ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পরাজয় অথবা আরও আক্রমণের দোটানায় পড়েছেন ট্রাম্প
চারদিনে যুক্তরাষ্ট্রের কত ক্ষতি হলো, কাতারে কেন বেশি
তুরস্কমুখী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র থামাল ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
ভারত মহাসাগরে ইরানি জাহাজে হামলা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: পেন্টাগন
শিশুকে শ্বাসনালি কেটে হত্যা: আদালতে দোষ স্বীকার করে আসামির জবানবন্দি
শ্রীলঙ্কায় ডুবন্ত ইরানি জাহাজটি সাবমেরিন হামলার শিকার হয়েছিল
খামেনির পরিকল্পনা মেনে আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে ইরান
মাহাথিরের মৃত্যুর গুজব, হাসপাতালে সাংবাদিকদের ভিড়
মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় নেতা তুন ড. মাহাথির মোহাম্মদের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার ফেসবুকে অনেকেই তার মৃত্যুর খবর প্রচার করে স্ট্যাটাস দেন।
তবে মালয়েশিয়া ও বিশ্বের প্রধান প্রধান গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ড. মাহাথির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থাও স্থিতিশীল।
মালয়েশিয়া থেকে প্রকাশিত নিউ স্ট্র্যাইট টাইমস অনলাইন জানায়, রাজধানী কুয়ালালামপুরের দ্য ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে (আইজেএন) চিকিৎসাধীন রয়েছেন মালয়েশিয়ার সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।
ওই হাসপাতালের বাইরে সাংবাদিকদের ভিড় দেখা গেছে।
আইজেএন হাসপাতালের সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) ছয়দিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৯৬ বছর বয়সের এই নেতা।
তবে ড. মাহাথিরের পরিবার ও মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
গত রোববার তার
মেয়ে দতিন মেরিনা এক বিবৃতি প্রকাশ করেন। ওই বিবৃতিতে তিনি জানান যে, তার পিতার (মহাথির) চিকিৎসা চলছে। ড. মাহাথির সে সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলেছেন বলেও জানান তিনি। এর আগে মাহাথির মোহাম্মদ গত ১৬ ডিসেম্বর আইজেএন হাসপাতালে ভর্তি হন। ২২ ডিসেম্বর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি। পরে গত ৮ জানুয়ারি তিনি আবারও হাসপাতালে ভর্তি হন। ১৯৮৯ ও ২০০৭ সালে দুইবার বাইপাস সার্জারি হয়েছে মাহাথির মোহাম্মদের।
মেয়ে দতিন মেরিনা এক বিবৃতি প্রকাশ করেন। ওই বিবৃতিতে তিনি জানান যে, তার পিতার (মহাথির) চিকিৎসা চলছে। ড. মাহাথির সে সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলেছেন বলেও জানান তিনি। এর আগে মাহাথির মোহাম্মদ গত ১৬ ডিসেম্বর আইজেএন হাসপাতালে ভর্তি হন। ২২ ডিসেম্বর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি। পরে গত ৮ জানুয়ারি তিনি আবারও হাসপাতালে ভর্তি হন। ১৯৮৯ ও ২০০৭ সালে দুইবার বাইপাস সার্জারি হয়েছে মাহাথির মোহাম্মদের।



