ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট কবে?
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৮ মাস কারাবন্দী ডাবলু সরকার মায়ের মৃত্যুতেও প্যারোল মেলেনি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ
কারাবন্দী রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে তাঁর মায়ের মৃত্যুর পরও শেষবারের মতো দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় দেশের বিচারব্যবস্থা ও বন্দীদের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর পরিবার ও স্বজনেরা। টানা ১৮ মাস ধরে কারাবন্দী এই নেতার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং চিকিৎসায় অবহেলারও অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
গত ২০ নভেম্বর (২০২৫) ডাবলু সরকারের মা জোবেদা সরকার ইন্তেকাল করেন[1]। পরিবারের অভিযোগ, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আবেদন করা হলেও ডাবলু সরকারকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি। ফলে মায়ের মুখ শেষবারের মতো দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন তিনি। পরিবারের এক সদস্য আক্ষেপ করে বলেন, ‘একজন সন্তানের কাছে মায়ের শেষ দেখা
না পাওয়া যেকোনো শাস্তির চেয়েও ভারী। রাষ্ট্রে যদি সত্যিই আইনের শাসন থাকে, তাহলে একজন বন্দীর মানবিক অধিকার কোথায়? বিচারপ্রক্রিয়া কি শুধু শাস্তির জন্য, নাকি এখানে মানবিকতার জায়গাও থাকা উচিত?’ ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট রাজশাহীতে শিক্ষার্থী আবু রায়হান ও সাকিব আনজুম নিহত হওয়ার ঘটনায় হওয়া হত্যা মামলাসহ কয়েকটি মামলার আসামি ডাবলু সরকার[2][3]। এর আগে ৪ অক্টোবর (২০২৪) রাতে নওগাঁ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৫[2][4]। পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের পর থেকে দীর্ঘ ১৮ মাস ডাবলু সরকারকে নির্জন সেলে বন্দী রাখা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের নামে বারবার রিমান্ডে নিয়ে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাননি এবং কারাগারে অত্যন্ত অমানবিক পরিস্থিতিতে
দিন কাটাচ্ছেন। বিচার শেষ হওয়ার আগেই শাস্তির মতো আচরণ ও রিমান্ডের নামে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে স্বজনেরা বলছেন, দেশে আইনের শাসন থাকলে একজন বন্দীর মৌলিক অধিকার এভাবে উপেক্ষিত হতে পারে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হচ্ছে কি না, তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। ডাবলু সরকারের স্বজন ও অনুসারীদের দাবি, এই ঘটনাটি শুধু একজন ব্যক্তির বা একটি পরিবারের কষ্টের গল্প নয়, বরং এটি পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার কাছে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রশ্নে একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন। ন্যায়বিচার কি সত্যিই আছে, নাকি তা শুধুই কাগজে লেখা কিছু শব্দ—এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে তাঁদের মনে।
না পাওয়া যেকোনো শাস্তির চেয়েও ভারী। রাষ্ট্রে যদি সত্যিই আইনের শাসন থাকে, তাহলে একজন বন্দীর মানবিক অধিকার কোথায়? বিচারপ্রক্রিয়া কি শুধু শাস্তির জন্য, নাকি এখানে মানবিকতার জায়গাও থাকা উচিত?’ ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট রাজশাহীতে শিক্ষার্থী আবু রায়হান ও সাকিব আনজুম নিহত হওয়ার ঘটনায় হওয়া হত্যা মামলাসহ কয়েকটি মামলার আসামি ডাবলু সরকার[2][3]। এর আগে ৪ অক্টোবর (২০২৪) রাতে নওগাঁ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৫[2][4]। পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের পর থেকে দীর্ঘ ১৮ মাস ডাবলু সরকারকে নির্জন সেলে বন্দী রাখা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের নামে বারবার রিমান্ডে নিয়ে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাননি এবং কারাগারে অত্যন্ত অমানবিক পরিস্থিতিতে
দিন কাটাচ্ছেন। বিচার শেষ হওয়ার আগেই শাস্তির মতো আচরণ ও রিমান্ডের নামে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে স্বজনেরা বলছেন, দেশে আইনের শাসন থাকলে একজন বন্দীর মৌলিক অধিকার এভাবে উপেক্ষিত হতে পারে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হচ্ছে কি না, তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। ডাবলু সরকারের স্বজন ও অনুসারীদের দাবি, এই ঘটনাটি শুধু একজন ব্যক্তির বা একটি পরিবারের কষ্টের গল্প নয়, বরং এটি পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার কাছে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রশ্নে একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন। ন্যায়বিচার কি সত্যিই আছে, নাকি তা শুধুই কাগজে লেখা কিছু শব্দ—এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে তাঁদের মনে।



