ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
৩০ কোটির চুক্তিতে ১৬ কোটিই পানিতে: প্রেস সচিবের ভাইয়ের ভুয়া কাগজে নিঃস্ব ডা. শাহরিয়ার
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। খোদ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের ভাই ডা. আবু নছর মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে এই জালিয়াতির অভিযোগ এনেছেন ভুক্তভোগী ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভুয়া নথিপত্র তৈরি করে এই বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
৩০ কোটির চুক্তি ও ১৬ কোটি টাকা হস্তান্তর
অনুসন্ধানে জানা যায়, ইডিসিএল-এর বর্তমান এমডিকে সরিয়ে সেই পদে ডা. হাসান শাহরিয়ার কবিরকে বসানোর প্রতিশ্রুতি দেন প্রেস সচিবের ভাই ডা. আবু নছর মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ। তিনি তার
বড় ভাই প্রেস সচিব শফিকুল আলমের প্রভাব খাটিয়ে এই নিয়োগ নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। এ কাজের বিনিময়ে ডা. শাহরিয়ারের সঙ্গে মোট ৩০ কোটি টাকার চুক্তি হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নিয়োগের আগেই ‘অ্যাডভান্স’ হিসেবে চেকের মাধ্যমে ১৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন ডা. আবু নছর। বাকি ১৪ কোটি টাকা নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার পর পরিশোধ করার কথা ছিল। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রেস সচিবের ভাই হওয়ায় ডা. আব্দুল্লাহর ওপর তারা সহজেই আস্থা রেখেছিলেন, যার সুযোগ নিয়ে তিনি এই প্রতারণার ফাঁদ পাতেন। ভুয়া নথিপত্র ও জালিয়াতির আশ্রয় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৬ কোটি টাকা নেওয়ার পর ডা. আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগীর বিশ্বাস অর্জনের জন্য নজিরবিহীন জালিয়াতির আশ্রয় নেন। তিনি ‘প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয়’-এর নামাঙ্কিত প্যাডে হাতে লেখা একটি সুপারিশনামা এবং নিয়োগ সংক্রান্ত নথি ডা. শাহরিয়ার কবিরের কাছে হস্তান্তর করেন। উক্ত নথিতে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এবং প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা খলিলের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়। তবে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, প্যাড, চিঠি এবং স্বাক্ষর—সবই ভুয়া। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এমন কোনো নির্দেশনা বা নথি কখনোই ইস্যু করা হয়নি। ভুক্তভোগীদের দাবি, সম্পূর্ণ ভুয়া কাগজ তৈরি করে প্রতারণা করা হয়েছে। প্রেস সচিবের নীরবতা ও রহস্য প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির ও তার পক্ষ থেকে বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের নজরে আনার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেস সচিবের
সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। নিজের ভাইয়ের বিরুদ্ধে ওঠা এমন গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে প্রেস সচিবের যোগাযোগবিমুখতা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তির পরিবারের সদস্যের এমন জালিয়াতিতে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই অভিযোগ সত্য হলে তা সরকারের ভাবমূর্তির জন্য বড় হুমকির কারণ হবে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে ডা. আবু নছর মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহর ব্যাংক হিসাব তলব করার দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে খোয়া যাওয়া ১৬ কোটি টাকা উদ্ধার এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো
হয়েছে। অন্যথায় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আত্মীয়রা ভবিষ্যতে এমন অপরাধে আরও উৎসাহিত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
বড় ভাই প্রেস সচিব শফিকুল আলমের প্রভাব খাটিয়ে এই নিয়োগ নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। এ কাজের বিনিময়ে ডা. শাহরিয়ারের সঙ্গে মোট ৩০ কোটি টাকার চুক্তি হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নিয়োগের আগেই ‘অ্যাডভান্স’ হিসেবে চেকের মাধ্যমে ১৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন ডা. আবু নছর। বাকি ১৪ কোটি টাকা নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার পর পরিশোধ করার কথা ছিল। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রেস সচিবের ভাই হওয়ায় ডা. আব্দুল্লাহর ওপর তারা সহজেই আস্থা রেখেছিলেন, যার সুযোগ নিয়ে তিনি এই প্রতারণার ফাঁদ পাতেন। ভুয়া নথিপত্র ও জালিয়াতির আশ্রয় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৬ কোটি টাকা নেওয়ার পর ডা. আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগীর বিশ্বাস অর্জনের জন্য নজিরবিহীন জালিয়াতির আশ্রয় নেন। তিনি ‘প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয়’-এর নামাঙ্কিত প্যাডে হাতে লেখা একটি সুপারিশনামা এবং নিয়োগ সংক্রান্ত নথি ডা. শাহরিয়ার কবিরের কাছে হস্তান্তর করেন। উক্ত নথিতে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এবং প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা খলিলের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়। তবে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, প্যাড, চিঠি এবং স্বাক্ষর—সবই ভুয়া। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এমন কোনো নির্দেশনা বা নথি কখনোই ইস্যু করা হয়নি। ভুক্তভোগীদের দাবি, সম্পূর্ণ ভুয়া কাগজ তৈরি করে প্রতারণা করা হয়েছে। প্রেস সচিবের নীরবতা ও রহস্য প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির ও তার পক্ষ থেকে বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের নজরে আনার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেস সচিবের
সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। নিজের ভাইয়ের বিরুদ্ধে ওঠা এমন গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে প্রেস সচিবের যোগাযোগবিমুখতা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তির পরিবারের সদস্যের এমন জালিয়াতিতে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই অভিযোগ সত্য হলে তা সরকারের ভাবমূর্তির জন্য বড় হুমকির কারণ হবে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে ডা. আবু নছর মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহর ব্যাংক হিসাব তলব করার দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে খোয়া যাওয়া ১৬ কোটি টাকা উদ্ধার এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো
হয়েছে। অন্যথায় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আত্মীয়রা ভবিষ্যতে এমন অপরাধে আরও উৎসাহিত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।



