অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর বদলে গভীর খাদের কিনারে: প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে, খেলাপি ঋণে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ । ড.মামুনুর রশিদ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
     ৬:৪২ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে

‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ

তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা

বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ

মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।

১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর বদলে গভীর খাদের কিনারে: প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে, খেলাপি ঋণে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ । ড.মামুনুর রশিদ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২৫ | ৬:৪২ 44 ভিউ
সরকারি ভাষ্যমতে গত ১৫ বছরের তুলনায় অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলা হলেও, বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো বলে দাবি করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতি বিশ্লেষক ড. মামুনুর রশীদ। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দেউলিয়া দেশগুলোকে ছাড়িয়ে খেলাপি ঋণের হারে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে শীর্ষে। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং ড. মামুনুর রশীদের বিশ্লেষণ থেকে অর্থনীতির এই নাজুক চিত্র উঠে এসেছে। জিডিপি ও প্রবৃদ্ধিতে বড় ধসের শঙ্কা চলতি অর্থবছরে (২০২৪-২৫) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৫ শতাংশ। তবে বর্তমান পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত থাকলে এটি ৩ শতাংশের নিচে নেমে আসবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ড.

রশীদ। তিনি সতর্ক করে বলেন, “এই ধারা চলতে থাকলে ২০২৬-২৭ সাল নাগাদ বাংলাদেশ ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ‘সম্ভাবনাময় জিডিপি’ হারাবে।” খেলাপি ঋণে বিশ্বরেকর্ড: পেছনে পড়ল শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানও বণিক বার্তার এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের হার সর্বোচ্চ। যেখানে শ্রীলঙ্কার খেলাপি ঋণের হার ১২.৬%, পাকিস্তানের ৯.৪% এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের ২৯.১%, সেখানে বাংলাদেশের হার তাদের সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। ড. মামুনুর রশীদ অভিযোগ করেন, গত এক বছরে খেলাপি ঋণ ৭-৮ গুণ বেড়েছে। তিনি বলেন, “ব্যাংকিং খাতে এই অরাজকতা ইচ্ছাকৃত। রাজনৈতিক কারণে বিরোধী মতের উদ্যোক্তাদের বাজার ছাড়া করা এবং তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করার সংস্কৃতি বেসরকারি খাতকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

বর্তমানে ২৪টি ব্যাংক অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে।” রাজস্ব ঘাটতি ও আইএমএফ-এর চাপে করের বোঝা কালবেলার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এনবিআর সংশোধনের নামে বিশাল রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও গত চার মাসে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ২১৯ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আইএমএফ-এর চাপে জনগণের কাঁধে ৫৫ হাজার কোটি টাকার বাড়তি করের বোঝা চাপানো হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, তারা চিৎকার করলেও সরকার তা শুনছে না। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ মন্তব্য করেছেন, “দেশের অর্থনীতির রক্তক্ষরণ হচ্ছে, কিন্তু নীতিনির্ধারকদের উদাসীনতায় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।” রপ্তানি বাণিজ্যে ধস ও বন্দরের অস্থিরতা গত তিন মাস ধরে রপ্তানি আয় কমছে। অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বিদেশি বড় ক্রেতাদের সঙ্গে প্রায়

২০০টি বৈঠক বাতিল হয়েছে। ড. মামুনুর রশীদ জানান, ব্যাংক ঋণের খরচ বৃদ্ধি এবং বন্দর নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে রপ্তানিমুখী শিল্পে ধস নেমেছে। অন্যদিকে, আমদানিতেও স্থবিরতা চলছে। চাল আমদানি করতে হচ্ছে তৃতীয় দেশ (দুবাই, সিঙ্গাপুর) হয়ে, যা খাদ্যনিরাপত্তায় ঝুঁকি তৈরি করছে। কৃষকের পিঠ দেয়ালে: সারের দামে আগুন কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সার কারখানায় গ্যাসের দাম এক লাফে ৮৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর প্রভাবে সারের দাম বেড়েছে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। ড. রশীদ বলেন, “বন্যা ও হিমাগারের অভাবে কৃষক পানির দরে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। সার ও বীজের অভাবে কৃষি খাত এখন চরম বিপর্যয়ে।” শেয়ারবাজার ও মুদ্রাবিনিময় হারের অস্থিরতা গত এক বছরে শেয়ারবাজারের মূলধন

৫০ শতাংশ উধাও হয়েছে এবং প্রায় ৮০ হাজার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বাজার ছেড়েছেন। রেমিট্যান্স বাড়ার কথা বলা হলেও ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে (জুন ২০২৫ পরবর্তী চার্টে দৃশ্যমান) এর প্রকৃত সুফল মিলছে না। সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ড. মামুনুর রশীদ জানান, বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে বর্তমানে দেশের ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ দারিদ্র্যসীমার মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ, দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী এখন দরিদ্র। অর্থনীতিবিদদের মতে, এখনই কার্যকর সংস্কার না করা হলে সামনের দিনগুলোতে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?