ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনা সরকার পতনে “সক্রিয় ভূমিকা” রেখেছি: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান (ভিডিও)
বাংলাদেশে কি একটা নিরব গণহত্যা চলছে?
ইউনূসের পথেই তারেক রহমানঃ নাম-না-জানা দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাতারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
হাওয়া ভবন বাজেট ১০১: বাজেটের “আকার” বেড়েছে কিন্তু “উকার” কমেছে
ড. আসিফ নজরুল- আপনার এক অঙ্গে কতো রূপ?
গনতন্ত্র ও অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
পলাশীর পতনের ঠিক ১৯২ বছর পরে বাংলার জেগে ওঠার উপখ্যান
হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া।
ইশতিয়াক আহম্মেদ জয় : যে ভোটে নৌকা নেই সে ভোট বাংলাদেশের ভোট হতে পারে না।এই সত্যটি এতটাই মৌলিক যে এর ব্যাখ্যা দেওয়াটাও একধরনের আপস।
আজকের বাংলাদেশে ভোট আর কেবল একটি প্রক্রিয়া নয়; এটি এখন এক অপরাজনৈতিক অস্ত্র। আর সেই অস্ত্রকে ঘিরে যে কৃত্রিম উত্তেজনা যে পরিকল্পিত ‘হাইপ’, তার কেন্দ্রেই রয়েছে তথাকথিত ইউনুস সরকারের গভীর চাল।
তারা চায় আমরা ভোট নিয়ে কথা বলি,তর্কে জড়াই,ব্যাখ্যা দিই, অবস্থান পরিষ্কার করি।কারণ যত আলাপ হবে, তত এই সাজানো খেলাটাকে বৈধতা দেওয়া হবে।
আমাদের উচিত এই ফাঁদে কোনভাবেই পা না দেওয়া।ভোট আছে কি নেই,ভোট হবে কি হবে না এই সব প্রশ্নে জড়িয়ে পড়া মানেই তাদের এজেন্ডাকে অক্সিজেন দেওয়া।
ইতিহাস বলে,মুক্তিযুদ্ধের
চেতনার শক্তিকে কখনো সরাসরি হারানো যায়নি;তাই বারবার চেষ্টা হয়েছে ঘুরপথে আঘাত করার।আজ সেই আঘাত এসেছে ‘নিরপেক্ষ ভোট’, ‘অরাজনৈতিক প্রশাসন’, ‘সবাইকে নিয়ে নির্বাচন’- এই শব্দগুলোর মোড়কে। কিন্তু বাস্তবতা খুব স্পষ্ট। যে ভোটে নৌকা নেই, সে ভোট মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতা বহন করে না।সে ভোট সংবিধানের প্রতিনিধিত্ব করে না।সে ভোট কেবল একটি ব্যবস্থাপনামাত্র,বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের নয়। তাই এমন কোনো ভোট নিয়ে আলোচনা করা মানেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে নামতে বাধ্য করা,যা আদতে প্রয়োজন নেই। এই মুহূর্তে আমাদের অবস্থান হওয়া উচিত একদম স্পষ্ট ও একবাক্য। যে ভোটে নৌকা নেই, সে ভোট নিয়ে কোনো কথাই হবে না। না বিশ্লেষণ, না সমালোচনা, না সমর্থন, না প্রত্যাখ্যান—কিছুই না। নীরবতাই এখানে রাজনৈতিক ভাষা। এই নীরবতাই প্রতিরোধ। এই
নীরবতাই বলে দেবে বাংলাদেশের মালিকানা কোনো টেকনোক্র্যাট প্রকল্প নয় কোনো অস্থায়ী সরকারের পরীক্ষাগার নয়। বাংলাদেশ মানে মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক প্রতীক নৌকা।এর বাইরে সব আলাপই বিভ্রান্তি। সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক সভাপতি কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ।
চেতনার শক্তিকে কখনো সরাসরি হারানো যায়নি;তাই বারবার চেষ্টা হয়েছে ঘুরপথে আঘাত করার।আজ সেই আঘাত এসেছে ‘নিরপেক্ষ ভোট’, ‘অরাজনৈতিক প্রশাসন’, ‘সবাইকে নিয়ে নির্বাচন’- এই শব্দগুলোর মোড়কে। কিন্তু বাস্তবতা খুব স্পষ্ট। যে ভোটে নৌকা নেই, সে ভোট মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিকতা বহন করে না।সে ভোট সংবিধানের প্রতিনিধিত্ব করে না।সে ভোট কেবল একটি ব্যবস্থাপনামাত্র,বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের নয়। তাই এমন কোনো ভোট নিয়ে আলোচনা করা মানেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে নামতে বাধ্য করা,যা আদতে প্রয়োজন নেই। এই মুহূর্তে আমাদের অবস্থান হওয়া উচিত একদম স্পষ্ট ও একবাক্য। যে ভোটে নৌকা নেই, সে ভোট নিয়ে কোনো কথাই হবে না। না বিশ্লেষণ, না সমালোচনা, না সমর্থন, না প্রত্যাখ্যান—কিছুই না। নীরবতাই এখানে রাজনৈতিক ভাষা। এই নীরবতাই প্রতিরোধ। এই
নীরবতাই বলে দেবে বাংলাদেশের মালিকানা কোনো টেকনোক্র্যাট প্রকল্প নয় কোনো অস্থায়ী সরকারের পরীক্ষাগার নয়। বাংলাদেশ মানে মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক প্রতীক নৌকা।এর বাইরে সব আলাপই বিভ্রান্তি। সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক সভাপতি কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ।



