ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাধা ও শর্ত উপেক্ষা করেই জোয়াহেরুল ইসলামের জানাজায় মানুষের ঢল
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা
নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের
কারাবন্দি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত
‘দেড় বছর প্রচণ্ড ক্ষমতা ভোগ করে ওনার মাথা আওলা হয়ে গেছে’: সাংবাদিক মাসুদ কামাল
‘এনসিপিকে দেয়া ৭০ কোটি টাকা কোথায় পেলেন আসিফ?’—মুনতাসিরের বিস্ফোরক অভিযোগ
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের এপিএসের ভাই গাড়িচালক থেকে মাত্র ৮ মাসে আঙুল ফুলে বটবৃক্ষ!
‘২৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, ৫০ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দেবেন কোথা থেকে?’— সরকারকে রনির প্রশ্ন
রাষ্ট্রের মাথায় বিশাল ঋণের বোঝা থাকার পরও ফ্যামিলি কার্ডের মতো জনতুষ্টিমূলক কর্মসূচির অর্থনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। তিনি সরকারকে ‘ওভার অ্যাক্টিং’ বা অতি-অভিনয় থেকে বিরত থেকে বাস্তববাদী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে সমসাময়িক রাজনীতি ও অর্থনীতির নানা দিক নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থনৈতিক সংকট ও ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন
বর্তমান সরকারের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করে রনি বলেন, দেশে এখন রাজস্ব আদায়ে ত্রাহি অবস্থা। এর মধ্যে এই বিপুল অর্থ কোথা থেকে আসবে, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।
বক্তব্যে তিনি টাকার অংকগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে বলেন:
২৩ লক্ষ
কোটি টাকার ঋণ: রনি বলেন, "আপনার ২৩ লক্ষ কোটি টাকা ঋণের বোঝা আপনার মাথার উপরে। আপনার ইনকাম ট্যাক্স হচ্ছে না। সব জায়গায় আপনার ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।" মাসে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা ভাতা: ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আপনি ফ্যামিলি কার্ডে ৫০ লক্ষ লোকরে যদি ২,০০০ টাকা বা ২,৫০০ টাকা করে দেন, আপনি বলেন তো কত টাকা যাবে মাসে? বছরে কত টাকা আসে? হোয়ার ইউ উইল গেট দ্য মানি? টাকা ছাপানো ছাড়া এই টাকা আপনি কোত্থেকে দিবেন?" তিনি সতর্ক করে বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করে এভাবে ভাতা দিলে মানুষ আরও কর্মবিমুখ হয়ে পড়বে। তরুণদের হাতে ‘কোটি টাকা’ ও ক্ষমতার উত্থান সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে কিছু
তরুণের হাতে অভাবনীয় ক্ষমতা ও অর্থ চলে যাওয়ার বিষয়েও তিনি কথা বলেন। কোটি টাকার মালিক: তিনি বলেন, "একটা দোকানে গিয়ে যে ছেলে নবম-দশম শ্রেণিতে পড়ে, মাফ করে সে কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। মার্সেডিজ গাড়ি কিনে ফেলেছে। এখন হঠাৎ করে এসে যদি আপনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে বলেন তুমি ক্লাসে ফিরে যাও, এটা হবে না।" তিনি মনে করেন, যাদের হাতে বিপুল টাকা ও ক্ষমতা চলে এসেছে, তাদের রাতারাতি ক্লাসে ফেরানো সম্ভব নয়। এর জন্য সরকারকে অবশ্যই সময় নিতে হবে। খাল খননে সরকারি টাকার অপচয় খাল খনন কর্মসূচির নামে জনপ্রতিনিধিদের ‘ফটোসেশনের’ সমালোচনা করেন এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তিনি বলেন, দেশে এখন খাল কাটার মতো পর্যাপ্ত জমিও
নেই, আর পানির স্তরও ৪০ ফুটের নিচে নেমে গেছে। তিনি বলেন, "এমপিরা নিজের পকেটের পয়সা দিয়ে খাল কাটছেন না। উপজেলার টিআর, কাবিখা— এগুলোর টাকা দিয়ে একটা ভেকু ভাড়া করে এই কাজ করছেন এবং ফেসবুকে দিচ্ছেন। এই রংঢং করতে করতে পুরো প্রশাসন দেউলিয়া হয়ে যাবে।" রাষ্ট্র পরিচালনায় আবেগ নয়, বাস্তবতা প্রয়োজন সাবেক এসএসএফ ও ভিভিআইপি প্রটোকলের কড়া সমালোচনা করে রনি জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রটোকলের নামে জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদদের অপমান করা হতো। তবে বর্তমান সময়ে প্রশাসন বা সরকারপ্রধানের কিছু কাজ ‘সিনেমাটিক’ বা অতি-নাটকীয় হয়ে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "অ্যাক্টিং ইজ গুড, বাট ওভার অ্যাক্টিং ইজ ডেঞ্জারাস।" ইতিহাস
থেকে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এবং চাণক্যের রাষ্ট্র পরিচালনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, রাষ্ট্র চালাতে হলে চরম বাস্তববাদী হতে হয়, আবেগ বা সেন্টিমেন্ট দিয়ে রাষ্ট্র চলে না। সমাজ থেকে রাতারাতি সব সমস্যা দূর করতে চাওয়ার প্রবণতা রাষ্ট্রের জন্য বুমেরাং হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
কোটি টাকার ঋণ: রনি বলেন, "আপনার ২৩ লক্ষ কোটি টাকা ঋণের বোঝা আপনার মাথার উপরে। আপনার ইনকাম ট্যাক্স হচ্ছে না। সব জায়গায় আপনার ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।" মাসে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা ভাতা: ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আপনি ফ্যামিলি কার্ডে ৫০ লক্ষ লোকরে যদি ২,০০০ টাকা বা ২,৫০০ টাকা করে দেন, আপনি বলেন তো কত টাকা যাবে মাসে? বছরে কত টাকা আসে? হোয়ার ইউ উইল গেট দ্য মানি? টাকা ছাপানো ছাড়া এই টাকা আপনি কোত্থেকে দিবেন?" তিনি সতর্ক করে বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করে এভাবে ভাতা দিলে মানুষ আরও কর্মবিমুখ হয়ে পড়বে। তরুণদের হাতে ‘কোটি টাকা’ ও ক্ষমতার উত্থান সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে কিছু
তরুণের হাতে অভাবনীয় ক্ষমতা ও অর্থ চলে যাওয়ার বিষয়েও তিনি কথা বলেন। কোটি টাকার মালিক: তিনি বলেন, "একটা দোকানে গিয়ে যে ছেলে নবম-দশম শ্রেণিতে পড়ে, মাফ করে সে কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। মার্সেডিজ গাড়ি কিনে ফেলেছে। এখন হঠাৎ করে এসে যদি আপনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে বলেন তুমি ক্লাসে ফিরে যাও, এটা হবে না।" তিনি মনে করেন, যাদের হাতে বিপুল টাকা ও ক্ষমতা চলে এসেছে, তাদের রাতারাতি ক্লাসে ফেরানো সম্ভব নয়। এর জন্য সরকারকে অবশ্যই সময় নিতে হবে। খাল খননে সরকারি টাকার অপচয় খাল খনন কর্মসূচির নামে জনপ্রতিনিধিদের ‘ফটোসেশনের’ সমালোচনা করেন এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তিনি বলেন, দেশে এখন খাল কাটার মতো পর্যাপ্ত জমিও
নেই, আর পানির স্তরও ৪০ ফুটের নিচে নেমে গেছে। তিনি বলেন, "এমপিরা নিজের পকেটের পয়সা দিয়ে খাল কাটছেন না। উপজেলার টিআর, কাবিখা— এগুলোর টাকা দিয়ে একটা ভেকু ভাড়া করে এই কাজ করছেন এবং ফেসবুকে দিচ্ছেন। এই রংঢং করতে করতে পুরো প্রশাসন দেউলিয়া হয়ে যাবে।" রাষ্ট্র পরিচালনায় আবেগ নয়, বাস্তবতা প্রয়োজন সাবেক এসএসএফ ও ভিভিআইপি প্রটোকলের কড়া সমালোচনা করে রনি জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রটোকলের নামে জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদদের অপমান করা হতো। তবে বর্তমান সময়ে প্রশাসন বা সরকারপ্রধানের কিছু কাজ ‘সিনেমাটিক’ বা অতি-নাটকীয় হয়ে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "অ্যাক্টিং ইজ গুড, বাট ওভার অ্যাক্টিং ইজ ডেঞ্জারাস।" ইতিহাস
থেকে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এবং চাণক্যের রাষ্ট্র পরিচালনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, রাষ্ট্র চালাতে হলে চরম বাস্তববাদী হতে হয়, আবেগ বা সেন্টিমেন্ট দিয়ে রাষ্ট্র চলে না। সমাজ থেকে রাতারাতি সব সমস্যা দূর করতে চাওয়ার প্রবণতা রাষ্ট্রের জন্য বুমেরাং হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।



