ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কাবুলে হাসপাতালে ভয়াবহ বিমান হামলা: পাকিস্তানের যুদ্ধাপরাধ ও বর্বরতা ১৯৭১ এর মতোই
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব
অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি, অডিও ফাঁস
রাশিয়ার তেল পাইপলাইন ইস্যুতে ইউরোপীয় মিত্রদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ জেলেনস্কির
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পর ইরানে ‘খুব কঠোর’ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
অ্যামেরিকার সঙ্গে কিউবার বৈঠক সম্পন্ন: প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল
কেন রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করছেন না মোদি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি জটিল ভারসাম্যমূলক কাজ করছেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ নেতা ভ্লাদিমির পুতিন– উভয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাচ্ছেন।
তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতকে একটি নিরপেক্ষ পক্ষ হিসেবে দাবি করছেন, যা মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী পশ্চিমা দেশগুলোর হতাশার কারণ। এখন মনে হচ্ছে, ট্রাম্প তাঁর ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছেন। ট্রাম্পের দাবি, মোদিকে অবশেষে একটি পক্ষ বেছে নিতে হবে। রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত সস্তায় যে তেল কিনছে, এর বিরোধিতা করছেন তিনি।
গতকাল বুধবার সিএনএনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প ও মোদি– উভয়ে এককালে তাদের বন্ধুত্বকে উষ্ণ ভাষায় তুলে ধরেছেন। এসব এখন অতীত। গত সোমবার সিএনবিসির
সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অঙ্গীকার করেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে’ ভারতের ওপর ‘যথেষ্ট পরিমাণে’ শুল্ক বাড়ানো হবে। কারণ, তারা এখনও রুশ তেল কিনছে। নতুন শুল্ক হার কী হবে, তা স্পষ্ট নয়। নতুন হুমকিটি এসেছে গত সপ্তাহে ভারতীয় পণ্যের আমদানি শুল্ক ন্যূনতম ২৫ শতাংশ ঘোষণার পর। গত সপ্তাহে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘তারা (ভারত) সব সময় তাদের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ রাশিয়া থেকে কিনেছে। চীনের মতো রুশ জ্বালানির বৃহত্তম ক্রেতা ভারত। এগুলো এমন একসময় ঘটছে, যখন সবাই চায় রাশিয়া ইউক্রেনে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করুক।’ তবে ভারত সরকারও অনড় অবস্থানে রয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে এগিয়ে এলেও বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম
অর্থনীতি ভারত তা করেনি। তারা যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘অযৌক্তিক’ বলেছে। রুশ ইউরেনিয়াম কেনার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ট্রাম্প হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, রাশিয়া থেকে কেন ইউরেনিয়াম ও সার আমদানি করছে যুক্তরাষ্ট্র, তা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। বিষয়টি জেনে বলতে হবে। গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক সম্পর্কে কথা বলছিলেন ট্রাম্প। তখন ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। আদানিকে বাঁচাতেই মোদির নীরবতা– দাবি রাহুলের যুক্তরাষ্ট্রে আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতি তদন্তের কারণেই মোদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘কঠোর অবস্থান’ নিতে পারছেন না বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল
গান্ধী। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ট্রাম্পের হুমকির পরও মোদি তাঁর সামনে কথা বলছেন না। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে আদানির বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত চলছে। ওই তদন্তে মোদি, আদানি ও রাশিয়ার তেলের লেনদেন নিয়ে আর্থিক সম্পর্ক ফাঁস হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। রাহুল গান্ধীর দাবি, এ তদন্তের কারণেই মোদির ‘হাত বাঁধা’। যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত মোদি সরকারের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করতে পারে।
সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অঙ্গীকার করেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে’ ভারতের ওপর ‘যথেষ্ট পরিমাণে’ শুল্ক বাড়ানো হবে। কারণ, তারা এখনও রুশ তেল কিনছে। নতুন শুল্ক হার কী হবে, তা স্পষ্ট নয়। নতুন হুমকিটি এসেছে গত সপ্তাহে ভারতীয় পণ্যের আমদানি শুল্ক ন্যূনতম ২৫ শতাংশ ঘোষণার পর। গত সপ্তাহে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘তারা (ভারত) সব সময় তাদের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ রাশিয়া থেকে কিনেছে। চীনের মতো রুশ জ্বালানির বৃহত্তম ক্রেতা ভারত। এগুলো এমন একসময় ঘটছে, যখন সবাই চায় রাশিয়া ইউক্রেনে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করুক।’ তবে ভারত সরকারও অনড় অবস্থানে রয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে এগিয়ে এলেও বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম
অর্থনীতি ভারত তা করেনি। তারা যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘অযৌক্তিক’ বলেছে। রুশ ইউরেনিয়াম কেনার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ট্রাম্প হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, রাশিয়া থেকে কেন ইউরেনিয়াম ও সার আমদানি করছে যুক্তরাষ্ট্র, তা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। বিষয়টি জেনে বলতে হবে। গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক সম্পর্কে কথা বলছিলেন ট্রাম্প। তখন ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। আদানিকে বাঁচাতেই মোদির নীরবতা– দাবি রাহুলের যুক্তরাষ্ট্রে আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতি তদন্তের কারণেই মোদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘কঠোর অবস্থান’ নিতে পারছেন না বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল
গান্ধী। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ট্রাম্পের হুমকির পরও মোদি তাঁর সামনে কথা বলছেন না। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে আদানির বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত চলছে। ওই তদন্তে মোদি, আদানি ও রাশিয়ার তেলের লেনদেন নিয়ে আর্থিক সম্পর্ক ফাঁস হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। রাহুল গান্ধীর দাবি, এ তদন্তের কারণেই মোদির ‘হাত বাঁধা’। যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত মোদি সরকারের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করতে পারে।



