ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা
ভোটের আগেই সিট ভাগ হয়ে গেছে। আর এখন দেশের টাকায় চলছে লোক দেখানো নাটক।
বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা
মবসন্ত্রাস মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপনকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও কারা হেফাজতে সিরিয়াল কিলিংয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
উন্নয়ন দেখলেই গাত্রদাহ আধুনিক নগর পরিকল্পনায় ‘অজ্ঞ’ তারেক: ফ্লাইওভার নিয়ে হাস্যকর দাবি
ওয়াশিংটনের ‘ম্যানেজেবল ইসলাম’ প্রকল্প: বাংলাদেশের ভোট কি এখন ভূ-রাজনীতির পরীক্ষাগার?
‘ইউনূস এক খুনি ফ্যাসিস্ট’: নির্বাসনে প্রথম জনসমাবেশে শেখ হাসিনার তীব্র ভাষণ নয়াদিল্লি ভারত ।
শহীদ মিনারে গণঅধিকার পরিষদের ফারুককে মারধর
রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসানের ওপর হামলা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে দেওয়া বক্তব্যের জেরে সভায় উপস্থিত একদল লোক তার ওপর হামলা করেছে। শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ফ্যাসিবাদ বিলোপ ও নতুন সংবিধানের দাবিতে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ নামে নতুন একটি রাজনৈতিক সংগঠন নাগরিক সমাবেশ আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ নেতা ফারুক হাসান। অনুষ্ঠান চলাকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সমালোচনা করেন ফারুক। এ সময় সভায় উপস্থিত কয়েকজন এসে মঞ্চে এসে ফারুকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। এরপর বক্তব্য শেষে নেমে যাওয়ার সময় কয়েকজন
ব্যক্তি এসে ফারুক হাসানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং এক পর্যায়ে তার এবং সঙ্গীদের ওপর হামলা করেন। এ সময় কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা। এরপর ফারুককে ধাওয়া দিয়ে ঢাকা মেডিকেল অভিমুখী সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যান এবং সেখানেও তাকে মারতে থাকেন তারা। তবে হামলার জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেছেন ফারুক। তিনি ঢামেক থেকে ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের একটি প্রোগ্রামে আমাকে স্পেশাল গেস্ট রেখেছিল। আমি অতিথি হিসেবে সেখানে গিয়ে আমার রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছি। সেখানে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা উপস্থিত ছিল। তিনি বলেন, আমি বলেছি আমরা জুলাই আগস্টের বিপ্লব করেছি একটি বিপ্লবী সরকারের জন্য। কোন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাই নাই। আমরা হাসিনার সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিয়ে আমরা
একটা বিপ্লব করেছি এবং এই বিপ্লবী সরকার না হওয়ার পিছনে তারাই দায়ী যারা ঐ ৫ আগষ্টে ক্যান্টনমেন্টে বৈঠক করেছেন আর্মির প্রধানের সাথে। ঐদিনই মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ফর্মুলাটি ওখান থেকে আসছে। ফারুক হাসান বলেন, আমরা একটি বিপ্লবী জাতীয় সরকার চেয়েছিলাম। এই সরকার না হওয়ার কারণে আজকে সারা বাংলাদেশে যত বিশৃঙ্খলা, সংকট তৈরি হচ্ছে। সেই জায়গায় এই বক্তব্য শতভাগ সঠিক। সেটা নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমার ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে আমার অবস্থা খারাপ করে দিয়েছে। আমার মানিব্যাগ মোবাইলসহ সব নিয়ে গিয়েছে। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা করার কথা জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান। তিনি ঘটনাস্থলে এসে বলেন, ছাত্রদল নয়
বরং হামলা জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের ব্যক্তিরা। তিনি বলেন, আমি শাহবাগ থানায় যাচ্ছি। আগামী দুই ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। জানতে চাইলে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক জাকির মজুমদার বলেছেন, ‘ফারুকের ওপর হামলার সঙ্গে আমাদের সংগঠনের কেউ জড়িত নয়। অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সমালোচনা করেন ফারুক। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দরা ফারুকের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ফারুকের ওপর হামলা করে।’
ব্যক্তি এসে ফারুক হাসানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং এক পর্যায়ে তার এবং সঙ্গীদের ওপর হামলা করেন। এ সময় কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা। এরপর ফারুককে ধাওয়া দিয়ে ঢাকা মেডিকেল অভিমুখী সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যান এবং সেখানেও তাকে মারতে থাকেন তারা। তবে হামলার জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেছেন ফারুক। তিনি ঢামেক থেকে ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের একটি প্রোগ্রামে আমাকে স্পেশাল গেস্ট রেখেছিল। আমি অতিথি হিসেবে সেখানে গিয়ে আমার রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছি। সেখানে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা উপস্থিত ছিল। তিনি বলেন, আমি বলেছি আমরা জুলাই আগস্টের বিপ্লব করেছি একটি বিপ্লবী সরকারের জন্য। কোন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাই নাই। আমরা হাসিনার সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিয়ে আমরা
একটা বিপ্লব করেছি এবং এই বিপ্লবী সরকার না হওয়ার পিছনে তারাই দায়ী যারা ঐ ৫ আগষ্টে ক্যান্টনমেন্টে বৈঠক করেছেন আর্মির প্রধানের সাথে। ঐদিনই মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ফর্মুলাটি ওখান থেকে আসছে। ফারুক হাসান বলেন, আমরা একটি বিপ্লবী জাতীয় সরকার চেয়েছিলাম। এই সরকার না হওয়ার কারণে আজকে সারা বাংলাদেশে যত বিশৃঙ্খলা, সংকট তৈরি হচ্ছে। সেই জায়গায় এই বক্তব্য শতভাগ সঠিক। সেটা নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমার ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে আমার অবস্থা খারাপ করে দিয়েছে। আমার মানিব্যাগ মোবাইলসহ সব নিয়ে গিয়েছে। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা করার কথা জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান। তিনি ঘটনাস্থলে এসে বলেন, ছাত্রদল নয়
বরং হামলা জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের ব্যক্তিরা। তিনি বলেন, আমি শাহবাগ থানায় যাচ্ছি। আগামী দুই ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। জানতে চাইলে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক জাকির মজুমদার বলেছেন, ‘ফারুকের ওপর হামলার সঙ্গে আমাদের সংগঠনের কেউ জড়িত নয়। অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সমালোচনা করেন ফারুক। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দরা ফারুকের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ফারুকের ওপর হামলা করে।’



