ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
চাপে পড়ে ঢাকার ইউ-টার্ন: আল-কায়েদা নেতা বিক্রমপুরী গ্রেপ্তার, জেহাদি নেটওয়ার্কে শুরু ক্র্যাকডাউন
দীর্ঘ টানাপোড়েন এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাপের মুখে অবশেষে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিল বাংলাদেশ সরকার। গ্রেপ্তার করা হয়েছে আল-কায়েদা ঘনিষ্ঠ এবং কট্টরপন্থী নেতা আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে। হিন্দু সম্প্রদায় ও ভারতের বিরুদ্ধে জিহাদের উসকানি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইসকন (ISKCON) সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়ার দীর্ঘ কয়েকমাস পর এই গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটল।
আতাউর রহমান বিক্রমপুরী দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের উগ্রবাদী নেটওয়ার্কে সক্রিয়। তিনি আল-কায়েদা ঘনিষ্ঠ বিতর্কিত ধর্মগুরু জসিমুদ্দিন রহমানীর ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি লস্কর-ই-তইয়বা নেতা হারুন ইজহারের সঙ্গেও তার সখ্যতা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিক্রমপুরী জেলবন্দি জঙ্গিদের ‘ইসলামিক স্কলার’ আখ্যা দিয়ে তাদের মুক্তির দাবিতে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানো এবং ভারত-বিরোধী
হিংসাত্মক কার্যক্রমে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ ছিল প্রবল। বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার এই আকস্মিক ‘ইউ-টার্ন’ বা কঠোর অবস্থান কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস অনুধাবন করতে পেরেছেন যে, উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেওয়ার নীতি বাংলাদেশকে এক মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, ভারত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে তারা নিজের নিরাপত্তা ও স্বার্থের প্রশ্নে আর কোনো ছাড় দেবে না। আমেরিকা, ইউরোপ এবং রাশিয়াকেও দিল্লি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, প্রয়োজনে ভারত কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না। ভারতের এই অনমনীয় অবস্থানের কারণেই ঢাকা নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়েছে। দৃশ্যমান ফলাফল ও ক্র্যাকডাউন ভারতের কঠোর বার্তার ফলাফল এখন মাঠ পর্যায়ে দৃশ্যমান হতে
শুরু করেছে: ১. জেহাদি দমন: জেহাদি ও উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিশেষ ক্র্যাকডাউন শুরু হয়েছে। ২. সুর নরম: সরকারি এবং রাজনৈতিক পর্যায় থেকে ভারত-বিরোধী সুর লক্ষণীয়ভাবে নরম হয়েছে। ৩. থেমেছে উসকানি: ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি (NCP) বা সমমনা দলগুলোর নেতাদের আক্রমণাত্মক এবং উসকানিমূলক বক্তব্য হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেছে। বিক্রমপুরীর গ্রেপ্তারকে এই নতুন কৌশলের প্রথম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা এখন উগ্রবাদ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে।
হিংসাত্মক কার্যক্রমে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ ছিল প্রবল। বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার এই আকস্মিক ‘ইউ-টার্ন’ বা কঠোর অবস্থান কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস অনুধাবন করতে পেরেছেন যে, উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেওয়ার নীতি বাংলাদেশকে এক মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, ভারত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে তারা নিজের নিরাপত্তা ও স্বার্থের প্রশ্নে আর কোনো ছাড় দেবে না। আমেরিকা, ইউরোপ এবং রাশিয়াকেও দিল্লি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, প্রয়োজনে ভারত কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না। ভারতের এই অনমনীয় অবস্থানের কারণেই ঢাকা নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়েছে। দৃশ্যমান ফলাফল ও ক্র্যাকডাউন ভারতের কঠোর বার্তার ফলাফল এখন মাঠ পর্যায়ে দৃশ্যমান হতে
শুরু করেছে: ১. জেহাদি দমন: জেহাদি ও উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিশেষ ক্র্যাকডাউন শুরু হয়েছে। ২. সুর নরম: সরকারি এবং রাজনৈতিক পর্যায় থেকে ভারত-বিরোধী সুর লক্ষণীয়ভাবে নরম হয়েছে। ৩. থেমেছে উসকানি: ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি (NCP) বা সমমনা দলগুলোর নেতাদের আক্রমণাত্মক এবং উসকানিমূলক বক্তব্য হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেছে। বিক্রমপুরীর গ্রেপ্তারকে এই নতুন কৌশলের প্রথম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা এখন উগ্রবাদ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে।



