ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ন্যাশনাল গার্ড সেনাদের গুলি: সিআইএর সঙ্গে কাজ করতেন সন্দেহভাজন
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস, নিহত ৪৪
চীনে দ্রুতগতির ট্রেনের ধাক্কায় ১১ রেলকর্মীর মৃত্যু
দেশ ছেড়ে পালালেন গিনি-বিসাউয়ের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট
হংকংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১২৮, আহত ৭৬
জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনে প্রার্থী যারা
তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে স্থায়ীভাবে অভিবাসন বন্ধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
হংকংয়ে আগুন নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮, নিখোঁজ কমপক্ষে ২০০ জন
হংকংয়ে গত প্রায় আট দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮-এ পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন শহরটির নিরাপত্তা প্রধান। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, বহুতল কয়েকটি ভবন নিয়ে গঠিত যে আবাসিক কমপ্লেক্সে আগুন লেগেছিল, সেখানকার প্রায় ২০০ বাসিন্দার এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে হংকংয়ের উত্তরাঞ্চলের তাই পো জেলার ৩২ তলা উচ্চতার ৮টি ভবনসমৃদ্ধ ওয়াং ফুক কোর্টে আগুন লাগে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই পুরো কমপ্লেক্সে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় দুই দিনের প্রচেষ্টা আজ শুক্রবার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
সংবাদ সম্মেলনে হংকংয়ের নিরাপত্তা প্রধান ক্রিস ট্যাং বলেন, ‘ভবনের ভেতরে পুলিশ আরও তল্লাশি চালালে মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ নিহত ১২৮ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৯
জনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। আগুন লাগার সময় কমপ্লেক্সের ফায়ার অ্যালার্ম সঠিকভাবে কাজ করেনি বলেও তিনি জানান। উদ্ধার কাজ শেষ হয়েছে; এতে ১২ জন দমকলকর্মীসহ মোট ৭৯ জন আহত হয়েছেন। ট্যাং বলেন, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য ভবনের ভেতরের তাপমাত্রা কমানো। পরিবেশ নিরাপদ হলেই পুলিশ প্রমাণ সংগ্রহ ও তদন্ত শুরু করবে।’ ৪৬০০-এর বেশি মানুষ বসবাস করত এই আবাসিক কমপ্লেক্সে, যা সংস্কারকাজের জন্য বাঁশের কাঠামো ও সবুজ জালে ঘেরা ছিল। পুলিশের ধারণা, নির্মাণকাজে অনিয়ম ও অনিরাপদ সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। এ ঘটনার জন্য সন্দেহভাজন হিসেবে নির্মাণ কোম্পানির তিনজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৯৪৮ সালে একটি গুদামে আগুন লেগে ১৭৬ জনের মৃত্যু হওয়ার
পর হংকংয়ে আর কোনো অগ্নিকাণ্ডে এত প্রাণহানি ঘটেনি।
জনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। আগুন লাগার সময় কমপ্লেক্সের ফায়ার অ্যালার্ম সঠিকভাবে কাজ করেনি বলেও তিনি জানান। উদ্ধার কাজ শেষ হয়েছে; এতে ১২ জন দমকলকর্মীসহ মোট ৭৯ জন আহত হয়েছেন। ট্যাং বলেন, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য ভবনের ভেতরের তাপমাত্রা কমানো। পরিবেশ নিরাপদ হলেই পুলিশ প্রমাণ সংগ্রহ ও তদন্ত শুরু করবে।’ ৪৬০০-এর বেশি মানুষ বসবাস করত এই আবাসিক কমপ্লেক্সে, যা সংস্কারকাজের জন্য বাঁশের কাঠামো ও সবুজ জালে ঘেরা ছিল। পুলিশের ধারণা, নির্মাণকাজে অনিয়ম ও অনিরাপদ সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। এ ঘটনার জন্য সন্দেহভাজন হিসেবে নির্মাণ কোম্পানির তিনজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৯৪৮ সালে একটি গুদামে আগুন লেগে ১৭৬ জনের মৃত্যু হওয়ার
পর হংকংয়ে আর কোনো অগ্নিকাণ্ডে এত প্রাণহানি ঘটেনি।



