ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মাঝ আকাশে বৃদ্ধার সঙ্গে কিয়ারার দুর্ব্যবহার
সব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে নেহা বললেন, আমাকে বাঁচতে দিন
শীতার্ত মানুষের জন্য আগামীকাল গাইবে চার ব্যান্ড
দুই সিনেমায় তমা মির্জা
৭২ বয়সে আত্মজীবনী লিখলেন অঞ্জন দত্ত
আমি অভিনেতা, প্রতিটি মাধ্যমে অভিনয় করে যেতে চাই: সোহেল মণ্ডল
বছরের প্রথম প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল দেশীয় দুই সিনেমা
নতুন পরিচয়ে ঋতুপর্ণা
অভিনয় করে তারকা খ্যাতি পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। বাংলাদেশের রয়েছে তাঁর পরিচিতি। এবার তিনি হাজির হয়েছেন নতুন পরিচয়ে। রেস্তোরা ব্যবসায় নেমেছেন এই অভিনেত্রী। রেস্তোরার নাম দিয়েছেন ‘নিবলস’। খবর এই সময়ের।
যারা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে চেনেন, জানেন তিনি যত্ন করে সবাইকে খাওয়াতে কতটা ভালোবাসেন। তাঁর বাড়িতে গেলে না খাইয়ে ছাড়েন না কখনও। তাঁর এই খাওয়ানোর প্যাশনই এ বার অন্য ভাবে প্রকাশিত হয়েছে। শরৎ বোস রোডে একটি রেস্তোরাঁ কিনেছেন নায়িকা।
ঋতুপর্ণার ভাষায় , ‘‘ ‘নিবলস’ মানে কী সবাই জানেন। আমিও ছোট-ছোট পদক্ষেপ দিয়ে বড় হতে চাই। আমি হেলদি খাবার রেখেছি মেনুতে। কোল্ড প্রেস জুস, স্টিমড-বেকড ডিশ পাবেন এখানে। পুরো মেনুটাই পকেট
ফ্রেন্ডলি। তাই প্রিয়জনের সঙ্গে বিশেষ কিছু মুহূর্ত কাটাতে চাইলে এখানে আসতে পারেন। অবশ্যই খাবার কেমন লাগল জানাবেন আমাদের।’ তবে এই রেস্তোরাঁ কেনার পিছনে অন্য একটি বিষয়ও কাজ করেছে। তিনি যোগ করেন, ‘আমার খুব ইমোশনাল জায়গা ‘নিবলস’। এটা আমার স্কুল-কলেজের খুব কাছের এক বন্ধুর রেস্তোরাঁ ছিল। সে এই সুন্দর জিনিসটা শুরু করেছিল। আমার জন্য এখান থেকে প্রায়ই খাবার পাঠাত। আমাদের লেডি ব্রেবোর্ন কলেজের রি-ইউনিয়নের অনুষ্ঠানের রিহার্সালের সময়ে ও এখান থেকে আমাদের জন্য খাবার নিয়ে যেত। এখানকার কোল্ড প্রেস জুস খুব ভালো লাগত। বাড়িতে খাবার নিয়ে গিয়ে আমার হেল্পিং হ্যান্ডকে বলত, ‘ভালো করে রেখে দাও। দিদিকে পরে দেবে।’ কিন্তু ২০২৪-এর শুরুতে ও আমাদের ছেড়ে
চলে যায়। আমার দুই প্রিয় মানুষ, অভিনেত্রী শ্রীলা মজুমদার আর আমার বন্ধু অনিন্দিতা একদিনে আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে। তার হাজ়ব্যান্ডের এই জায়গাটা নিয়ে আর কিছু করার ইচ্ছে ছিল না। আমার মনে হলো, এই কোজ়ি জায়গাটা যদি নিজেদের কাছেই রাখি, তা হলে এর মাধ্যমেই ও আমাদের কাছে থেকে যাবে। সেই থেকে এই উদ্যোগ।’
ফ্রেন্ডলি। তাই প্রিয়জনের সঙ্গে বিশেষ কিছু মুহূর্ত কাটাতে চাইলে এখানে আসতে পারেন। অবশ্যই খাবার কেমন লাগল জানাবেন আমাদের।’ তবে এই রেস্তোরাঁ কেনার পিছনে অন্য একটি বিষয়ও কাজ করেছে। তিনি যোগ করেন, ‘আমার খুব ইমোশনাল জায়গা ‘নিবলস’। এটা আমার স্কুল-কলেজের খুব কাছের এক বন্ধুর রেস্তোরাঁ ছিল। সে এই সুন্দর জিনিসটা শুরু করেছিল। আমার জন্য এখান থেকে প্রায়ই খাবার পাঠাত। আমাদের লেডি ব্রেবোর্ন কলেজের রি-ইউনিয়নের অনুষ্ঠানের রিহার্সালের সময়ে ও এখান থেকে আমাদের জন্য খাবার নিয়ে যেত। এখানকার কোল্ড প্রেস জুস খুব ভালো লাগত। বাড়িতে খাবার নিয়ে গিয়ে আমার হেল্পিং হ্যান্ডকে বলত, ‘ভালো করে রেখে দাও। দিদিকে পরে দেবে।’ কিন্তু ২০২৪-এর শুরুতে ও আমাদের ছেড়ে
চলে যায়। আমার দুই প্রিয় মানুষ, অভিনেত্রী শ্রীলা মজুমদার আর আমার বন্ধু অনিন্দিতা একদিনে আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে। তার হাজ়ব্যান্ডের এই জায়গাটা নিয়ে আর কিছু করার ইচ্ছে ছিল না। আমার মনে হলো, এই কোজ়ি জায়গাটা যদি নিজেদের কাছেই রাখি, তা হলে এর মাধ্যমেই ও আমাদের কাছে থেকে যাবে। সেই থেকে এই উদ্যোগ।’



