ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজধানীতে বিকালেই রাতের অন্ধকার
মায়ানমার সীমান্তে নতুন অস্বস্তি: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, আরাকান নেতার বিতর্কিত মানচিত্র ঘিরে উদ্বেগ
আলুটিলা পাহাড় ইসলামীকরণ: পর্যটন স্থানে জমি দখলের করে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ; জেলা প্রশাসকের সায়
নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন সাতক্ষীরার লাখো জেলে, পরিবার নিয়ে দুর্ভোগে
চট্টগ্রামে বেপরোয়া শিবির-সাজ্জাদের বাহিনী: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা না দিলে শরীর ঝাঁজরা করে দেওয়ার হুমকি
প্রতিকূলতার মাঝেও সাধারণ মানুষের পাশে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ: কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা
গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক ২
মামলা নেন না ওসি, বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন কৃষক
কুড়িগ্রামের ঢুষমারা থানার আওতাধীন পালেরচর এলাকার কৃষকের ৮ বিঘা জমির ফসল (পাকা গম) চুরি করে কেটে নেওয়ার ঘটনায় ঢুষমারা থানার ওসি আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি করেছেন ভুক্তভোগি কৃষক আজিজুল হক।
ভুক্তভোগি কৃষক আজিজুল হক রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের চর বাঘমারা এলাকার ওফাজ উদ্দিনের ছেলে।
কোনো প্রতিকার না পেয়ে ভুক্তভোগি কৃষক আজিজুল হক সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, কুড়িগ্রামের ঢুষমারা থানার আওতাধীন পালেরচর এলাকার কালিকারপুর মৌজার জমিতে দীর্ঘ ৭০ বছর থেকে ভোগ দখল করে চাষাবাদ করে আসছেন তিনি। ওই জমি বিভিন্ন সময়ে দখলের পাঁয়তারা করে আসছেন তাইজুদ্দিন, নহন উদ্দিন ও সোনালরা। গত তিন মাস আগে ওই ভোগ দখলীয় জমিতে
ফসল (পাকা গম) চাষ করা হয়। গম কাটার উপযুক্ত সময় হলে গত ১৩ মার্চ সকাল ৯টার দিকে দুটি মেশিন দিয়ে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে ৮ বিঘা জমির ফসল (পাকা গম) চুরি করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। ভুক্তভোগি ওই কৃষক আরও অভিযোগ করে জানান, জমির পাকা গম চুরি করে কেটে নেওয়ার ঘটনার দিন আজিজুল হক বাদী হয়ে ঢুষমারা থানায় লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পান ঢুষমারা থানার এসআই নিরঞ্জন। পরে ২০ মার্চ মিমাংসার জন্য দুপক্ষকে থানায় বৈঠকে বসতে ডাকেন ওসি আশরাফুল ইসলাম। এসময় অভিযুক্তদের কাউকে হাজির করাতে পারেননি তিনি। এতে কোনো প্রতিকার না পেয়ে থানায় মামলা দিতে যান ভুক্তভোগি ওই কৃষক। রহস্যজনক
কারণে মামলা নিচ্ছেন না ওসি। এরপর আবারও ওই অভিযুক্তরা গত ২৪ মার্চ তাদের ক্ষেত থেকে জোর করে ভুট্টা কেটে নিয়ে গেছে বলে জানান ওই ভুক্তভোগি কৃষক। অন্যদিকে অভিযুক্তদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই ভুক্তভোগি কৃষক পরিবার। স্থানীয় আলিম উদ্দিন, জহর আলী, মোসলেম ও শাহেব আলীসহ আরও অনেকে জানান, ওই জমিটি কৃষক আজিজুল হকদের পৈতিৃক সম্পত্তি। দীর্ঘ দিন থেকে ভোগ দখল করে চাষাবাদ করেও আসছেন। কিন্তু ওই জমি জোর করে জবর-দখলের চেষ্টা করে আসছেন তাইজুদ্দিনসহ তার লোকজন। আবার কিছুদিন আগে ওই জমিতে চাষ করা ফসল (পাকা গম) চুরি করে কেটে নিয়ে যায় তারা। পরে আবার ওই কৃষকের ভুট্টা কেটে নিয়ে গেছে তারা। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের
আইনজীবী ফেরদৌস আল মাহমুদ পলাশ বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বা সম্পত্তি থেকে ফসল কেটে নেয়, তবে এটি চুরির অপরাধ হবে, যা ৩৭৯ ধারা অনুযায়ী অপরাধ। এছাড়া যদি কোনো ব্যক্তি জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া জমি বা সম্পত্তিতে প্রবেশ করে, তবে এটি অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ হিসেবে বিবেচিত হবে। যা ধারা ৪৪১ অনুযায়ী অপরাধ এবং উক্ত জমিতে যদি অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্য থাকে (যেমন- চুরি, ক্ষতিসাধন) তবে তা ধারা ৪৪৭ অনুযায়ী অপরাধ হবে। যদি ফসল কাটার কারণে জমির মালিকের আর্থিক ক্ষতি হয়, তবে এটি অনিষ্ট বা ক্ষতিসাধন বা নাশকতা হিসেবে গণ্য হবে, যা ধারা ৪২৫ ও ৪২৭ অনুযায়ী অপরাধ হবে। জমির ফসল
(পাকা গম) চুরির মামলা না নেওয়ার বিষয়ে কুড়িগ্রামের ঢুষমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, এই মামলা নিতে পারবো না। এটা আদালতের বিষয়। বিষয়টি নিয়ে কথা হয় সহকারী পুলিশ সুপার (রৌমারী সার্কেল) মমিনুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন। যেহেতু জমাজমি সংক্রান্ত বিষয়। তারপরও ওসিকে বলা হয়েছে, মামলা নেওয়ার মতো হলে মামলা নেবেন।
ফসল (পাকা গম) চাষ করা হয়। গম কাটার উপযুক্ত সময় হলে গত ১৩ মার্চ সকাল ৯টার দিকে দুটি মেশিন দিয়ে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে ৮ বিঘা জমির ফসল (পাকা গম) চুরি করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। ভুক্তভোগি ওই কৃষক আরও অভিযোগ করে জানান, জমির পাকা গম চুরি করে কেটে নেওয়ার ঘটনার দিন আজিজুল হক বাদী হয়ে ঢুষমারা থানায় লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পান ঢুষমারা থানার এসআই নিরঞ্জন। পরে ২০ মার্চ মিমাংসার জন্য দুপক্ষকে থানায় বৈঠকে বসতে ডাকেন ওসি আশরাফুল ইসলাম। এসময় অভিযুক্তদের কাউকে হাজির করাতে পারেননি তিনি। এতে কোনো প্রতিকার না পেয়ে থানায় মামলা দিতে যান ভুক্তভোগি ওই কৃষক। রহস্যজনক
কারণে মামলা নিচ্ছেন না ওসি। এরপর আবারও ওই অভিযুক্তরা গত ২৪ মার্চ তাদের ক্ষেত থেকে জোর করে ভুট্টা কেটে নিয়ে গেছে বলে জানান ওই ভুক্তভোগি কৃষক। অন্যদিকে অভিযুক্তদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই ভুক্তভোগি কৃষক পরিবার। স্থানীয় আলিম উদ্দিন, জহর আলী, মোসলেম ও শাহেব আলীসহ আরও অনেকে জানান, ওই জমিটি কৃষক আজিজুল হকদের পৈতিৃক সম্পত্তি। দীর্ঘ দিন থেকে ভোগ দখল করে চাষাবাদ করেও আসছেন। কিন্তু ওই জমি জোর করে জবর-দখলের চেষ্টা করে আসছেন তাইজুদ্দিনসহ তার লোকজন। আবার কিছুদিন আগে ওই জমিতে চাষ করা ফসল (পাকা গম) চুরি করে কেটে নিয়ে যায় তারা। পরে আবার ওই কৃষকের ভুট্টা কেটে নিয়ে গেছে তারা। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের
আইনজীবী ফেরদৌস আল মাহমুদ পলাশ বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বা সম্পত্তি থেকে ফসল কেটে নেয়, তবে এটি চুরির অপরাধ হবে, যা ৩৭৯ ধারা অনুযায়ী অপরাধ। এছাড়া যদি কোনো ব্যক্তি জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া জমি বা সম্পত্তিতে প্রবেশ করে, তবে এটি অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ হিসেবে বিবেচিত হবে। যা ধারা ৪৪১ অনুযায়ী অপরাধ এবং উক্ত জমিতে যদি অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্য থাকে (যেমন- চুরি, ক্ষতিসাধন) তবে তা ধারা ৪৪৭ অনুযায়ী অপরাধ হবে। যদি ফসল কাটার কারণে জমির মালিকের আর্থিক ক্ষতি হয়, তবে এটি অনিষ্ট বা ক্ষতিসাধন বা নাশকতা হিসেবে গণ্য হবে, যা ধারা ৪২৫ ও ৪২৭ অনুযায়ী অপরাধ হবে। জমির ফসল
(পাকা গম) চুরির মামলা না নেওয়ার বিষয়ে কুড়িগ্রামের ঢুষমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, এই মামলা নিতে পারবো না। এটা আদালতের বিষয়। বিষয়টি নিয়ে কথা হয় সহকারী পুলিশ সুপার (রৌমারী সার্কেল) মমিনুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন। যেহেতু জমাজমি সংক্রান্ত বিষয়। তারপরও ওসিকে বলা হয়েছে, মামলা নেওয়ার মতো হলে মামলা নেবেন।



