ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মায়ানমার সীমান্তে নতুন অস্বস্তি: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, আরাকান নেতার বিতর্কিত মানচিত্র ঘিরে উদ্বেগ
আলুটিলা পাহাড় ইসলামীকরণ: পর্যটন স্থানে জমি দখলের করে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ; জেলা প্রশাসকের সায়
নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন সাতক্ষীরার লাখো জেলে, পরিবার নিয়ে দুর্ভোগে
চট্টগ্রামে বেপরোয়া শিবির-সাজ্জাদের বাহিনী: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা না দিলে শরীর ঝাঁজরা করে দেওয়ার হুমকি
প্রতিকূলতার মাঝেও সাধারণ মানুষের পাশে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ: কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা
গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক ২
বাঁশখালীতে কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা
৩ ইউপি সদস্যকে পুলিশে দিল জনতা
পাবনার ঈশ্বরদীতে তিন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যকে (মেম্বার) আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন- দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ফিরোজ হোসেন বাকি (৫৭), আলাউদ্দিন খান (৫০) ও রফিকুল ইসলাম মাঝি (৪৫)। তারা তিনজন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
দীর্ঘদিন পর পরিষদ কার্যালয়ে আসার খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাদের আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। পরে দুপুর ২টার দিকে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়।
আটক ফিরোজ হোসেন বাকি দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নাম্বার ওয়ার্ডের সদস্য ও নওদাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ মাস্টারের ছেলে। তিনি দাশুড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম
সাধারণ সম্পাদক। আলাউদ্দিন খান ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের নবাব আলী খানের ছেলে। তিনি দাশুড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। এছাড়া রফিকুল ইসলাম মাঝি ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের সদস্য ও মারমী গ্রামের সিরাজ মাঝির ছেলে। তিনি ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য। ঈশ্বরদী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তিন ইউপি সদস্যকে স্থানীয় লোকজন ইউনিয়ন কার্যালয়ে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাধারণ সম্পাদক। আলাউদ্দিন খান ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের নবাব আলী খানের ছেলে। তিনি দাশুড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। এছাড়া রফিকুল ইসলাম মাঝি ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের সদস্য ও মারমী গ্রামের সিরাজ মাঝির ছেলে। তিনি ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য। ঈশ্বরদী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তিন ইউপি সদস্যকে স্থানীয় লোকজন ইউনিয়ন কার্যালয়ে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



