ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ
নৌকা প্রতীক নিষিদ্ধ ও দলীয় নিবন্ধন বাতিলের প্রতিবাদে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে দলটির পক্ষ থেকে একটি আবেদনপত্র প্রকাশ করে জনগণকে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
দেশবাসীর উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা প্রতীক ছাড়া এবং আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়ে আয়োজিত কোনো নির্বাচন আমরা বৈধ বলে মনে করি না।
এ অবস্থায় ভোটকেন্দ্রে না যেতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে দলটির সমর্থকদের প্রচারণা চালাতেও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
জুলাই দাঙ্গার মাধ্যমে ক্ষমতা নেওয়া ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। একই সময়ে দলটির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে
একাধিক মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। পরে নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল এবং দলটির নির্বাচনী প্রতীক নৌকা নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে দলটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে পড়ে। আওয়ামী লীগ বলছে, কঠোর নিরাপত্তা ও ভয়ভীতির পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এ অবস্থায় দলটির সমর্থকদের ভোট প্রদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা নির্বাচন বর্জনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠিত কোনো নির্বাচন জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পারে না। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী,
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও হবে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ২১শে জানুয়ারি এবং ২২শে জানুয়ারি থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার। তবে আওয়ামী লীগের মতো একটি বড় রাজনৈতিক দল নির্বাচনের বাইরে থাকায় ভোটের প্রতিযোগিতা, ভোটার উপস্থিতি এবং নির্বাচনের সামগ্রিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
একাধিক মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। পরে নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল এবং দলটির নির্বাচনী প্রতীক নৌকা নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে দলটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে পড়ে। আওয়ামী লীগ বলছে, কঠোর নিরাপত্তা ও ভয়ভীতির পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এ অবস্থায় দলটির সমর্থকদের ভোট প্রদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা নির্বাচন বর্জনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠিত কোনো নির্বাচন জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পারে না। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী,
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও হবে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ২১শে জানুয়ারি এবং ২২শে জানুয়ারি থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার। তবে আওয়ামী লীগের মতো একটি বড় রাজনৈতিক দল নির্বাচনের বাইরে থাকায় ভোটের প্রতিযোগিতা, ভোটার উপস্থিতি এবং নির্বাচনের সামগ্রিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।



