ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা–২০২৬’ শীর্ষক দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছেন, শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, বরং চাকরি সৃষ্টিকারী (উদ্যোক্তা) হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহসকে শিক্ষাব্যবস্থায় বিকশিত করার ওপর জোর দেন এবং বলেন, শিক্ষার মূল লক্ষ্য কেবল চাকরির উপযোগী জনশক্তি তৈরি নয়, বরং সৃজনশীল, স্বাধীন চিন্তাশীল ও উদ্ভাবনী মানুষ গড়ে তোলা।
কিন্তু এই উচ্চাভিলাষী, আদর্শবাদী তাত্ত্বিক বক্তব্যের মধ্যে লুকিয়ে আছে গভীর দ্বিমুখিতা এবং বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতা, যা দেশের লাখ লাখ বেকার যুবক-যুবতীর ক্ষোভকে আরও তীব্র করে তুলেছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান মূলত
চাকরিপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, কোটা বৈষম্য ও কর্মসংস্থানের সংকট থেকে উদ্ভূত হয়েছিল। সেই আন্দোলনের ফসল হিসেবে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১৭ মাসে পরিস্থিতি উল্টো দিকে মোড় নিয়েছে। সরকারি-বেসরকারি খাতে নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি তো দূরের কথা, বরং অর্থনৈতিক অচলাবস্থা, মুদ্রাস্ফীতি, বিনিয়োগের স্থবিরতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, এই সময়ে প্রায় ১৬ লাখেরও বেশি মানুষ কর্মহীন হয়েছেন। বর্তমানে বেকার ও চাকরিপ্রার্থীদের সংখ্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার “চাকরি সৃষ্টিকারী হোন” বলা যেন একটা তিক্ত রসিকতা। যখন দেশের অর্থনীতি স্থবির, ব্যাংকিং খাতে সংকট, বেসরকারি বিনিয়োগ ১০ বছরের
সর্বনিম্ন পর্যায়ে এবং বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩৬ বছরের সর্বনিম্নে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা—তখন লাখ লাখ যুবককে “উদ্যোক্তা হোন” বলে দায় এড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—যারা দিনের পর দিন চাকরির পরীক্ষা দিয়ে ব্যর্থ হচ্ছেন, যাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য চাকরি হারিয়েছেন, যারা ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছেন—তাদেরকে কীভাবে বলা যায় “কল্পনাশক্তি ও সাহস” দিয়ে উদ্যোগ নিন? উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য পুঁজি, পরিবেশ, নীতিগত সহায়তা, বাজার ও অবকাঠামো দরকার। কিন্তু ইউনূস সরকারের ১৭ মাসে এসবের কোনোটাই সৃষ্টি হয়নি, বরং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও যুব সমাজের একাংশের অভিমত—এই বক্তব্য আসলে সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার একটি সুন্দর ছলনা। যখন সরকার নিজেই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে
সম্পূর্ণ ব্যর্থ, তখন দায়িত্ব যুবসমাজের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ন্যায়সঙ্গত নয়। এটি কেবল দায় এড়ানো নয়, বরং বেকার যুবকদের প্রতি অবজ্ঞা ও অসম্মান। ড. ইউনূসের নোবেল বিজয়ী উদ্যোক্তা পরিচয় সবাই জানে। কিন্তু একজন ব্যক্তির সাফল্যের গল্প আর পুরো দেশের ১০ কোটি যুবসমাজের বাস্তবতা এক নয়। দেশের বেকারত্বের এই চরম সংকটে সরকারের দায়িত্ব হলো জরুরি ভিত্তিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা—শুধু আদর্শবাদী বুলি কপচানো নয়। জনগণের প্রশ্ন স্পষ্ট: যদি শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য না হয়, তাহলে কেন সরকার নিজেই চাকরি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ধ্বংস করছে? এই দ্বিমুখী নীতি আর কতদিন চলবে?
চাকরিপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, কোটা বৈষম্য ও কর্মসংস্থানের সংকট থেকে উদ্ভূত হয়েছিল। সেই আন্দোলনের ফসল হিসেবে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১৭ মাসে পরিস্থিতি উল্টো দিকে মোড় নিয়েছে। সরকারি-বেসরকারি খাতে নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি তো দূরের কথা, বরং অর্থনৈতিক অচলাবস্থা, মুদ্রাস্ফীতি, বিনিয়োগের স্থবিরতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, এই সময়ে প্রায় ১৬ লাখেরও বেশি মানুষ কর্মহীন হয়েছেন। বর্তমানে বেকার ও চাকরিপ্রার্থীদের সংখ্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার “চাকরি সৃষ্টিকারী হোন” বলা যেন একটা তিক্ত রসিকতা। যখন দেশের অর্থনীতি স্থবির, ব্যাংকিং খাতে সংকট, বেসরকারি বিনিয়োগ ১০ বছরের
সর্বনিম্ন পর্যায়ে এবং বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩৬ বছরের সর্বনিম্নে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা—তখন লাখ লাখ যুবককে “উদ্যোক্তা হোন” বলে দায় এড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—যারা দিনের পর দিন চাকরির পরীক্ষা দিয়ে ব্যর্থ হচ্ছেন, যাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য চাকরি হারিয়েছেন, যারা ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছেন—তাদেরকে কীভাবে বলা যায় “কল্পনাশক্তি ও সাহস” দিয়ে উদ্যোগ নিন? উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য পুঁজি, পরিবেশ, নীতিগত সহায়তা, বাজার ও অবকাঠামো দরকার। কিন্তু ইউনূস সরকারের ১৭ মাসে এসবের কোনোটাই সৃষ্টি হয়নি, বরং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও যুব সমাজের একাংশের অভিমত—এই বক্তব্য আসলে সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার একটি সুন্দর ছলনা। যখন সরকার নিজেই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে
সম্পূর্ণ ব্যর্থ, তখন দায়িত্ব যুবসমাজের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ন্যায়সঙ্গত নয়। এটি কেবল দায় এড়ানো নয়, বরং বেকার যুবকদের প্রতি অবজ্ঞা ও অসম্মান। ড. ইউনূসের নোবেল বিজয়ী উদ্যোক্তা পরিচয় সবাই জানে। কিন্তু একজন ব্যক্তির সাফল্যের গল্প আর পুরো দেশের ১০ কোটি যুবসমাজের বাস্তবতা এক নয়। দেশের বেকারত্বের এই চরম সংকটে সরকারের দায়িত্ব হলো জরুরি ভিত্তিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা—শুধু আদর্শবাদী বুলি কপচানো নয়। জনগণের প্রশ্ন স্পষ্ট: যদি শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য না হয়, তাহলে কেন সরকার নিজেই চাকরি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ধ্বংস করছে? এই দ্বিমুখী নীতি আর কতদিন চলবে?



