ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নির্বাচনের দুদিন আগে ‘বিশেষ উদ্দেশ্যে’ সীমান্ত পার করানো হয় ফয়সালকে, অবশেষে ভারতে সঙ্গীসহ আটক
আড়ং ও বাংলাদেশের গৌরবময় অর্জন: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারুশিল্পের ষ্টোর’
৭ই মার্চ পোস্টের জেরে ঢাবি শিক্ষার্থীকে সেহেরির সময় নির্মমভাবে পেটালো ছাত্র শিবির-ছাত্রশক্তির সন্ত্রাসীরা
৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় গ্রেফতার ইমিসহ তিনজনের জামিন নামঞ্জুর
জ্বালানি সরবরাহে নজরদারি জোরদার, বিপিসির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মনিটরিং সেল গঠন
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কয় মাসের ব্যয় মেটাতে সক্ষম?
সকল সংকটে ঐতিহাসিক বন্ধু ভারতই শেষ ভরসা: জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারতের শরণাপন্ন বিএনপি সরকার
৪ হাজার সদস্য নিয়ে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার দুর্গম জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অপরাধীদের আস্তানা ও অবৈধ দখলদারদের নিয়ন্ত্রণ ভেঙে দিতে বৃহৎ পরিসরে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।
আজ ৯ই মার্চ, সোমবার সকাল থেকে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের প্রায় চার হাজার সদস্যের অংশগ্রহণে এই চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযানে যৌথবাহিনীর প্রায় চার হাজার সদস্য অংশ নিয়েছেন।
তবে অভিযানের অগ্রগতি, গ্রেপ্তার বা উদ্ধার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্যদের জিম্মি করে সশস্ত্র হামলা: এক কর্মকর্তা নিহত আহত ৪
প্রশাসনিকভাবে জঙ্গল সলিমপুর সীতাকুণ্ড উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও এলাকাটির প্রধান প্রবেশপথ চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ
থানার বাংলাবাজার এলাকা দিয়ে। প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর খাস জমি জুড়ে বিস্তৃত এই পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখল, পাহাড় কেটে বসতি গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন অপরাধী চক্রের তৎপরতা চলে আসছে। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এলাকাটি অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। র্যাবের ওপর হামলার দৃশ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানায়, সোমবার ভোর থেকেই যৌথবাহিনীর সদস্যরা জঙ্গল সলিমপুরের চারপাশ ঘিরে ফেলেন। এলাকায় প্রবেশ ও বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সব পথেই বসানো হয়েছে কঠোর তল্লাশিচৌকি। এরপর ধাপে ধাপে ভেতরের দিকে অগ্রসর হয়ে সন্দেহভাজন স্থাপনা ও বসতিগুলোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড় দখল নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৩০, নিহত ১, নিখোঁজ ২০ এর
আগে একাধিকবার এই এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিরোধ ও হামলার মুখে পড়েছিল। সে অভিজ্ঞতার আলোকে এবার ভিন্ন কৌশলে পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। জঙ্গল সলিমপুরে অপরাধী চক্রের তৎপরতা নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে এখানে বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীর আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি সহিংস ঘটনার পর এলাকাটিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদার করা হয়। জঙ্গল সলিমপুর গত ১৯শে জানুয়ারি এই এলাকায় অভিযান চলাকালে সন্ত্রাসী মোহাম্মদ ইয়াসিনের বাহিনীর হামলায় র্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন। ওই হামলায় চারজন র্যাব সদস্যকে অপহরণ করা হলেও পরে তাদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে
ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। এর আগে গত বছরের ৪ঠা অক্টোবর ইয়াসিন ও রোকন বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলিতে একজন নিহত হন। সেই সময় ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকও হামলার শিকার হন। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এখানে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। দখল, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহারে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। র্যাব কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন ভূঁইয়ার জানাজায় অংশ নিয়ে র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহীদুর রহমান জঙ্গল সলিমপুরে সমন্বিত বৃহৎ যৌথ অভিযানের ঘোষণা দিয়েছিলেন। বর্তমান অভিযানকে সেই ঘোষণারই বাস্তবায়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২২ সালে এই খাস জমি দখলমুক্ত করে সেখানে
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার, স্পোর্টস ভিলেজ, ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আইকনিক মসজিদ ও ইকো পার্কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু স্থানীয় দখলদার ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বাধার কারণে উচ্ছেদ অভিযান বারবার ব্যাহত হয়েছে। জেলা প্রশাসন পূর্বে এলাকাটিতে ‘পাহাড় ব্যবস্থাপনা ক্যাম্প’ ও চেকপোস্ট স্থাপন করলেও অপরাধী তৎপরতা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বর্তমানে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যৌথবাহিনীর সদস্যরা এলাকাজুড়ে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযানের ফলাফল এবং গ্রেপ্তার বা অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
থানার বাংলাবাজার এলাকা দিয়ে। প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর খাস জমি জুড়ে বিস্তৃত এই পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখল, পাহাড় কেটে বসতি গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন অপরাধী চক্রের তৎপরতা চলে আসছে। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এলাকাটি অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। র্যাবের ওপর হামলার দৃশ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানায়, সোমবার ভোর থেকেই যৌথবাহিনীর সদস্যরা জঙ্গল সলিমপুরের চারপাশ ঘিরে ফেলেন। এলাকায় প্রবেশ ও বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সব পথেই বসানো হয়েছে কঠোর তল্লাশিচৌকি। এরপর ধাপে ধাপে ভেতরের দিকে অগ্রসর হয়ে সন্দেহভাজন স্থাপনা ও বসতিগুলোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড় দখল নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৩০, নিহত ১, নিখোঁজ ২০ এর
আগে একাধিকবার এই এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিরোধ ও হামলার মুখে পড়েছিল। সে অভিজ্ঞতার আলোকে এবার ভিন্ন কৌশলে পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। জঙ্গল সলিমপুরে অপরাধী চক্রের তৎপরতা নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে এখানে বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীর আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি সহিংস ঘটনার পর এলাকাটিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদার করা হয়। জঙ্গল সলিমপুর গত ১৯শে জানুয়ারি এই এলাকায় অভিযান চলাকালে সন্ত্রাসী মোহাম্মদ ইয়াসিনের বাহিনীর হামলায় র্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন। ওই হামলায় চারজন র্যাব সদস্যকে অপহরণ করা হলেও পরে তাদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে
ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। এর আগে গত বছরের ৪ঠা অক্টোবর ইয়াসিন ও রোকন বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলিতে একজন নিহত হন। সেই সময় ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকও হামলার শিকার হন। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এখানে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। দখল, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহারে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। র্যাব কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন ভূঁইয়ার জানাজায় অংশ নিয়ে র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহীদুর রহমান জঙ্গল সলিমপুরে সমন্বিত বৃহৎ যৌথ অভিযানের ঘোষণা দিয়েছিলেন। বর্তমান অভিযানকে সেই ঘোষণারই বাস্তবায়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২২ সালে এই খাস জমি দখলমুক্ত করে সেখানে
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার, স্পোর্টস ভিলেজ, ক্রিকেট স্টেডিয়াম, আইকনিক মসজিদ ও ইকো পার্কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু স্থানীয় দখলদার ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বাধার কারণে উচ্ছেদ অভিযান বারবার ব্যাহত হয়েছে। জেলা প্রশাসন পূর্বে এলাকাটিতে ‘পাহাড় ব্যবস্থাপনা ক্যাম্প’ ও চেকপোস্ট স্থাপন করলেও অপরাধী তৎপরতা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বর্তমানে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যৌথবাহিনীর সদস্যরা এলাকাজুড়ে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযানের ফলাফল এবং গ্রেপ্তার বা অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



