৫৫০ কোটি টাকার অভিযোগ: ফয়েজ তৈয়্যব বিদেশে, গন্তব্য নেদারল্যান্ডস – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর

বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত!

আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!

স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক

বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?

কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!

৫৫০ কোটি টাকার অভিযোগ: ফয়েজ তৈয়্যব বিদেশে, গন্তব্য নেদারল্যান্ডস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ ওঠার পরই দেশ ছেড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। গত শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি অত্যন্ত গোপনে দেশ ত্যাগ করেন। নেদারল্যান্ডসের নাগরিকত্ব থাকা ফয়েজ তৈয়্যব ডাচ পাসপোর্ট ব্যবহার করেই ঢাকা ছেড়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি নেদারল্যান্ডসে অবস্থান করছেন। সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও কোনো প্রকার সরকারি আদেশ (জিও) ছাড়াই তার দেশত্যাগের বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনে তোলপাড় চলছে। বিমানবন্দরে যা ঘটেছিল হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় সরকারি পদে থাকায়

তার কাছে বিদেশভ্রমণের জিও (সরকারি আদেশ) চাওয়া হয়। কিন্তু তিনি তা দেখাতে পারেননি। সূত্র জানায়, শুরুতে তাকে ইমিগ্রেশনে আটকে দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি তখন নিজের মোবাইল ফোনে একটি ‘সফট কপি’ প্রদর্শন করেন এবং তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগে কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা না থাকায় শেষ পর্যন্ত তাকে বিমানে ওঠার অনুমতি দেওয়া হয়। তিনি দুবাই হয়ে প্রথমে জার্মানি এবং পরে নেদারল্যান্ডসে পৌঁছান। অভিযোগের খতিয়ান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই টেলিকম ও আইসিটি খাতে ফয়েজ তৈয়্যবের বিরুদ্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে মোট দুর্নীতির পরিমাণ প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে তিনটি বড় খাত থেকে অর্থ সরানোর অভিযোগ

গুরুতর: ১. নগদ কেলেঙ্কানি: মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে সেখানে নিজস্ব লোক বসানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ব্যক্তিগত সহকারী আতিক মোর্শেদকে ব্যবহার করে এই খাত থেকে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ২. প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: বিটিসিএলের অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১৬৫ কোটি টাকা। অভিযোগ রয়েছে, ফয়েজ তৈয়্যবের হস্তক্ষেপে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই এই ব্যয় বাড়িয়ে ৩২৬ কোটি টাকা করা হয়। বাড়তি ১৬০ কোটি টাকা লোপাটের পরিকল্পনা ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ৩. লাইসেন্স বাণিজ্য: টেলিকম খাতে বিভিন্ন লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ফয়েজ

তৈয়্যবের ভাষ্য দেশ ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়ে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি এক টাকাও দুর্নীতি করিনি এবং নিজের কাছে সৎ আছি।’ দেশত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি স্ত্রীর অসুস্থতা ও পারিবারিক প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করেন। তার দাবি, গত ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি অফিস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েছেন। টেলিকম খাতের একটি ‘মাফিয়া’ চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। নিয়োগ ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন ফয়েজ তৈয়্যব নেদারল্যান্ডসের নাগরিক। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও তাকে কীভাবে রাষ্ট্রের এত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর পদে নিয়োগ দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকরা। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে স্বচ্ছতা ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে

তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ এবং তদন্তের মুখোমুখি না হয়ে দেশত্যাগের ঘটনায় সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যেহেতু তিনি বিদেশি নাগরিক, তাই তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা আইনি প্রক্রিয়ায় জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আওয়ামী লীগ সরকারের পতন: ভুল কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ শামা ওবায়েদের নামে চলছে তদ্বির বাণিজ্য বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত! কোনো সামর্থবান মুসলিম রাষ্ট্র নয়, ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জামায়াতের নির্বাচনী আইকন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির অফিসে এলজিবিটি দপ্তর: বিতর্ক চরমে ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব! স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক আচরণবিধি ভাঙায় পাকিস্তানের আঘা সালমানকে আইসিসির তিরস্কার ও ডিমেরিট বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার? How Long Will People Remain Imprisoned Without Trial? কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম! The International Crimes Tribunal Has Turned into a Machine for Illicit Money অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?