ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
বাংলাদেশ: ইউনুস এবং ইতিহাসের উপর আক্রমণ” (Bangladesh: Yunus and Assault on History) নামক একটি বই সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে
ভুল ইতিহাসের অভিযোগ তুলে বাতিল করল ১৫ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার ভিডিও সাক্ষাৎকার
তারেক রহমানের নাগরিকত্ব বিতর্ক: নির্বাচনের প্রশ্নচিহ্ন
বাংলাদেশের ভূ-রাজনীতিতে গোপন ষড়যন্ত্র ও আমেরিকার প্রস্তাবে গাঁজায় সেনা মোতায়েনের আগ্রহ ইউনুস সরকারের
যারা মেধার কথা বলে রাজপথ জ্বালিয়েছিল, তারাই আজ কোটা খেয়ে সরকারি অফিসে— কোটা আন্দোলনের মুখোশে ক্ষমতার সিঁড়ি, সাধারণ ছাত্রদের ভাগ্যে শুধু ধোঁকা!
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে নয়জন তথাকথিত ‘জুলাই যোদ্ধা’র কোটায় নিয়োগ ঘিরে নতুন করে প্রশ্নের মুখে রাষ্ট্রের নীতি, ন্যায়বোধ ও মেধাভিত্তিক প্রশাসন। যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল কোটা বাতিল ও মেধার দাবিতে, সেই আন্দোলনই আজ জন্ম দিয়েছে নতুন এক বিশেষ কোটা—“জুলাই যোদ্ধা কোটা” তাহলে বলাই যাই, সাধারণ ছাত্র পেল ধোঁকা, ইউনুস গোষ্ঠী পেল ক্ষমতা—নতুন নাম শুধু ‘জুলাই যোদ্ধা কোটা।
ঘোষণা অনুযায়ী, বন্দরের কাজের স্বার্থে গেজেটভুক্ত বিপ্লবী পরিচয়ে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো— যারা একসময় রাজপথ দখল করে মেধা ও কোটা-বিরোধিতার স্লোগান তুলেছিল, তারাই আজ রাষ্ট্রীয় কোটায় সুবিধাভোগীর আসনে বসেছে। এটি কোনো যোগ্যতার স্বীকৃতি নয়; এটি ক্ষমতার সঙ্গে অন্ধ আনুগত্যের পুরস্কার।
জুলাই আন্দোলনের
নামে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগকে ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠী নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছে। কেউ সরকারঘেঁষা উপদেষ্টা হয়েছে, কেউ নতুন রাজনৈতিক দল গড়েছে, কেউবা চাঁদাবাজি, পোস্টিং বাণিজ্য ও ব্যবসার আড়ালে ক্ষমতার স্বাদ নিয়েছে। অথচ সাধারণ ছাত্ররা—যারা রাজপথে নেমেছিল—দিন শেষে পেয়েছে শুধু হতাশা আর প্রতারণা।এই প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অবৈধ জামাতি ইউনুস গোষ্ঠী। ক্ষমতার স্বাদ ও কর ফাঁকির দায় আড়াল করতে তারা পরিকল্পিতভাবে জঙ্গি ও উগ্র গোষ্ঠীকে ব্যবহার করেছে। বিনিময়ে নিজেদের হেল্পিং হ্যান্ডদের দিয়েছে কোটা, নিয়োগ ও রাষ্ট্রীয় সুবিধা। আর সাধারণ ছাত্রদের জন্য রেখে দিয়েছে ধোঁকা, অনিশ্চয়তা ও একটি নৈরাজ্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থা। এই নিয়োগ স্পষ্ট বার্তা দেয়—এ দেশে এখন আর মেধা, সততা বা অধ্যবসায়ের মূল্য নেই।
এখানে পুরস্কৃত হয় ক্ষমতার প্রতি আনুগত্য। আইন ও ন্যায় যদি কেবল একটি বিশেষ গোষ্ঠীর হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়, তবে যুবসমাজের স্বপ্ন ভাঙা ছাড়া রাষ্ট্র আর কিছুই উৎপাদন করতে পারে না। আজ প্রশ্ন একটাই—কোটা আন্দোলনের নামে যারা বিপ্লবের কথা বলেছিল, তারা কি আদতে বিপ্লবী ছিল, নাকি ক্ষমতার শর্টকাট সন্ধানী? চট্টগ্রাম বন্দরের এই নিয়োগ সেই প্রশ্নের নগ্ন উত্তর।
নামে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগকে ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠী নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছে। কেউ সরকারঘেঁষা উপদেষ্টা হয়েছে, কেউ নতুন রাজনৈতিক দল গড়েছে, কেউবা চাঁদাবাজি, পোস্টিং বাণিজ্য ও ব্যবসার আড়ালে ক্ষমতার স্বাদ নিয়েছে। অথচ সাধারণ ছাত্ররা—যারা রাজপথে নেমেছিল—দিন শেষে পেয়েছে শুধু হতাশা আর প্রতারণা।এই প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অবৈধ জামাতি ইউনুস গোষ্ঠী। ক্ষমতার স্বাদ ও কর ফাঁকির দায় আড়াল করতে তারা পরিকল্পিতভাবে জঙ্গি ও উগ্র গোষ্ঠীকে ব্যবহার করেছে। বিনিময়ে নিজেদের হেল্পিং হ্যান্ডদের দিয়েছে কোটা, নিয়োগ ও রাষ্ট্রীয় সুবিধা। আর সাধারণ ছাত্রদের জন্য রেখে দিয়েছে ধোঁকা, অনিশ্চয়তা ও একটি নৈরাজ্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থা। এই নিয়োগ স্পষ্ট বার্তা দেয়—এ দেশে এখন আর মেধা, সততা বা অধ্যবসায়ের মূল্য নেই।
এখানে পুরস্কৃত হয় ক্ষমতার প্রতি আনুগত্য। আইন ও ন্যায় যদি কেবল একটি বিশেষ গোষ্ঠীর হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়, তবে যুবসমাজের স্বপ্ন ভাঙা ছাড়া রাষ্ট্র আর কিছুই উৎপাদন করতে পারে না। আজ প্রশ্ন একটাই—কোটা আন্দোলনের নামে যারা বিপ্লবের কথা বলেছিল, তারা কি আদতে বিপ্লবী ছিল, নাকি ক্ষমতার শর্টকাট সন্ধানী? চট্টগ্রাম বন্দরের এই নিয়োগ সেই প্রশ্নের নগ্ন উত্তর।



