ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
যারা মেধার কথা বলে রাজপথ জ্বালিয়েছিল, তারাই আজ কোটা খেয়ে সরকারি অফিসে— কোটা আন্দোলনের মুখোশে ক্ষমতার সিঁড়ি, সাধারণ ছাত্রদের ভাগ্যে শুধু ধোঁকা!
বাংলাদেশ: ইউনুস এবং ইতিহাসের উপর আক্রমণ” (Bangladesh: Yunus and Assault on History) নামক একটি বই সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে
ভুল ইতিহাসের অভিযোগ তুলে বাতিল করল ১৫ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার ভিডিও সাক্ষাৎকার
তারেক রহমানের নাগরিকত্ব বিতর্ক: নির্বাচনের প্রশ্নচিহ্ন
বাংলাদেশের ভূ-রাজনীতিতে গোপন ষড়যন্ত্র ও আমেরিকার প্রস্তাবে গাঁজায় সেনা মোতায়েনের আগ্রহ ইউনুস সরকারের
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখন আর কোনো সন্দেহ থাকল না। দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশেই মূল্যস্ফীতির তাণ্ডব সবচেয়ে ভয়াবহ। ২০২৫ সালে যেখানে ভারতে মূল্যস্ফীতি ছিল মাত্র ২.৭ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় দশমিক ৬ শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশের মানুষ মোকাবেলা করছে ৮.৯ শতাংশ মূল্যস্ফীতির দহন। আরও হতাশাব্যঞ্জক তথ্য হলো, ২০২৬ সালেও এই দুর্দশার কোনো আশু সমাধান নেই। জাতিসংঘের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী বছরও বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি ৭.১ শতাংশে থাকবে, যা প্রতিবেশী সব দেশের চেয়ে বেশি।
এই লজ্জাজনক পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যা নয়, প্রতিটি সাধারণ পরিবারের অসহনীয় যন্ত্রণার গল্প বলে। যে পরিবারে এক বছর আগে মাসে দশ হাজার টাকায় বাজার হতো, এখন সেই পরিবারকে পনেরো হাজার টাকা
খরচ করতে হচ্ছে একই জিনিস কিনতে। শিক্ষক, চাকরিজীবী, দিনমজুর, রিকশাওয়ালা, ছোট ব্যবসায়ী সবার ঘরে এখন খাদ্যের কষ্ট। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো নিজেদের জীবনযাত্রার মান কমিয়ে আনতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিদিন। গরিব মানুষের অবস্থা তো আরও ভয়ানক, তারা তিন বেলা খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছে। কী আশ্চর্যজনক যে, শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান যারা কয়েক বছর আগে মূল্যস্ফীতির ভয়াবহ সংকটে পড়েছিল, তারা এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলেছে। শ্রীলঙ্কা ২০২১ সালে ৪৯ শতাংশ মূল্যস্ফীতি থেকে নেমে এসেছে দশমিক ৬ শতাংশে, পাকিস্তান ৩০ শতাংশ থেকে নামিয়ে এনেছে ৪ শতাংশে। অথচ বাংলাদেশে টানা দেড় বছর ধরে মূল্যস্ফীতি আটকে আছে ৮ শতাংশের ওপরে। যে দেশে একসময় স্থিতিশীল অর্থনীতি ছিল, সেই দেশের
মানুষ এখন দিশেহারা। এই অচলাবস্থার জন্য দায়ী কে? ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে অস্থিরতার মধ্য দিয়ে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, তার পর থেকে দেশের অর্থনীতির হাল কী দাঁড়িয়েছে তা এখন স্পষ্ট। তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে সুদের হার বাড়িয়েছে, কিছু পণ্যে শুল্ক কমিয়েছে, কিন্তু মূল সমস্যার কোনো সমাধান করতে পারেনি। উল্টো গত দুই মাসে মূল্যস্ফীতি আবার বাড়তে শুরু করেছে। এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা অযোগ্যতা এবং অদূরদর্শিতার ফল। জাতিসংঘের প্রতিবেদন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি এখন আঞ্চলিক লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে ভারত, নেপাল, ভুটান, এমনকি সংকটে থাকা পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাও তাদের মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে এনেছে, সেখানে
বাংলাদেশ একা দাঁড়িয়ে আছে ৮ শতাংশের ওপরে। এই চিত্র শুধু অর্থনৈতিক ব্যর্থতার নয়, এটা শাসনিক অক্ষমতার প্রমাণ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, খাদ্য খাতের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া মানুষের দুর্ভোগ কমবে না। গত বছরের শুরুতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ শতাংশের কাছাকাছি। ডিসেম্বরে এটা কমে ৭.৩৬ শতাংশে এসেছিল ঠিকই, কিন্তু আবার বাড়তে শুরু করেছে। এই ওঠানামা দেখায় যে সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। একটা পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তার প্রভাব দেখার আগেই আবার অন্য কিছু করা হয়। এভাবে চলতে থাকলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে না। বাজারে যে সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে, সেগুলো ভাঙার কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। পাইকারি পর্যায়ে কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠী পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করছে, আর সাধারণ মানুষ
তার মাসুল দিচ্ছে প্রতিদিন। কৃষকের কাছ থেকে পণ্য কেনা হচ্ছে কম দামে, আর বাজারে বিক্রি হচ্ছে আকাশছোঁয়া দামে। এই মধ্যস্বত্বভোগীরা মানুষের রক্ত চুষে খাচ্ছে, আর সরকার তাকিয়ে দেখছে। মূল্যস্ফীতির এই অদৃশ্য কর সাধারণ মানুষকে নিঃস্ব করে ফেলছে। আয় যেখানে বাড়ছে না, সেখানে প্রতিটি পণ্যের দাম বৃদ্ধি মানে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া। একজন শিক্ষক বা চাকরিজীবীর বেতন তো আর প্রতি মাসে বাড়ছে না, কিন্তু বাজারে গিয়ে তাকে দিতে হচ্ছে বেশি টাকা। ফলে বাস্তবে তার আয় কমে যাচ্ছে। অনেক পরিবার এখন ধারদেনা করে সংসার চালাচ্ছে, কেউ কেউ সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে, কেউ বা চিকিৎসা নিতে পারছে না। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে যে পরিসংখ্যান
দেওয়া হয়েছে, তা আসলে সরকারের রিপোর্ট কার্ড। এই রিপোর্ট কার্ডে স্পষ্টভাবে লেখা আছে যে বাংলাদেশ ফেল করেছে। ২০২৬ সালের পূর্বাভাসও কোনো আশার আলো দেখাচ্ছে না। যেখানে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা সবাই তাদের মূল্যস্ফীতি আরও কমিয়ে আনার দিকে এগোচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছে সবার পেছনে। এই বাস্তবতা এড়ানোর কোনো উপায় নেই। যারা দেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তারা অর্থনীতি পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। বড় বড় উপদেষ্টা, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ থাকার পরও কেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না, সেই প্রশ্ন এখন সবার মনে। জনগণ যে ভাতের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে, তাতে যেন কারো কিছু এসে যায় না। মানুষের দুর্ভোগ যেন অসীম হতে পারে, সেই চেষ্টাই চলছে।
জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা এখন প্রমাণসহ সেই কথাই বলছে। লজ্জা আর কাকে বলে!
খরচ করতে হচ্ছে একই জিনিস কিনতে। শিক্ষক, চাকরিজীবী, দিনমজুর, রিকশাওয়ালা, ছোট ব্যবসায়ী সবার ঘরে এখন খাদ্যের কষ্ট। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো নিজেদের জীবনযাত্রার মান কমিয়ে আনতে বাধ্য হচ্ছে প্রতিদিন। গরিব মানুষের অবস্থা তো আরও ভয়ানক, তারা তিন বেলা খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছে। কী আশ্চর্যজনক যে, শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান যারা কয়েক বছর আগে মূল্যস্ফীতির ভয়াবহ সংকটে পড়েছিল, তারা এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলেছে। শ্রীলঙ্কা ২০২১ সালে ৪৯ শতাংশ মূল্যস্ফীতি থেকে নেমে এসেছে দশমিক ৬ শতাংশে, পাকিস্তান ৩০ শতাংশ থেকে নামিয়ে এনেছে ৪ শতাংশে। অথচ বাংলাদেশে টানা দেড় বছর ধরে মূল্যস্ফীতি আটকে আছে ৮ শতাংশের ওপরে। যে দেশে একসময় স্থিতিশীল অর্থনীতি ছিল, সেই দেশের
মানুষ এখন দিশেহারা। এই অচলাবস্থার জন্য দায়ী কে? ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে অস্থিরতার মধ্য দিয়ে দেশের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল, তার পর থেকে দেশের অর্থনীতির হাল কী দাঁড়িয়েছে তা এখন স্পষ্ট। তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে সুদের হার বাড়িয়েছে, কিছু পণ্যে শুল্ক কমিয়েছে, কিন্তু মূল সমস্যার কোনো সমাধান করতে পারেনি। উল্টো গত দুই মাসে মূল্যস্ফীতি আবার বাড়তে শুরু করেছে। এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা অযোগ্যতা এবং অদূরদর্শিতার ফল। জাতিসংঘের প্রতিবেদন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি এখন আঞ্চলিক লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে ভারত, নেপাল, ভুটান, এমনকি সংকটে থাকা পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাও তাদের মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে এনেছে, সেখানে
বাংলাদেশ একা দাঁড়িয়ে আছে ৮ শতাংশের ওপরে। এই চিত্র শুধু অর্থনৈতিক ব্যর্থতার নয়, এটা শাসনিক অক্ষমতার প্রমাণ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, খাদ্য খাতের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া মানুষের দুর্ভোগ কমবে না। গত বছরের শুরুতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ শতাংশের কাছাকাছি। ডিসেম্বরে এটা কমে ৭.৩৬ শতাংশে এসেছিল ঠিকই, কিন্তু আবার বাড়তে শুরু করেছে। এই ওঠানামা দেখায় যে সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। একটা পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তার প্রভাব দেখার আগেই আবার অন্য কিছু করা হয়। এভাবে চলতে থাকলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে না। বাজারে যে সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে, সেগুলো ভাঙার কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। পাইকারি পর্যায়ে কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠী পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করছে, আর সাধারণ মানুষ
তার মাসুল দিচ্ছে প্রতিদিন। কৃষকের কাছ থেকে পণ্য কেনা হচ্ছে কম দামে, আর বাজারে বিক্রি হচ্ছে আকাশছোঁয়া দামে। এই মধ্যস্বত্বভোগীরা মানুষের রক্ত চুষে খাচ্ছে, আর সরকার তাকিয়ে দেখছে। মূল্যস্ফীতির এই অদৃশ্য কর সাধারণ মানুষকে নিঃস্ব করে ফেলছে। আয় যেখানে বাড়ছে না, সেখানে প্রতিটি পণ্যের দাম বৃদ্ধি মানে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া। একজন শিক্ষক বা চাকরিজীবীর বেতন তো আর প্রতি মাসে বাড়ছে না, কিন্তু বাজারে গিয়ে তাকে দিতে হচ্ছে বেশি টাকা। ফলে বাস্তবে তার আয় কমে যাচ্ছে। অনেক পরিবার এখন ধারদেনা করে সংসার চালাচ্ছে, কেউ কেউ সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে, কেউ বা চিকিৎসা নিতে পারছে না। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে যে পরিসংখ্যান
দেওয়া হয়েছে, তা আসলে সরকারের রিপোর্ট কার্ড। এই রিপোর্ট কার্ডে স্পষ্টভাবে লেখা আছে যে বাংলাদেশ ফেল করেছে। ২০২৬ সালের পূর্বাভাসও কোনো আশার আলো দেখাচ্ছে না। যেখানে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা সবাই তাদের মূল্যস্ফীতি আরও কমিয়ে আনার দিকে এগোচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছে সবার পেছনে। এই বাস্তবতা এড়ানোর কোনো উপায় নেই। যারা দেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তারা অর্থনীতি পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। বড় বড় উপদেষ্টা, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ থাকার পরও কেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না, সেই প্রশ্ন এখন সবার মনে। জনগণ যে ভাতের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে, তাতে যেন কারো কিছু এসে যায় না। মানুষের দুর্ভোগ যেন অসীম হতে পারে, সেই চেষ্টাই চলছে।
জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা এখন প্রমাণসহ সেই কথাই বলছে। লজ্জা আর কাকে বলে!



