ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
যারা মেধার কথা বলে রাজপথ জ্বালিয়েছিল, তারাই আজ কোটা খেয়ে সরকারি অফিসে— কোটা আন্দোলনের মুখোশে ক্ষমতার সিঁড়ি, সাধারণ ছাত্রদের ভাগ্যে শুধু ধোঁকা!
বাংলাদেশ: ইউনুস এবং ইতিহাসের উপর আক্রমণ” (Bangladesh: Yunus and Assault on History) নামক একটি বই সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে
তারেক রহমানের নাগরিকত্ব বিতর্ক: নির্বাচনের প্রশ্নচিহ্ন
বাংলাদেশের ভূ-রাজনীতিতে গোপন ষড়যন্ত্র ও আমেরিকার প্রস্তাবে গাঁজায় সেনা মোতায়েনের আগ্রহ ইউনুস সরকারের
ভুল ইতিহাসের অভিযোগ তুলে বাতিল করল ১৫ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার ভিডিও সাক্ষাৎকার
স্টাফ রিপোর্টার : শর্ত পূরণ না হওয়ার কারণ দেখিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় ধারণ করা প্রায় ১৫ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার ভিডিও সাক্ষাৎকার বাতিল করেছে। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এ কাজে যুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোনো বিল পরিশোধ করা হবে না এবং ধারণ করা ভিডিও সাক্ষাৎকারগুলোও সংরক্ষণ করা হবে না।
ডিডাব্লিউয়ের কনটেন্ট পার্টনার প্রথম আলোকে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পের কাজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ভিডিও সাক্ষাৎকারগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি। সাক্ষাৎকারে মুক্তিযোদ্ধাদের বক্তব্যে রয়েছে নানা অসংগতি, ঐতিহাসিক ঘটনার সময়কাল ও প্রেক্ষাপটে ভুল তথ্য এবং অভিজ্ঞতা উপস্থাপনায় ঘাটতি। কর্মকর্তাদের মতে, এসব ভিডিও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছালে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর
বা নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে। এ কারণেই সাক্ষাৎকারগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ভিডিও সাক্ষাৎকার নয়, বিগত সরকার আমলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণের লক্ষ্যে নেওয়া প্রায় ৫০ কোটি টাকার পুরো প্রকল্পই বাতিল করা হয়েছে। প্রকল্পটির নাম ছিল ‘বীরের কণ্ঠে বীরগাথা’। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২২ সালে এটি গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধা এখনো জীবিত রয়েছেন, তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, স্মৃতি ও যুদ্ধকালীন ঘটনা ভিডিওর মাধ্যমে ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এর আওতায় দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ, ভিডিও ধারণ, সম্পাদনা এবং একটি ডিজিটাল আর্কাইভ
তৈরির পরিকল্পনা ছিল। তবে মন্ত্রণালয়ের বর্তমান পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে পেশাদারিত্বের ঘাটতি ছিল এবং নির্ধারিত মান ও নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়নি। মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, সাক্ষাৎকার গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রশ্নমালা প্রস্তুত, তথ্য যাচাই, ইতিহাসবিদ বা গবেষকের তত্ত্বাবধান এবং ভিডিও সম্পাদনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ধাপে দুর্বলতা ছিল। ফলে অনেক সাক্ষাৎকারে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ সঠিকভাবে উঠে আসেনি। এ অবস্থায় প্রকল্পটি বহাল রাখা হলে রাষ্ট্রীয়ভাবে ভুল বা বিভ্রান্তিকর ইতিহাস সংরক্ষণের ঝুঁকি তৈরি হতো বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে প্রকল্প বাতিল এবং বিল পরিশোধ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেও
ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আবার নেওয়া হতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে ইতিহাসবিদ, গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে আরও কঠোর মানদণ্ডে কাজ করার ওপর জোর দেওয়া হবে।
বা নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে। এ কারণেই সাক্ষাৎকারগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ভিডিও সাক্ষাৎকার নয়, বিগত সরকার আমলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণের লক্ষ্যে নেওয়া প্রায় ৫০ কোটি টাকার পুরো প্রকল্পই বাতিল করা হয়েছে। প্রকল্পটির নাম ছিল ‘বীরের কণ্ঠে বীরগাথা’। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২২ সালে এটি গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধা এখনো জীবিত রয়েছেন, তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, স্মৃতি ও যুদ্ধকালীন ঘটনা ভিডিওর মাধ্যমে ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এর আওতায় দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ, ভিডিও ধারণ, সম্পাদনা এবং একটি ডিজিটাল আর্কাইভ
তৈরির পরিকল্পনা ছিল। তবে মন্ত্রণালয়ের বর্তমান পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে পেশাদারিত্বের ঘাটতি ছিল এবং নির্ধারিত মান ও নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়নি। মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, সাক্ষাৎকার গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রশ্নমালা প্রস্তুত, তথ্য যাচাই, ইতিহাসবিদ বা গবেষকের তত্ত্বাবধান এবং ভিডিও সম্পাদনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ধাপে দুর্বলতা ছিল। ফলে অনেক সাক্ষাৎকারে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ সঠিকভাবে উঠে আসেনি। এ অবস্থায় প্রকল্পটি বহাল রাখা হলে রাষ্ট্রীয়ভাবে ভুল বা বিভ্রান্তিকর ইতিহাস সংরক্ষণের ঝুঁকি তৈরি হতো বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে প্রকল্প বাতিল এবং বিল পরিশোধ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেও
ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আবার নেওয়া হতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে ইতিহাসবিদ, গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে আরও কঠোর মানদণ্ডে কাজ করার ওপর জোর দেওয়া হবে।



