ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
ইউনূসের সরকারের পৈশাচিকতায় মৃত্যুর মুখে লোহাগাড়া ছাত্রলীগ নেতা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশ আজ মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন শত শত নয়, হাজার হাজার আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীকে গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে। কথিত 'মব জাস্টিস'-এর নামে প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে মানুষ মারা হচ্ছে, যার কোনো বিচার নেই। এমনকি আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণের পরেও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নেই; জেলহাজতের ভেতরেই ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হচ্ছে বিরোধী মতের মানুষদের। এই চরম অরাজকতা ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের সর্বশেষ নির্মম শিকার হয়েছেন চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা।
সারাদেশে চলা এই দমন-পীড়নের অংশ হিসেবে লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-অর্থ সম্পাদক মিশকাতুর রহমান বিতু এবং সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজকে
লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এই 'অবৈধ' সরকারের আজ্ঞাবহ প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নে রাতের আঁধারে পুলিশ ও জামায়াত-শিবির ক্যাডাররা যৌথ মহড়া দিয়ে ছাত্রলীগ নেতা মিনহাজকে টার্গেট করে। অন্যদিকে, বিনা মামলায় গণগ্রেপ্তারের শিকার হন ছাত্রলীগ নেতা মিশকাতুর রহমান বিতু। সবচেয়ে লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে বিতুকে আটকের পর। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ ও শিবির ক্যাডাররা যৌথভাবে পুলিশি হেফাজতেই তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। পৈশাচিক নির্যাতনের পর মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে চিকিৎসা না দিয়ে সরাসরি কারাগারে প্রেরণ করা হয়, যা জেলহাজতে হত্যার নীল নকশারই অংশ। তবে এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনতা বিষয়টি জেনে ফেলার কারণে এবং তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করায় প্রশাসনের সেই হত্যাচেষ্টা তাৎক্ষণিকভাবে সফল হয়নি। পরবর্তীতে বিতুর
শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটলে লোকলজ্জার ভয়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়। লোহাগাড়া আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জানান, "ড. ইউনূসের সরকার দেশে আইনের শাসনের বদলে জঙ্গলের রাজত্ব কায়েম করেছে। প্রতিদিন হাজারো নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডের নামে নির্যাতন চালানো হচ্ছে। মব জাস্টিসের নামে রাস্তাঘাটে পিটিয়ে মারা হচ্ছে, অথচ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। লোহাগাড়ার বিতু ও মিনহাজ সেই প্রতিহিংসার আগুনেরই শিকার।" তারা আরও বলেন, "বিনা চিকিৎসায় বিতুকে কারাগারে পাঠানো এবং হত্যাচেষ্টার ঘটনা প্রমাণ করে, এই সরকার মানবাধিকারের তোয়াক্কা করে না। আমরা অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি এবং পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের এই যৌথ হামলার বিচার দাবি
করছি। অন্যথায়, রক্তের বন্যা বয়ে গেলে তার দায়ভার এই অবৈধ সরকারকেই নিতে হবে।"
লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এই 'অবৈধ' সরকারের আজ্ঞাবহ প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নে রাতের আঁধারে পুলিশ ও জামায়াত-শিবির ক্যাডাররা যৌথ মহড়া দিয়ে ছাত্রলীগ নেতা মিনহাজকে টার্গেট করে। অন্যদিকে, বিনা মামলায় গণগ্রেপ্তারের শিকার হন ছাত্রলীগ নেতা মিশকাতুর রহমান বিতু। সবচেয়ে লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে বিতুকে আটকের পর। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ ও শিবির ক্যাডাররা যৌথভাবে পুলিশি হেফাজতেই তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। পৈশাচিক নির্যাতনের পর মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে চিকিৎসা না দিয়ে সরাসরি কারাগারে প্রেরণ করা হয়, যা জেলহাজতে হত্যার নীল নকশারই অংশ। তবে এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনতা বিষয়টি জেনে ফেলার কারণে এবং তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করায় প্রশাসনের সেই হত্যাচেষ্টা তাৎক্ষণিকভাবে সফল হয়নি। পরবর্তীতে বিতুর
শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটলে লোকলজ্জার ভয়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়। লোহাগাড়া আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জানান, "ড. ইউনূসের সরকার দেশে আইনের শাসনের বদলে জঙ্গলের রাজত্ব কায়েম করেছে। প্রতিদিন হাজারো নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডের নামে নির্যাতন চালানো হচ্ছে। মব জাস্টিসের নামে রাস্তাঘাটে পিটিয়ে মারা হচ্ছে, অথচ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। লোহাগাড়ার বিতু ও মিনহাজ সেই প্রতিহিংসার আগুনেরই শিকার।" তারা আরও বলেন, "বিনা চিকিৎসায় বিতুকে কারাগারে পাঠানো এবং হত্যাচেষ্টার ঘটনা প্রমাণ করে, এই সরকার মানবাধিকারের তোয়াক্কা করে না। আমরা অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি এবং পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের এই যৌথ হামলার বিচার দাবি
করছি। অন্যথায়, রক্তের বন্যা বয়ে গেলে তার দায়ভার এই অবৈধ সরকারকেই নিতে হবে।"



