ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অধ্যাদেশ নিয়ে যে ‘খেলা’ সেটা রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের: টিআইবি
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
৭ই মার্চের ভাষণ বাজানো কি এখন অপরাধ? ইতিহাসকে কি গ্রেপ্তার করা যাবে?
জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান–এর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোর “অপরাধে” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮–১৯ সেশনের শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদ সৈকতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুধু নিজের উদ্যোগে জাতির ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করানোর জন্য একজন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—এটা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, এটি সরাসরি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার ওপর আঘাত।
৭ই মার্চের ভাষণ কোনো সাধারণ বক্তৃতা নয়। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকনির্দেশনা, এটি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই ভাষণই বাঙালি জাতিকে সংগ্রামের ডাক দিয়েছিল, সেই ভাষণই পুরো জাতিকে স্বাধীনতার পথে একত্রিত করেছিল।
বাংলাদেশে কি তাহলে ৭ই মার্চের
ভাষণ বাজানো নিষিদ্ধ হয়ে গেল? ইতিহাসের দলিল বাজানো কি অপরাধ? মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করা কি এখন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে? একজন শিক্ষার্থী নিজের উদ্যোগে জাতির ঐতিহাসিক ভাষণ বাজিয়েছে—আর তার ফলাফল গ্রেপ্তার! এটি শুধু অযৌক্তিক নয়, এটি গভীরভাবে উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। যারা ইতিহাসকে ভয় পায়, তারাই ইতিহাসকে দমিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু ইতিহাস কখনো কারো ইচ্ছায় মুছে যায় না। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, ৭ই মার্চের ভাষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কোনো ব্যক্তির অনুমতির বিষয় নয়—এগুলো এই জাতির আত্মপরিচয়। অবিলম্বে আসিফ আহমেদ সৈকতের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। ইতিহাসকে অপরাধ বানানোর এই অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে।
ভাষণ বাজানো নিষিদ্ধ হয়ে গেল? ইতিহাসের দলিল বাজানো কি অপরাধ? মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করা কি এখন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে? একজন শিক্ষার্থী নিজের উদ্যোগে জাতির ঐতিহাসিক ভাষণ বাজিয়েছে—আর তার ফলাফল গ্রেপ্তার! এটি শুধু অযৌক্তিক নয়, এটি গভীরভাবে উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। যারা ইতিহাসকে ভয় পায়, তারাই ইতিহাসকে দমিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু ইতিহাস কখনো কারো ইচ্ছায় মুছে যায় না। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, ৭ই মার্চের ভাষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কোনো ব্যক্তির অনুমতির বিষয় নয়—এগুলো এই জাতির আত্মপরিচয়। অবিলম্বে আসিফ আহমেদ সৈকতের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। ইতিহাসকে অপরাধ বানানোর এই অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে।



