ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা
কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের
‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেট কাদের, কোথায় খরচ হয় বেশি?
এবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি, নাশকতার চেষ্টা বলছেন অ্যাটর্নি জেনারেল
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নিখোঁজ দাবি করা এনসিপি সদস্য ওয়াসিমকে পাওয়া গেল মাদক নিরাময় কেন্দ্রে!
রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের তিন দিন পর মো. ওয়াসিম আহমেদ মুকছানের (৪০) সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। তবে কোনো বাহিনী নয়, বরং মাদকাসক্তির কারণে পরিবারের সদস্যরাই তাঁকে গোপনে একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করেছিলেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার কদমতলী থানাধীন মেরাজনগর এলাকার একটি নিরাময় কেন্দ্র থেকে তাঁকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গত শনিবার (৪ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে কদমতলীর রাজাবাড়ী আলী বহর এলাকার বাসা থেকে ৫-৬ জন ব্যক্তি নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ওয়াসিমকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তাঁর স্ত্রী শারমিন
আক্তার টুম্পা। ওই দিনই তিনি কদমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, জিডির পর কদমতলী থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। পুলিশের একটি দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে যে, নিখোঁজ ওয়াসিম কোনো বাহিনীর হাতে নয়, বরং একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে রয়েছেন। তদন্তের বরাত দিয়ে পুলিশ দাবি করেছে, ওয়াসিম ও তাঁর স্ত্রী পরিবার থেকে আলাদা ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওয়াসিমের দীর্ঘদিনের মাদকাসক্তির কারণে তাঁর পরিবার অতিষ্ঠ ছিল। ফলে তাঁর পরিবারের সম্মতিক্রমে ছোট ভাই রাকিব তাঁকে স্ত্রীর অগোচরেই ওই দিন ভোরে
মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করান। ভোরে মাদকাসক্ত রোগীদের নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া সহজ হয় বলেই তাঁরা এই সময়টি বেছে নিয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দেওয়ার কোনো সত্যতা পুলিশ পায়নি। উদ্ধারের পর মঙ্গলবার বিকেলেই ওয়াসিমকে তাঁর স্ত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে স্ত্রী শারমিন আক্তার টুম্পার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আক্তার টুম্পা। ওই দিনই তিনি কদমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, জিডির পর কদমতলী থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। পুলিশের একটি দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে যে, নিখোঁজ ওয়াসিম কোনো বাহিনীর হাতে নয়, বরং একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে রয়েছেন। তদন্তের বরাত দিয়ে পুলিশ দাবি করেছে, ওয়াসিম ও তাঁর স্ত্রী পরিবার থেকে আলাদা ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওয়াসিমের দীর্ঘদিনের মাদকাসক্তির কারণে তাঁর পরিবার অতিষ্ঠ ছিল। ফলে তাঁর পরিবারের সম্মতিক্রমে ছোট ভাই রাকিব তাঁকে স্ত্রীর অগোচরেই ওই দিন ভোরে
মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করান। ভোরে মাদকাসক্ত রোগীদের নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া সহজ হয় বলেই তাঁরা এই সময়টি বেছে নিয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দেওয়ার কোনো সত্যতা পুলিশ পায়নি। উদ্ধারের পর মঙ্গলবার বিকেলেই ওয়াসিমকে তাঁর স্ত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে স্ত্রী শারমিন আক্তার টুম্পার কাছে হস্তান্তর করা হয়।



