ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুদখোর আর জামায়াতের হাতে স্বাধীনতার ইতিহাস
ইউনুসের অবৈধ শাসনে বাংলাদেশিরা এখন বিশ্বের অচ্ছুত
সিসিটিভি ফুটেজে দুই শুটারের চেহারা স্পষ্ট, পরিচয় মেলেনি ২ দিনেও
দল বাঁচাতে হলে দলকেই বদলাতে হবে,আদর্শে ফেরার চ্যালেঞ্জে আওয়ামী লীগ
হত্যার বিরোধিতাই সভ্যতার মানদণ্ড, বিচারহীন হত্যার পক্ষে দাঁড়ানো মানেই গণতন্ত্রকে অস্বীকার করা*
পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ এম. নজরুল ইসলাম
এবার বসুন্ধরার গণমাধ্যম পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি জুলাই আন্দোলনকারীদের
ইউনুসের পাতানো নির্বাচন, যেন ভোটের কোন দরকার নাই!
গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের স্বাধীন ভোটাধিকার। কিন্তু যখন নির্বাচন একটি পূর্বনির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়, তখন সেই ভোট আর জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন থাকে না—বরং তা ক্ষমতাসীন বা প্রভাবশালী গোষ্ঠীর বৈধতা অর্জনের একটি কৌশলে রূপ নেয়। সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনুসকে কেন্দ্র করে যে তথাকথিত নির্বাচনী উদ্যোগের কথা আলোচনায় আসছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর অনাস্থা ও সন্দেহ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
যে নির্বাচনে প্রার্থিতা বাছাই থেকে শুরু করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আইন প্রয়োগ ও রাজনৈতিক পরিবেশ সবকিছুই একপাক্ষিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, সেখানে ভোট দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাই বা কোথায়? জনগণ যখন আগেই বুঝে ফেলে যে ফলাফল নির্ধারিত, তখন ব্যালট বাক্সে ভোট দেওয়া কেবল
একটি আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়। এ ধরনের “পাতানো নির্বাচন” গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে না; বরং জনগণের রাজনৈতিক অনাগ্রহ, হতাশা ও ক্ষোভ আরও গভীর করে তোলে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ধরনের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভিন্নমত দমন, প্রশাসনের অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গণতন্ত্রের নামে যদি কেবল নিয়ন্ত্রিত অংশগ্রহণ আর সাজানো প্রতিযোগিতা চলতে থাকে, তবে সেই ব্যবস্থায় ভোট দেওয়ার নৈতিক গুরুত্ব সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যায়। প্রকৃত নির্বাচন মানে শুধু ভোটের দিন নয়; এটি একটি সার্বিক প্রক্রিয়া, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সমান সুযোগ, নিরপেক্ষ প্রশাসন এবং আইনের শাসন নিশ্চিত থাকতে হয়।
এই মৌলিক শর্তগুলো অনুপস্থিত থাকলে নির্বাচন আয়োজন করা মানে জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা। সুতরাং, ইউনুসের পাতানো নির্বাচনের মতো ব্যবস্থায় ভোটের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন রয়েছে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তোলার, যেখানে জনগণ নিজের ভোটকে অর্থবহ বলে বিশ্বাস করতে পারে। আর যদি সেই পরিবেশ বারবার বাধাগ্রস্ত করা হয়, তবে ইতিহাস সাক্ষী—পাতানো নির্বাচন শেষ পর্যন্ত প্রতিহত করবে পাড়া-মহল্লার সচেতন মানুষই। ভোট তখনই মূল্যবান, যখন তা জনগণের ক্ষমতা প্রয়োগের প্রকৃত হাতিয়ার হয়, কোনো সাজানো নাটকের অংশ নয়।
একটি আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়। এ ধরনের “পাতানো নির্বাচন” গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে না; বরং জনগণের রাজনৈতিক অনাগ্রহ, হতাশা ও ক্ষোভ আরও গভীর করে তোলে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ধরনের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভিন্নমত দমন, প্রশাসনের অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গণতন্ত্রের নামে যদি কেবল নিয়ন্ত্রিত অংশগ্রহণ আর সাজানো প্রতিযোগিতা চলতে থাকে, তবে সেই ব্যবস্থায় ভোট দেওয়ার নৈতিক গুরুত্ব সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যায়। প্রকৃত নির্বাচন মানে শুধু ভোটের দিন নয়; এটি একটি সার্বিক প্রক্রিয়া, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সমান সুযোগ, নিরপেক্ষ প্রশাসন এবং আইনের শাসন নিশ্চিত থাকতে হয়।
এই মৌলিক শর্তগুলো অনুপস্থিত থাকলে নির্বাচন আয়োজন করা মানে জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা। সুতরাং, ইউনুসের পাতানো নির্বাচনের মতো ব্যবস্থায় ভোটের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন রয়েছে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তোলার, যেখানে জনগণ নিজের ভোটকে অর্থবহ বলে বিশ্বাস করতে পারে। আর যদি সেই পরিবেশ বারবার বাধাগ্রস্ত করা হয়, তবে ইতিহাস সাক্ষী—পাতানো নির্বাচন শেষ পর্যন্ত প্রতিহত করবে পাড়া-মহল্লার সচেতন মানুষই। ভোট তখনই মূল্যবান, যখন তা জনগণের ক্ষমতা প্রয়োগের প্রকৃত হাতিয়ার হয়, কোনো সাজানো নাটকের অংশ নয়।



