১৮ মাস কারাবন্দী ডাবলু সরকার মায়ের মৃত্যুতেও প্যারোল মেলেনি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৬

১৮ মাস কারাবন্দী ডাবলু সরকার মায়ের মৃত্যুতেও প্যারোল মেলেনি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৬ |
কারাবন্দী রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে তাঁর মায়ের মৃত্যুর পরও শেষবারের মতো দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় দেশের বিচারব্যবস্থা ও বন্দীদের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর পরিবার ও স্বজনেরা। টানা ১৮ মাস ধরে কারাবন্দী এই নেতার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং চিকিৎসায় অবহেলারও অভিযোগ করেছেন তাঁরা। গত ২০ নভেম্বর (২০২৫) ডাবলু সরকারের মা জোবেদা সরকার ইন্তেকাল করেন[1]। পরিবারের অভিযোগ, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আবেদন করা হলেও ডাবলু সরকারকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি। ফলে মায়ের মুখ শেষবারের মতো দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন তিনি। পরিবারের এক সদস্য আক্ষেপ করে বলেন, ‘একজন সন্তানের কাছে মায়ের শেষ দেখা

না পাওয়া যেকোনো শাস্তির চেয়েও ভারী। রাষ্ট্রে যদি সত্যিই আইনের শাসন থাকে, তাহলে একজন বন্দীর মানবিক অধিকার কোথায়? বিচারপ্রক্রিয়া কি শুধু শাস্তির জন্য, নাকি এখানে মানবিকতার জায়গাও থাকা উচিত?’ ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট রাজশাহীতে শিক্ষার্থী আবু রায়হান ও সাকিব আনজুম নিহত হওয়ার ঘটনায় হওয়া হত্যা মামলাসহ কয়েকটি মামলার আসামি ডাবলু সরকার[2][3]। এর আগে ৪ অক্টোবর (২০২৪) রাতে নওগাঁ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৫[2][4]। পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের পর থেকে দীর্ঘ ১৮ মাস ডাবলু সরকারকে নির্জন সেলে বন্দী রাখা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের নামে বারবার রিমান্ডে নিয়ে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাননি এবং কারাগারে অত্যন্ত অমানবিক পরিস্থিতিতে

দিন কাটাচ্ছেন। বিচার শেষ হওয়ার আগেই শাস্তির মতো আচরণ ও রিমান্ডের নামে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে স্বজনেরা বলছেন, দেশে আইনের শাসন থাকলে একজন বন্দীর মৌলিক অধিকার এভাবে উপেক্ষিত হতে পারে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হচ্ছে কি না, তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। ডাবলু সরকারের স্বজন ও অনুসারীদের দাবি, এই ঘটনাটি শুধু একজন ব্যক্তির বা একটি পরিবারের কষ্টের গল্প নয়, বরং এটি পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার কাছে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রশ্নে একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন। ন্যায়বিচার কি সত্যিই আছে, নাকি তা শুধুই কাগজে লেখা কিছু শব্দ—এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে তাঁদের মনে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা? হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয়