আগে ডাকসুর গঠনতন্ত্র সংস্কার, পরে নির্বাচন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ জানুয়ারি, ২০২৫
     ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা

ভোটের আগেই সিট ভাগ হয়ে গেছে। আর এখন দেশের টাকায় চলছে লোক দেখানো নাটক।

বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা

মবসন্ত্রাস মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপনকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও কারা হেফাজতে সিরিয়াল কিলিংয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি

উন্নয়ন দেখলেই গাত্রদাহ আধুনিক নগর পরিকল্পনায় ‘অজ্ঞ’ তারেক: ফ্লাইওভার নিয়ে হাস্যকর দাবি

ওয়াশিংটনের ‘ম্যানেজেবল ইসলাম’ প্রকল্প: বাংলাদেশের ভোট কি এখন ভূ-রাজনীতির পরীক্ষাগার?

‘ইউনূস এক খুনি ফ্যাসিস্ট’: নির্বাসনে প্রথম জনসমাবেশে শেখ হাসিনার তীব্র ভাষণ নয়াদিল্লি ভারত ।

আগে ডাকসুর গঠনতন্ত্র সংস্কার, পরে নির্বাচন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ জানুয়ারি, ২০২৫ | ৬:৫২ 102 ভিউ
ডাকসু নির্বাচনের আগে এর গঠনতন্ত্র সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রনেতারা। তারা বলছেন, আগে সংস্কার, পরে নির্বাচন। কেননা ডাকসুর গঠনতন্ত্র শিক্ষার্থীবান্ধব নয়। ফলে এর পরিবর্তন করে শিক্ষার্থীবান্ধব করা অপরিহার্য। তবে ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে নির্বাচন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়াও লক্ষ করা গেছে। এদিকে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেছেন, দ্রুত সম্ভব সবাইকে নিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চাই। দীর্ঘ ২৮ বছর পর ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৯ সালের মার্চে। ওই সংসদের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালের মার্চে। এরপর দীর্ঘ ৪ বছর বন্ধ নির্বাচন। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীরা দাবি জানালেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর নতুন করে আবার ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি ওঠে।

এরই মধ্যে ৮ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, জানুয়ারির শেষে বা ফেব্রুয়ারিতে ডাকসু নির্বাচন হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে ছাত্রনেতাদের অধিকাংশই ডাকসুর গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে শিক্ষার্থীবান্ধব করার দাবি জানাচ্ছেন। ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট। আমরা শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার পক্ষে। ২০১৯ সালে সর্বশেষ যে ডাকসু হয়, তখন যে গঠনতন্ত্র ছিল, তা শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করে না। এটি নিয়ে আমাদের সংস্কারের প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দেব। আর সেই সংস্কারগুলো সম্পন্ন হওয়ার পর উপযুক্ত সময়ে আমরা ডাকসু নির্বাচন চাই। নির্বাচনের সময়সীমা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার বিষয়ে আমরা এখনো কোনো চিন্তা করিনি।

তবে অবশ্যই ডাকসু নির্বাচনের আগে আমরা সংস্কারের সর্বোচ্চ দাবি জানাব। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও ঢাবি শিক্ষার্থী আবু বাকের মজুমদার বলেন, ছাত্রসমাজের লিগ্যাল প্রতিনিধি হওয়ার জন্য ডাকসু নির্বাচনের প্রয়োজন অবশ্যই আছে। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈধ প্রতিনিধি নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মনে করি। আর সেটা অবশ্যই ডাকসুর মধ্য দিয়ে হবে। শুধু ডাকসু নয়, সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন চালু হলে নতুন নেতৃত্ব উঠে আসবে। ঢাবি শাখা ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি এসএম ফরহাদ বলেন, খুব দ্রুত ডাকসু নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। বিশ্ববিদ্যালয় ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনে যে সময় দিয়েছে, সেই সময়ের মধ্যেই নির্বাচন হওয়া দরকার। ডাকসুর গঠনতন্ত্রের একটি খসড়া

আমরা তৈরি করেছি। কয়েক দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে সেটি প্রকাশ করা হবে। গঠনতন্ত্র নিয়ে তিনি বলেন, ডাকসুর গঠনতন্ত্রের আমূল পরিবর্তন করতে হবে, নট নেসেসারি। বেসিক কিছু জায়গায় পরিবর্তন করলেই হবে। আর এক-দুটি মিটিং করেই তা করা সম্ভব। এর জন্য অনেক সময় প্রয়োজন নেই। গঠনতন্ত্রে উপাচার্যকে সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, সেটি কমাতে হবে। ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, আমরা চেয়েছিলাম জানুয়ারির শেষে অথবা ফেব্রুয়ারির শুরুতে যাতে ডাকসু নির্বাচন হয়। তবে এ সময়ে নির্বাচন করার জন্য যে ধরনের কার্যকর পদেক্ষপ দরকার, তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এখনো নিতে দেখিনি। তবে কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে গঠনতন্ত্র সংস্কার না করে দ্রুত সময়ে

ডাকসু নির্বাচন দেওয়া উচিত হবে না। ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি (একাংশ) রাগিব নায়িম বলেন, আমরা যে ছাত্র আন্দোলন করেছি, সেটাকে সফল করার জন্য অবশ্যই ডাকসু নির্বাচন দিতে হবে। ডাকসু নির্বাচনের আগে প্রশাসনকে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে হবে। একটু সময় নিয়ে ডাকসুর গঠনতন্ত্র সংস্কার করা দরকার বলে আমি মনে করি। এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আমরা অত্যন্ত আগ্রহী। আমরা চাই, সবার মধ্যে নির্বাচন নিয়ে ঐক্য তৈরি হোক। সবার মধ্যে এ ব্যাপারে যেন চুক্তি বা সমঝোতার মতো কিছু হয়। আমরা সবাইকে নিয়েই একটি উৎসবমুখর পরিবেশে এ নির্বাচন আয়োজন করতে চাচ্ছি। দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি

মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা এ পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে যত দ্রুত সম্ভব সবাইকে নিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চাই। এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা কাম্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
২৫ লাখ কোটি ডলারের খনিজ সম্পদ মজুত রয়েছে সৌদি আরবে সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা প্রতিদিন ১২০০ জনকে ফেরত পাঠাচ্ছে সৌদি স্কুলে শিশুকে নির্যাতনের মামলায় ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার ভোটের আগেই সিট ভাগ হয়ে গেছে। আর এখন দেশের টাকায় চলছে লোক দেখানো নাটক। বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা মবসন্ত্রাস মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপনকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও কারা হেফাজতে সিরিয়াল কিলিংয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি উন্নয়ন দেখলেই গাত্রদাহ আধুনিক নগর পরিকল্পনায় ‘অজ্ঞ’ তারেক: ফ্লাইওভার নিয়ে হাস্যকর দাবি ওয়াশিংটনের ‘ম্যানেজেবল ইসলাম’ প্রকল্প: বাংলাদেশের ভোট কি এখন ভূ-রাজনীতির পরীক্ষাগার? ‘ইউনূস এক খুনি ফ্যাসিস্ট’: নির্বাসনে প্রথম জনসমাবেশে শেখ হাসিনার তীব্র ভাষণ নয়াদিল্লি ভারত । বাংলাদেশ এখন ইতিহাসের ভয়াবহতম সংকটে, ইউনূস সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি’ নয়াদিল্লিতে ড. মোমেন ঢাকার অশান্ত রাজপথ : যে অরাজকতার মূল কারণ বসে আছে যমুনায় লাশের পাহাড় আর কতো উঁচু হলে ইউনুসের চোখে পড়বে? গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট? দখলদার ইউনুসের মেটিক্যুলাস ডিজাইনের নির্বাচনের আসল উদ্দেশ্যটা হচ্ছে দেশকে জঙ্গিদের হাতে তুলে দিয়ে দেশকে পুরোপুরি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা। ম্যাজিশিয়ান ইউনুস! যা ধরে, তাই ভ্যানিস হয়ে যায়! এবার ভোটের পালা! নির্বাচন বর্জনই নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সাবধান! ভয়াবহ বিনিয়োগ সংকট : অবৈধ ইউনুস সরকারের অধীনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয়নামা ইউনুসের গণভোট প্রহসন : সংবিধান ও গণতন্ত্রের সাথে নগ্ন প্রতারণা