ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
‘ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদি মৃত্যুর পর কাল্টে পরিণত, সরকার তার আদর্শ উদ্যাপন করছে’: ভারতীয় গণমাধ্যম
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান গনি হাদি এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন কলামিস্ট এস এম ফাইয়াজ হোসেন। প্রতিবেদনে হাদিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জনআবেগ এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কঠোর নিন্দা জানানো হয়েছে।
ফাইয়াজ হোসেন তার কলামে দাবি করেন, মৃত্যুর পর ইনকিলাব মঞ্চের এই মুখপাত্র বাংলাদেশে এক ধরনের ‘উপাসকগোষ্ঠী’ বা ‘কাল্টে’ (Cult) পরিণত হয়েছেন। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক একটি সরকারি ছুটি ঘোষণা এবং হাদির স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকারের প্রসঙ্গ টেনে এর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
উক্ত প্রতিবেদনে ওসমান গনি হাদি সম্পর্কে ফাইয়াজ হোসেন বলেন, “হাদীর স্বপ্নগুলো আসলে
কী ছিল? তার পুরনো ভিডিওগুলো দেখুন। হাদী ছিলেন একজন নারীবিদ্বেষী ও চরমপন্থী, যিনি নারীর যৌনাঙ্গ নিয়ে অশালীন বক্তব্যের জন্য কুখ্যাত ছিলেন।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, জীবিত অবস্থায় ইনকিলাব মঞ্চের এই নেতা জনতার সহিংসতা (মব) ও মৌলবাদিতার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। কলামিস্টের ভাষায়, “মৃত্যুর পর এমনকি সরকারও এখন তার আদর্শ উদ্যাপন করছে।” ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে ওসমান গনি হাদির ভূমিকা এবং তাকে ঘিরে সরকারি ও সামাজিক অবস্থান নিয়ে কলামিস্টের এই নেতিবাচক পর্যবেক্ষণটি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়েছে। (সূত্র: দ্য প্রিন্ট)
কী ছিল? তার পুরনো ভিডিওগুলো দেখুন। হাদী ছিলেন একজন নারীবিদ্বেষী ও চরমপন্থী, যিনি নারীর যৌনাঙ্গ নিয়ে অশালীন বক্তব্যের জন্য কুখ্যাত ছিলেন।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, জীবিত অবস্থায় ইনকিলাব মঞ্চের এই নেতা জনতার সহিংসতা (মব) ও মৌলবাদিতার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। কলামিস্টের ভাষায়, “মৃত্যুর পর এমনকি সরকারও এখন তার আদর্শ উদ্যাপন করছে।” ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে ওসমান গনি হাদির ভূমিকা এবং তাকে ঘিরে সরকারি ও সামাজিক অবস্থান নিয়ে কলামিস্টের এই নেতিবাচক পর্যবেক্ষণটি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়েছে। (সূত্র: দ্য প্রিন্ট)



