ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞
পাকিস্তানের ইশারায় ক্রিকেট ধ্বংস, ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা আর আসিফ নজরুলের নীরবতা—বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ নেতৃত্বহীন লাশ
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
যারা মেধার কথা বলে রাজপথ জ্বালিয়েছিল, তারাই আজ কোটা খেয়ে সরকারি অফিসে— কোটা আন্দোলনের মুখোশে ক্ষমতার সিঁড়ি, সাধারণ ছাত্রদের ভাগ্যে শুধু ধোঁকা!
*বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা*
যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর আরোপিত স্যাংশন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। এটি সুপরিকল্পিত, আগ্রাসী এবং ভীতি সৃষ্টিকারী রাজনৈতিক চাপের অংশ। অভিযোগ স্পষ্ট এই স্যাংশনের আড়ালে বাংলাদেশিদের জন্য আমেরিকান ভিসা কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সার্বভৌম রাষ্ট্রের কোটি কোটি সাধারণ মানুষকে একসাথে শাস্তি দেওয়ার এই প্রবণতা আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং ন্যূনতম নৈতিকতার ওপর সরাসরি আঘাত।
বিগত সময়ে যখন র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর স্যাংশন আরোপ করা হয়েছিল, তখন মুখোশধারী সুশীল সমাজ, মানবাধিকার ব্যবসায়ী ও বিদেশি এনজিওনির্ভর গোষ্ঠী তখন দেশকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। টকশো, কলাম ও বিবৃতিতে তাদের চিৎকার দেশজুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়েছিল।
আজ, ড. ইউনূসের সরকারের আমলে পুরো জাতির ওপর ভয়াবহ ভিসা-স্যাংশনের অভিযোগ থাকলেও
তারা নিঃশব্দ, নির্বাক, নিশ্চুপ। এই নীরবতা নিছক কাকতালীয় নয় এটি পরিকল্পিত দাসত্বের বহিঃপ্রকাশ। এই মুখোশধারীরা দেশের প্রতি দায়বদ্ধ নয়, তারা দায়বদ্ধ কেবল বিদেশি প্রভুদের ইচ্ছার কাছে। যারা একসময় “মানবাধিকার” শব্দের মুখোশ পরে রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিকভাবে হেয় করেছিল, তারা আজ মার্কিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক বাক্যও উচ্চারণ করছে না। জঙ্গি কর্মকাণ্ড, দুর্নীতি ও অনিয়মকে অজুহাত বানিয়ে পুরো জাতিকে কোর্টের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো নিছক কূটনীতি নয় এটি নগ্ন রাজনৈতিক ব্ল্যাকমেইল। এর লক্ষ্য একটাই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং বাধ্যতামূলক আনুগত্য নিশ্চিত করা। আরও ভয়ংকর হলো মার্কিন দ্বৈত মানদণ্ড। ভারত যখন মার্কিন বাণিজ্যিক স্বার্থে বাধা সৃষ্টি করছে, তখনও তাদের নাগরিকদের ওপর শাস্তির সাহস নেই। কিন্তু বাংলাদেশ ও
পাকিস্তান দুই সার্বভৌম রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিকভাবে সন্দেহ ও কোণঠাসার মধ্যে ফেলা হয়েছে। ড. ইউনূসের আমলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিদের জন্য দরজা একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ভিসা জটিলতা, কূটনৈতিক দুর্বলতা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির সংকট আজ স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে দেশের ভেতরের মুখোশধারী সুশীলদের ভূমিকা সবচেয়ে লজ্জাজনক তারা জনগণের নয়, নীতির নয়, শুধু প্রভু বদলানো সুবিধাভোগী। ইতিহাস তাদের এই নীরব বিশ্বাসঘাতকতাকে কখনো ভুলবে না।
তারা নিঃশব্দ, নির্বাক, নিশ্চুপ। এই নীরবতা নিছক কাকতালীয় নয় এটি পরিকল্পিত দাসত্বের বহিঃপ্রকাশ। এই মুখোশধারীরা দেশের প্রতি দায়বদ্ধ নয়, তারা দায়বদ্ধ কেবল বিদেশি প্রভুদের ইচ্ছার কাছে। যারা একসময় “মানবাধিকার” শব্দের মুখোশ পরে রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিকভাবে হেয় করেছিল, তারা আজ মার্কিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক বাক্যও উচ্চারণ করছে না। জঙ্গি কর্মকাণ্ড, দুর্নীতি ও অনিয়মকে অজুহাত বানিয়ে পুরো জাতিকে কোর্টের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো নিছক কূটনীতি নয় এটি নগ্ন রাজনৈতিক ব্ল্যাকমেইল। এর লক্ষ্য একটাই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং বাধ্যতামূলক আনুগত্য নিশ্চিত করা। আরও ভয়ংকর হলো মার্কিন দ্বৈত মানদণ্ড। ভারত যখন মার্কিন বাণিজ্যিক স্বার্থে বাধা সৃষ্টি করছে, তখনও তাদের নাগরিকদের ওপর শাস্তির সাহস নেই। কিন্তু বাংলাদেশ ও
পাকিস্তান দুই সার্বভৌম রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিকভাবে সন্দেহ ও কোণঠাসার মধ্যে ফেলা হয়েছে। ড. ইউনূসের আমলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিদের জন্য দরজা একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ভিসা জটিলতা, কূটনৈতিক দুর্বলতা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির সংকট আজ স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে দেশের ভেতরের মুখোশধারী সুশীলদের ভূমিকা সবচেয়ে লজ্জাজনক তারা জনগণের নয়, নীতির নয়, শুধু প্রভু বদলানো সুবিধাভোগী। ইতিহাস তাদের এই নীরব বিশ্বাসঘাতকতাকে কখনো ভুলবে না।



