ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিউজিল্যান্ড সিরিজে কোহলি-রোহিতের ওপর ভরসা রাখছেন গিল
ক্রিকেটের স্বার্থ ও ভবিষ্যত চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত: তামিম
বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বললেন তামিম
নিজ ইচ্ছাতেই বিপিএল থেকে সরে গেছেন ভারতীয় উপস্থাপিকা
ভারতেই খেলতে হবে এমন দাবি ভিত্তিহীন: বিসিবি
মুস্তাফিজকে স্বাগত জানাল পিএসএল
একদিকে মুস্তাফিজ নিয়ে ‘মায়াকান্না’, অন্যদিকে সাকিব-মাশরাফিকে ধ্বংসের নীলনকশা
ডাচদের হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ
প্রায় দুই বছর পর দলে ফেরা সাইফ হাসানে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স আর লিটন দাসের দাপুটে ব্যাটিং ও তাসকিন আহমেদের আগুনে বোলিংয়ের সুবাদে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নেদারল্যান্ডসকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। তার সে সিদ্ধান্তের মান রাখেন তাসকিন-সাইফরা। ৩৮ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে স্বাগতিকদের দারুণ শুরু এনে দেন তাসকিন। এরপর এক ওভারেই ডাচ অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস এবং তেজা নিদামানুরুকে বিদায় করেন স্পিনার সাইফ। নিজের তৃতীয় ও চতুর্থ ওভারে আরও দুই উইকেট শিকার করে ডাচদের বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা নস্যাৎ করে দেন তাসকিন। ৪ ওভার বল করে
২৮ রান খরচায় ৪ উইকেট ঝুলিতে পোরেন তিনি। বাংলাদেশের বোলারদের দাপুটে পারফরম্যান্সের মুখে সফরকারীদের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৬ রান আসে নিদামানুরুর ব্যাটে। ১৩৭ রানের লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই টি-টোয়েন্টি মেজাজে ব্যাট চালায় বাংলাদেশ দল। দলীয় ২৬ রানে ওপেনার পারভেজ ইমন ( ৯ বলে ১৫) ফিরলেও তাতে রান তাড়ার গতি শ্লথ হয়নি। দ্বিতীয় উইকেটে ওপেনার তানজিদ তামিমকে নিয়ে ৩৯ বলে ৬৬ রানের বিস্ফোরক এক জুটি গড়েন অধিনায়ক লিটন। দশম ওভারে তানজিদ ২৪ বলে ২৯ রান করে ফিরলেও লিটন মনোযোগ হারাননি। তৃতীয় উইকেটে সাইফকে নিয়ে ৪৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তিনি। ২৬ বলে পেয়ে যান ব্যক্তিগত পঞ্চাশের দেখা। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৬ চার এবং ২
ছক্কায় ৫৪ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ১৯ বলে ১ চার এবং ৩ ছক্কায় ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফ। বল হাতে ডাচ ব্যাটিং লাইনআপের কোমর ভেঙে দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যাচসেরার পুরস্কার জয় করেন তাসকিন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর একই মাঠে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস।
২৮ রান খরচায় ৪ উইকেট ঝুলিতে পোরেন তিনি। বাংলাদেশের বোলারদের দাপুটে পারফরম্যান্সের মুখে সফরকারীদের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৬ রান আসে নিদামানুরুর ব্যাটে। ১৩৭ রানের লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই টি-টোয়েন্টি মেজাজে ব্যাট চালায় বাংলাদেশ দল। দলীয় ২৬ রানে ওপেনার পারভেজ ইমন ( ৯ বলে ১৫) ফিরলেও তাতে রান তাড়ার গতি শ্লথ হয়নি। দ্বিতীয় উইকেটে ওপেনার তানজিদ তামিমকে নিয়ে ৩৯ বলে ৬৬ রানের বিস্ফোরক এক জুটি গড়েন অধিনায়ক লিটন। দশম ওভারে তানজিদ ২৪ বলে ২৯ রান করে ফিরলেও লিটন মনোযোগ হারাননি। তৃতীয় উইকেটে সাইফকে নিয়ে ৪৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তিনি। ২৬ বলে পেয়ে যান ব্যক্তিগত পঞ্চাশের দেখা। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৬ চার এবং ২
ছক্কায় ৫৪ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ১৯ বলে ১ চার এবং ৩ ছক্কায় ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফ। বল হাতে ডাচ ব্যাটিং লাইনআপের কোমর ভেঙে দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যাচসেরার পুরস্কার জয় করেন তাসকিন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর একই মাঠে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস।



