ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি : রুমিন ফারহানা
ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হকের একটি নির্বাচনি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে
ঢাকায় গুলি করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে হত্যা
বিএনপি-জামায়াতের কোটিপতি, বাসদের প্রার্থী করেন টিউশনি
রাউজানে মুখোশধারীর গুলিতে যুবদল নেতা নিহত
ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই তারেকের নাম ব্যবহার করে ‘তদবির বাণিজ্যের’ হিড়িক
জাপার সাবেক মহাসচিব চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল
কেন যুক্তরাষ্ট্র যেতে বাধা দেওয়া হলো সোহেল তাজকে? ‘তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন’ বোনের জবাব
যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে উঠতে গিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজকে।
আজ ২৬শে সেপ্টেম্বর, শুক্রবার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন তার বোন মাহজাবিন আহমদ মিমি।
মাহজাবিন জানান, “সোহেল তাজের বিদেশযাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।”
ঠিক কবে এ ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সম্ভবত বুধবার।” তবে আটকে দেওয়ার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি হননি। তার সংক্ষিপ্ত জবাব ছিল, “সেটা তাদেরই জিজ্ঞেস করুন।”
এদিকে বিমানবন্দরের এসএস (ইমিগ্রেশন) কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, ভ্রমণরোধ জারি থাকায় সোহেল তাজ দেশত্যাগ করতে পারেননি।
সোহেল তাজ প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ২০০১ সালের নির্বাচনে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসন থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। পরে ২০০৮ সালে পুনরায় একই আসন থেকে
নির্বাচিত হয়ে ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। কিন্তু একই বছরের ৩১শে মে তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। ২০১২ সালের ২৩শে এপ্রিল সংসদ সদস্য পদ থেকেও তিনি পদত্যাগ করেন। তবে প্রথমবার প্রক্রিয়াগত কারণে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়নি। পরে একই বছরের ৭ই জুলাই আবার পদত্যাগপত্র জমা দিলে তা গ্রহণ করা হয়। এরপর থেকে তিনি আর কখনো সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হননি।
নির্বাচিত হয়ে ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। কিন্তু একই বছরের ৩১শে মে তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। ২০১২ সালের ২৩শে এপ্রিল সংসদ সদস্য পদ থেকেও তিনি পদত্যাগ করেন। তবে প্রথমবার প্রক্রিয়াগত কারণে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়নি। পরে একই বছরের ৭ই জুলাই আবার পদত্যাগপত্র জমা দিলে তা গ্রহণ করা হয়। এরপর থেকে তিনি আর কখনো সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হননি।



