহাজার লেখা হয়েছে 'টু অ্যান্ড আ হাফ থাউজেন্ড'। ভাঙ্গুড়া হয়ে গেছে 'ব্রোকেন'। বেড়া হয়ে গেছে 'ফেন্স'। বাঁশখালী লেখা হয়েছে 'বেম্বুখালি'। সরিষাবাড়ী হয়ে গেছে 'মাস্টার্ড'। মোট ২১টি উপজেলার নাম এভাবে বিকৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। একটা সরকারি ওয়েবসাইট, যেখানে দেশের লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার নিবন্ধন করবে, যার ভিত্তিতে
তারা আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের কাছে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরবে, সেখানে এই বিব্রতকর অবস্থা। প্রশ্ন হলো, যারা এই ওয়েবসাইট তৈরি করেছে তারা কি একবারও দেখেনি কী লেখা হচ্ছে? নাকি দেখার প্রয়োজন মনে করেনি? একটা গুগল ট্রান্সলেট দিয়ে যে অনুবাদ করা হয়েছে সেটা তো স্পষ্ট। কিন্তু কেউ কি একবারও ভাবেনি যে বাংলাদেশের উপজেলার নাম ইংরেজিতে আগে থেকেই নির্ধারিত আছে? জাতীয় তথ্য বাতায়নে, সরকারি সব দলিলে এই নামগুলো বছরের পর বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু না, সেদিকে কারো নজর যায়নি। ফ্রিল্যান্সাররা ফেসবুকে এই ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে লিখছেন 'ভুলে ভরা ওয়েবসাইট'। অনেকেই বলছেন তারা তাদের নিজের উপজেলার নাম খুঁজে পাচ্ছেন না। আর এটাই
স্বাভাবিক। কারণ যে নামগুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো তো বাংলাদেশের কোনো উপজেলার নামই নয়। এই ওয়েবসাইট দিয়ে তারা কীভাবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরবে? বিদেশি ক্লায়েন্ট যখন দেখবে একজন ফ্রিল্যান্সারের ঠিকানায় লেখা 'শিপ' বা 'গোল্ডেন' তখন তারা কী ভাববে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন যথার্থই বলেছেন, এই ধরনের ভুল ডিজিটাল সিস্টেমের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট করে। তিনি বলেছেন ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্সে দুর্বলতা রয়েছে। কিন্তু এটাকে শুধু দুর্বলতা বললে কম বলা হয়। এটা চরম অবহেলা, দায়িত্বহীনতা আর অযোগ্যতার পরিচয়। বর্তমান সরকার যে পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় এসেছে, সেই প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে এই ধরনের ব্যর্থতা আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। গত
বছর জুলাইয়ের রক্তাক্ত ঘটনাবলীর মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটিয়ে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তাদের দাবি ছিল তারা দেশকে সুশাসনের পথে নিয়ে যাবেন। কিন্তু মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবতা কোথায় তা এই ফ্রিল্যান্সার পোর্টালই বলে দিচ্ছে। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যরা দীর্ঘদিন এনজিও এবং মাইক্রোক্রেডিট নিয়ে কাজ করেছেন। এনজিও চালানোর অভিজ্ঞতা আছে, কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা নেই। আর সেটাই এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এনজিও চালানো আর দেশ চালানো এক বিষয় নয়। এনজিওতে আপনি দাতা সংস্থার কাছে রিপোর্ট করেন, তাদের নির্ধারিত ছকে কাজ করেন। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় দরকার বিস্তৃত পরিকল্পনা, দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, আর সর্বোপরি জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা। ফ্রিল্যান্সার
পোর্টালের এই বিপর্যয় কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা বৃহত্তর একটা সমস্যার লক্ষণ মাত্র। যখন অযোগ্য মানুষ যোগ্যতার ভান করে ক্ষমতায় বসে, তখন এই ধরনের বিপর্যয় অনিবার্য। একটা ওয়েবসাইট তৈরির আগে সাধারণ টেস্টিং পর্যায়েও যদি এই ভুলগুলো ধরা না পড়ে, তাহলে বুঝতে হবে দায়িত্বশীল কেউ নেই, কিংবা যারা আছেন তারা দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী। মানে এটা কোনো নিচু পর্যায়ের প্রকল্প নয়। এটা উচ্চ পর্যায়ের মনোযোগ পেয়েছিল বলেই ধরে নেওয়া যায়। তারপরও এই হাস্যকর অবস্থা। তাহলে যেসব প্রকল্পে উচ্চ পর্যায়ের মনোযোগ নেই, সেগুলোর অবস্থা কী হচ্ছে তা কল্পনা করা যায়। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা
বছরের পর বছর ধরে নিজেদের যোগ্যতায় আন্তর্জাতিক বাজারে জায়গা করে নিয়েছেন। তারা দেশের জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। তাদের জন্য একটা সরকারি পোর্টাল তৈরি করা হলো, কিন্তু সেই পোর্টালেই তাদের দেশের ভূগোল নিয়ে এমন বিদ্রূপ। এটা শুধু প্রযুক্তিগত ব্যর্থতা নয়, এটা ফ্রিল্যান্সারদের প্রতি অবমাননাও। সামরিক বাহিনীর সমর্থন, জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা আর বিদেশি অর্থায়নের সমন্বয়ে যে পরিবর্তন এসেছে, তা দেশকে কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছে এই ফ্রিল্যান্সার পোর্টাল তারই একটা ছোট্ট উদাহরণ মাত্র। এনজিও পরিচালনার মানসিকতা নিয়ে রাষ্ট্র চালানো যায় না। একটা দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালাতে দরকার অভিজ্ঞ, প্রশিক্ষিত আর দায়িত্বশীল মানুষ। যারা জানেন রাষ্ট্রের প্রতিটি পদক্ষেপ কত গুরুত্বপূর্ণ, প্রতিটি সিদ্ধান্ত কত
মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে। ফ্রিল্যান্সার পোর্টালের এই ভুলগুলো সংশোধন করা যাবে ঠিকই। কিন্তু যে মানসিকতা আর অযোগ্যতার কারণে এই ভুল হয়েছে, সেটার সংশোধন কি হবে? যে দায়িত্বহীনতা একটা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ পোর্টালে এমন হাস্যকর ভুল করতে দিয়েছে, সেই দায়িত্বহীনতার কি জবাবদিহিতা হবে? নাকি এভাবেই চলতে থাকবে, একের পর এক ব্যর্থতা, আর সেসব ব্যর্থতার দায় কেউ নেবে না? বাংলাদেশের মানুষ দেখছে, বুঝছে, আর নীরবে সহ্য করছে। কিন্তু এই সহ্যের একটা সীমা আছে। যখন রাষ্ট্রের মৌলিক কাজগুলোও ঠিকমতো হয় না, যখন একটা সাধারণ ওয়েবসাইটেও দেশের ভূগোল সঠিকভাবে তুলে ধরা যায় না, তখন মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে এই সরকারের যোগ্যতা আসলে কতটুকু। আর সেই প্রশ্নের উত্তর দিনে দিনে আরও স্পষ্ট হচ্ছে।
তারা আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের কাছে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরবে, সেখানে এই বিব্রতকর অবস্থা। প্রশ্ন হলো, যারা এই ওয়েবসাইট তৈরি করেছে তারা কি একবারও দেখেনি কী লেখা হচ্ছে? নাকি দেখার প্রয়োজন মনে করেনি? একটা গুগল ট্রান্সলেট দিয়ে যে অনুবাদ করা হয়েছে সেটা তো স্পষ্ট। কিন্তু কেউ কি একবারও ভাবেনি যে বাংলাদেশের উপজেলার নাম ইংরেজিতে আগে থেকেই নির্ধারিত আছে? জাতীয় তথ্য বাতায়নে, সরকারি সব দলিলে এই নামগুলো বছরের পর বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু না, সেদিকে কারো নজর যায়নি। ফ্রিল্যান্সাররা ফেসবুকে এই ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে লিখছেন 'ভুলে ভরা ওয়েবসাইট'। অনেকেই বলছেন তারা তাদের নিজের উপজেলার নাম খুঁজে পাচ্ছেন না। আর এটাই
স্বাভাবিক। কারণ যে নামগুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো তো বাংলাদেশের কোনো উপজেলার নামই নয়। এই ওয়েবসাইট দিয়ে তারা কীভাবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরবে? বিদেশি ক্লায়েন্ট যখন দেখবে একজন ফ্রিল্যান্সারের ঠিকানায় লেখা 'শিপ' বা 'গোল্ডেন' তখন তারা কী ভাববে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন যথার্থই বলেছেন, এই ধরনের ভুল ডিজিটাল সিস্টেমের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট করে। তিনি বলেছেন ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্সে দুর্বলতা রয়েছে। কিন্তু এটাকে শুধু দুর্বলতা বললে কম বলা হয়। এটা চরম অবহেলা, দায়িত্বহীনতা আর অযোগ্যতার পরিচয়। বর্তমান সরকার যে পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় এসেছে, সেই প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে এই ধরনের ব্যর্থতা আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। গত
বছর জুলাইয়ের রক্তাক্ত ঘটনাবলীর মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটিয়ে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তাদের দাবি ছিল তারা দেশকে সুশাসনের পথে নিয়ে যাবেন। কিন্তু মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবতা কোথায় তা এই ফ্রিল্যান্সার পোর্টালই বলে দিচ্ছে। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যরা দীর্ঘদিন এনজিও এবং মাইক্রোক্রেডিট নিয়ে কাজ করেছেন। এনজিও চালানোর অভিজ্ঞতা আছে, কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা নেই। আর সেটাই এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এনজিও চালানো আর দেশ চালানো এক বিষয় নয়। এনজিওতে আপনি দাতা সংস্থার কাছে রিপোর্ট করেন, তাদের নির্ধারিত ছকে কাজ করেন। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় দরকার বিস্তৃত পরিকল্পনা, দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, আর সর্বোপরি জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা। ফ্রিল্যান্সার
পোর্টালের এই বিপর্যয় কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা বৃহত্তর একটা সমস্যার লক্ষণ মাত্র। যখন অযোগ্য মানুষ যোগ্যতার ভান করে ক্ষমতায় বসে, তখন এই ধরনের বিপর্যয় অনিবার্য। একটা ওয়েবসাইট তৈরির আগে সাধারণ টেস্টিং পর্যায়েও যদি এই ভুলগুলো ধরা না পড়ে, তাহলে বুঝতে হবে দায়িত্বশীল কেউ নেই, কিংবা যারা আছেন তারা দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এই ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী। মানে এটা কোনো নিচু পর্যায়ের প্রকল্প নয়। এটা উচ্চ পর্যায়ের মনোযোগ পেয়েছিল বলেই ধরে নেওয়া যায়। তারপরও এই হাস্যকর অবস্থা। তাহলে যেসব প্রকল্পে উচ্চ পর্যায়ের মনোযোগ নেই, সেগুলোর অবস্থা কী হচ্ছে তা কল্পনা করা যায়। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা
বছরের পর বছর ধরে নিজেদের যোগ্যতায় আন্তর্জাতিক বাজারে জায়গা করে নিয়েছেন। তারা দেশের জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। তাদের জন্য একটা সরকারি পোর্টাল তৈরি করা হলো, কিন্তু সেই পোর্টালেই তাদের দেশের ভূগোল নিয়ে এমন বিদ্রূপ। এটা শুধু প্রযুক্তিগত ব্যর্থতা নয়, এটা ফ্রিল্যান্সারদের প্রতি অবমাননাও। সামরিক বাহিনীর সমর্থন, জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা আর বিদেশি অর্থায়নের সমন্বয়ে যে পরিবর্তন এসেছে, তা দেশকে কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছে এই ফ্রিল্যান্সার পোর্টাল তারই একটা ছোট্ট উদাহরণ মাত্র। এনজিও পরিচালনার মানসিকতা নিয়ে রাষ্ট্র চালানো যায় না। একটা দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালাতে দরকার অভিজ্ঞ, প্রশিক্ষিত আর দায়িত্বশীল মানুষ। যারা জানেন রাষ্ট্রের প্রতিটি পদক্ষেপ কত গুরুত্বপূর্ণ, প্রতিটি সিদ্ধান্ত কত
মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে। ফ্রিল্যান্সার পোর্টালের এই ভুলগুলো সংশোধন করা যাবে ঠিকই। কিন্তু যে মানসিকতা আর অযোগ্যতার কারণে এই ভুল হয়েছে, সেটার সংশোধন কি হবে? যে দায়িত্বহীনতা একটা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ পোর্টালে এমন হাস্যকর ভুল করতে দিয়েছে, সেই দায়িত্বহীনতার কি জবাবদিহিতা হবে? নাকি এভাবেই চলতে থাকবে, একের পর এক ব্যর্থতা, আর সেসব ব্যর্থতার দায় কেউ নেবে না? বাংলাদেশের মানুষ দেখছে, বুঝছে, আর নীরবে সহ্য করছে। কিন্তু এই সহ্যের একটা সীমা আছে। যখন রাষ্ট্রের মৌলিক কাজগুলোও ঠিকমতো হয় না, যখন একটা সাধারণ ওয়েবসাইটেও দেশের ভূগোল সঠিকভাবে তুলে ধরা যায় না, তখন মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে এই সরকারের যোগ্যতা আসলে কতটুকু। আর সেই প্রশ্নের উত্তর দিনে দিনে আরও স্পষ্ট হচ্ছে।



