মেট্রোরেলের ২৭৪ কোটি টাকার কাজ ৪৬৫ কোটি টাকায় পেল ভারতীয় কোম্পানি: সমালোচনার ঝড় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ অক্টোবর, ২০২৫

মেট্রোরেলের ২৭৪ কোটি টাকার কাজ ৪৬৫ কোটি টাকায় পেল ভারতীয় কোম্পানি: সমালোচনার ঝড়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ অক্টোবর, ২০২৫ |
কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণ প্রকল্পে প্রাথমিক বরাদ্দের প্রায় দ্বিগুণ মূল্যে কাজ পাচ্ছে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লারসন অ্যান্ড টুব্রো। মেট্রোরেলে সরকারের ব্যয় বৃদ্ধির তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (আরডিপিপি) ‘ইলেকট্রোমেকানিক্যাল’ খাতে ২৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। কিন্তু দরপত্রের পর ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি একই কাজের জন্য দাবি করে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা। দীর্ঘ দর-কষাকষির পর অবশেষে ৪৬৫ কোটি টাকায় চুক্তি করতে সম্মত হয় উভয় পক্ষ। প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, এ অংশের কাজের অর্থায়ন করছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। তাদের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট তালিকাভুক্ত ঠিকাদার

দিয়েই কাজ করতে হবে। ফলে অন্য কোনো দেশীয় বা তৃতীয় পক্ষকে কাজ দেওয়ার সুযোগ ছিল না। সদ্য বিদায়ী প্রকল্প পরিচালক মো. জাকারিয়া বলেন, “২০২২ সালের ডলার দর অনুযায়ী ২৭৪ কোটি টাকায় কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু ডলারের দাম ও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এখন ৪৬৫ কোটি টাকায় করতে হচ্ছে।” ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ বলেন, “ঠিকাদার যা চেয়েছিল, তার থেকে প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ কমে কাজ করাতে পেরেছি। এতে কমলাপুর অংশের কাজ দ্রুত শেষ হবে।” নতুন চুক্তির আওতায় কমলাপুর অংশে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, এসকালেটর, লিফট, সিসি ক্যামেরা, মনিটর ও সিগন্যাল টেলিকমিউনিকেশনসহ টেকনিক্যাল কাজ করবে ভারতীয় কোম্পানিটি। তবে বরাদ্দের চেয়ে ৭০ শতাংশ বেশি মূল্যে কাজ দেওয়া নিয়ে

সমালোচনায় মুখর অনেকে। মেট্রোরেলের নিয়মিত ব্যবহারকারী চাকরিজীবী আলীম সালেহী লিখেছেন, “গুজব ছড়িয়ে বলা হয়েছিল শেখ হাসিনা নাকি মেট্রোরেলের মত ‘অপ্রয়োজনীয়’ খাতে বিপুল অর্থের অপচয় করেছেন, আরও বলা হয়েছিল, যে খরচে শেখ হাসিনা মেট্রোরেল করেছেন তার একটার খরচে তিনটা করে মেট্রোরেল প্রকল্প করা যাবে। কিন্তু এখন কী দেখতে পেলাম আমরা?” শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ভারতবিরোধী স্লোগান তুলে ক্ষমতায় আসা ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেই ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের হাতে দ্বিগুণ মূল্যে কাজ তুলে দেওয়া সরকার ও জাইকার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা। ফেসবুকে রিপন দে লিখেছেন, “ভারতবিরোধিতা করা হয় শুধু আমাদের মাতাল করে রাখতে। আসলে যারা শাসক তারা জানে, এতে আমরা এত খুশি থাকব যে

আর কোনো চাওয়া থাকবে না।”

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা? হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয়