ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ২১.৪ শতাংশ আসনে জাল ভোটের তথ্য পেয়েছে টিআইবি
রিকশাচালকের শেষ সম্বল ১০০ টাকায় আ’লীগ অফিসে পতাকা উত্তোলন
‘এত নির্লজ্জ মিথ্যাচার কীভাবে করেন’—উপদেষ্টা রিজওয়ানাকে নাজনীন মুন্নী
আজ থেকে ধানমন্ডি ৩২ ও জেলা-উপজেলা কার্যালয়ে যাওয়ার নির্দেশ শেখ হাসিনার
৫ আগস্টের পর আমাদের অবস্থা খারাপ ছিল, কিন্তু এখন আওয়ামী লীগের জনসমর্থন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
“আওয়ামী লীগকে নিয়ে সবাই ভীতসন্ত্রস্ত বলেই ৬২ ভাগ মানুষের দল আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে।” — জাহাঙ্গীর কবির নানক
ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের সবার আগে দেশত্যাগ ও আইসিটি খাতে বিশাল দুর্নীতির অভিযোগ
৫৫০ কোটি টাকার অভিযোগ: ফয়েজ তৈয়্যব বিদেশে, গন্তব্য নেদারল্যান্ডস
দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ ওঠার পরই দেশ ছেড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। গত শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি অত্যন্ত গোপনে দেশ ত্যাগ করেন।
নেদারল্যান্ডসের নাগরিকত্ব থাকা ফয়েজ তৈয়্যব ডাচ পাসপোর্ট ব্যবহার করেই ঢাকা ছেড়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি নেদারল্যান্ডসে অবস্থান করছেন। সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও কোনো প্রকার সরকারি আদেশ (জিও) ছাড়াই তার দেশত্যাগের বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনে তোলপাড় চলছে।
বিমানবন্দরে যা ঘটেছিল
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় সরকারি পদে থাকায়
তার কাছে বিদেশভ্রমণের জিও (সরকারি আদেশ) চাওয়া হয়। কিন্তু তিনি তা দেখাতে পারেননি। সূত্র জানায়, শুরুতে তাকে ইমিগ্রেশনে আটকে দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি তখন নিজের মোবাইল ফোনে একটি ‘সফট কপি’ প্রদর্শন করেন এবং তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগে কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা না থাকায় শেষ পর্যন্ত তাকে বিমানে ওঠার অনুমতি দেওয়া হয়। তিনি দুবাই হয়ে প্রথমে জার্মানি এবং পরে নেদারল্যান্ডসে পৌঁছান। অভিযোগের খতিয়ান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই টেলিকম ও আইসিটি খাতে ফয়েজ তৈয়্যবের বিরুদ্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে মোট দুর্নীতির পরিমাণ প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে তিনটি বড় খাত থেকে অর্থ সরানোর অভিযোগ
গুরুতর: ১. নগদ কেলেঙ্কানি: মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে সেখানে নিজস্ব লোক বসানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ব্যক্তিগত সহকারী আতিক মোর্শেদকে ব্যবহার করে এই খাত থেকে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ২. প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: বিটিসিএলের অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১৬৫ কোটি টাকা। অভিযোগ রয়েছে, ফয়েজ তৈয়্যবের হস্তক্ষেপে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই এই ব্যয় বাড়িয়ে ৩২৬ কোটি টাকা করা হয়। বাড়তি ১৬০ কোটি টাকা লোপাটের পরিকল্পনা ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ৩. লাইসেন্স বাণিজ্য: টেলিকম খাতে বিভিন্ন লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ফয়েজ
তৈয়্যবের ভাষ্য দেশ ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়ে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি এক টাকাও দুর্নীতি করিনি এবং নিজের কাছে সৎ আছি।’ দেশত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি স্ত্রীর অসুস্থতা ও পারিবারিক প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করেন। তার দাবি, গত ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি অফিস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েছেন। টেলিকম খাতের একটি ‘মাফিয়া’ চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। নিয়োগ ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন ফয়েজ তৈয়্যব নেদারল্যান্ডসের নাগরিক। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও তাকে কীভাবে রাষ্ট্রের এত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর পদে নিয়োগ দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকরা। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে স্বচ্ছতা ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ এবং তদন্তের মুখোমুখি না হয়ে দেশত্যাগের ঘটনায় সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যেহেতু তিনি বিদেশি নাগরিক, তাই তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা আইনি প্রক্রিয়ায় জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
তার কাছে বিদেশভ্রমণের জিও (সরকারি আদেশ) চাওয়া হয়। কিন্তু তিনি তা দেখাতে পারেননি। সূত্র জানায়, শুরুতে তাকে ইমিগ্রেশনে আটকে দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি তখন নিজের মোবাইল ফোনে একটি ‘সফট কপি’ প্রদর্শন করেন এবং তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগে কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা না থাকায় শেষ পর্যন্ত তাকে বিমানে ওঠার অনুমতি দেওয়া হয়। তিনি দুবাই হয়ে প্রথমে জার্মানি এবং পরে নেদারল্যান্ডসে পৌঁছান। অভিযোগের খতিয়ান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই টেলিকম ও আইসিটি খাতে ফয়েজ তৈয়্যবের বিরুদ্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে মোট দুর্নীতির পরিমাণ প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে তিনটি বড় খাত থেকে অর্থ সরানোর অভিযোগ
গুরুতর: ১. নগদ কেলেঙ্কানি: মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে সেখানে নিজস্ব লোক বসানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ব্যক্তিগত সহকারী আতিক মোর্শেদকে ব্যবহার করে এই খাত থেকে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ২. প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: বিটিসিএলের অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১৬৫ কোটি টাকা। অভিযোগ রয়েছে, ফয়েজ তৈয়্যবের হস্তক্ষেপে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই এই ব্যয় বাড়িয়ে ৩২৬ কোটি টাকা করা হয়। বাড়তি ১৬০ কোটি টাকা লোপাটের পরিকল্পনা ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ৩. লাইসেন্স বাণিজ্য: টেলিকম খাতে বিভিন্ন লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ফয়েজ
তৈয়্যবের ভাষ্য দেশ ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়ে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি এক টাকাও দুর্নীতি করিনি এবং নিজের কাছে সৎ আছি।’ দেশত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি স্ত্রীর অসুস্থতা ও পারিবারিক প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করেন। তার দাবি, গত ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি অফিস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েছেন। টেলিকম খাতের একটি ‘মাফিয়া’ চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। নিয়োগ ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন ফয়েজ তৈয়্যব নেদারল্যান্ডসের নাগরিক। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও তাকে কীভাবে রাষ্ট্রের এত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর পদে নিয়োগ দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকরা। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে স্বচ্ছতা ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ এবং তদন্তের মুখোমুখি না হয়ে দেশত্যাগের ঘটনায় সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যেহেতু তিনি বিদেশি নাগরিক, তাই তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা আইনি প্রক্রিয়ায় জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।



