ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘চাহিবা মাত্র’ মিলছে না টাকা
জেএমবিএফ: “শাহ আলীর মাজার- বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, সুপরিকল্পিত” ৫ আগস্টের পর শতাধিক মাজার আক্রান্ত
সংকট মোকাবেলায় বিপর্যস্ত সরকার: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, অর্থনৈতিক চাপ ও বাস্তবতার টানাপোড়েনে প্রথম বাজেট
বিদেশিদের শর্ত পূরণে বিদ্যুতের দাম ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি: দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ঘাড়ে চাপছে বোঝা
সংকট মোকাবেলায় বিপর্যস্ত সরকার: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, অর্থনৈতিক চাপ ও বাস্তবতার টানাপোড়েনে প্রথম বাজেট
বিপুল পরিমাণে নিম্নমানের কয়লা আমদানির সিন্ডিকেট: অভিজ্ঞতা ছাড়াই সিপিজিসিবিএল-এ শিবির নেতার নিয়োগ
বোয়িং থেকে তো অনেক কেনা হচ্ছে, আমাদের থেকেও ১০টি কেনা হোক- বিমানকে এয়ারবাসের অনুরোধ
১ জুলাই থেকেই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী
আগামী ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার (১৮ মে) নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আগামী অর্থবছরের শুরুতে অর্থাৎ ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতনকাঠামো (পে স্কেল) বাস্তবায়ন হবে। কীভাবে উত্তম উপায়ে তা করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে।’
তবে বাজেট সীমাবদ্ধতার কারণে বেতন কমিশনের সব সুপারিশ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অর্থমন্ত্রী জানান।
জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য আগামী জাতীয় বাজেটে নতুন পে স্কেলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হবে।
তবে
পুরো সুবিধা একবারে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি-র নেতৃত্বাধীন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী তিন অর্থবছরে এটি বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বাজেটের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অর্থনীতির পরিস্থিতিও কঠিন। জিডিপির তুলনায় রাজস্ব আহরণের অবস্থাও সন্তোষজনক নয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে কাটছাঁট করতে হচ্ছে। তারপরও নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আগামী ২১ মে বৈঠকে বসবে বাস্তবায়ন কমিটি। প্রায় ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য
নতুন বেতন কাঠামো চালু হতে যাচ্ছে। তবে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পূর্ণ সুবিধা একসঙ্গে দেওয়া হচ্ছে না। প্রথম ধাপে আগামী বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিচার বিভাগ ও বিভিন্ন বাহিনীর চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবেন। বাকি অংশ পরবর্তী দুই অর্থবছরে কার্যকর করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি কার্যকর হবে। আর তৃতীয় ধাপে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে অন্যান্য ভাতা ও অতিরিক্ত সুবিধা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত পেনশন
বাবদ আরও প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা লাগতে পারে। সব মিলিয়ে সম্ভাব্য ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এর আগে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বেতন ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশসংবলিত প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নে অতিরিক্ত আরও প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে। পরে বেসামরিক কর্মচারী, জুডিশিয়াল সার্ভিস এবং সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামো বিশ্লেষণ করে বাস্তবায়ন সুপারিশ তৈরির
জন্য গত মাসে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটিটি তিন ধাপে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করবে। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। গ্রেড আগের মতো ২০টিই রাখা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাতও ১:৯ দশমিক ৪ থেকে কমিয়ে ১:৮ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
পুরো সুবিধা একবারে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি-র নেতৃত্বাধীন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী তিন অর্থবছরে এটি বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বাজেটের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অর্থনীতির পরিস্থিতিও কঠিন। জিডিপির তুলনায় রাজস্ব আহরণের অবস্থাও সন্তোষজনক নয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে কাটছাঁট করতে হচ্ছে। তারপরও নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আগামী ২১ মে বৈঠকে বসবে বাস্তবায়ন কমিটি। প্রায় ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য
নতুন বেতন কাঠামো চালু হতে যাচ্ছে। তবে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পূর্ণ সুবিধা একসঙ্গে দেওয়া হচ্ছে না। প্রথম ধাপে আগামী বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিচার বিভাগ ও বিভিন্ন বাহিনীর চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবেন। বাকি অংশ পরবর্তী দুই অর্থবছরে কার্যকর করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি কার্যকর হবে। আর তৃতীয় ধাপে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে অন্যান্য ভাতা ও অতিরিক্ত সুবিধা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত পেনশন
বাবদ আরও প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা লাগতে পারে। সব মিলিয়ে সম্ভাব্য ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এর আগে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বেতন ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশসংবলিত প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নে অতিরিক্ত আরও প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে। পরে বেসামরিক কর্মচারী, জুডিশিয়াল সার্ভিস এবং সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামো বিশ্লেষণ করে বাস্তবায়ন সুপারিশ তৈরির
জন্য গত মাসে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটিটি তিন ধাপে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করবে। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। গ্রেড আগের মতো ২০টিই রাখা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাতও ১:৯ দশমিক ৪ থেকে কমিয়ে ১:৮ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।



