ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এশিয়ান কাপের অভিষেকে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে লড়াই করল বাংলাদেশের মেয়েরা
স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত
সাবেক লঙ্কান ফুটবলার পাকিরের মনে পীড়া দেয় আবাহনীর ট্রফি লুট
বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ বাদ – ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে গেলো
তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল ভারত, সেমিফাইনাল নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার
জিম্বাবুয়েকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জাগাল ভারত
হামজা-শমিতকে ছাড়া নেপালে আটকা বাংলাদেশ
প্রীতি ফুটবল ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধেও গোল শূন্য সমতায় শেষ করেছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। শনিবার কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের চাপে রেখেও জয়ের দেখা পায়নি হাভিয়ের ক্যাবরেরার দল। নিতে পারেনি তিন বছর আগের হারের শোধ।
আক্রমণে উঠে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পড়া। ঠিক মতো পাস দিতে না পারা। বক্সে ভালো বল পেলেও ফিনিশিং টানতে না পারা সাম্প্রতিক বাংলাদেশের ফুটবলে নিয়মিত চিত্র। হামজা চৌধুরী ও শমিত সোম বাংলাদেশ ফুটবলে যোগ দেওয়ায় এই আক্ষেপ আরও বেড়েছে।
হামজা-শমিতে মিডফিল্ডে পূর্বের তুলনায় বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ বেড়েছে। ফরোয়ার্ডে বেড়েছে বলের সাপ্লাই। সঙ্গে বেড়েছে সুযোগ মিসের আক্ষেপ। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম প্রীতি ম্যাচে তারা না থাকায়
মিডফিল্ডের ওই নিয়ন্ত্রণ কিছুটা হারায় বাংলাদেশ। যে কারণে পরিসংখ্যান বলছে, নেপাল ও বাংলাদেশের বলের দখল ছিল সমান ৫০ শতাংশ। তবে গোলের সুযোগ তৈরিতে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। চারটি সুযোগ তৈরি করেছিলেন রাকিবুলরা। যার দুটি ভালো ফিনিশ করার মতো ছিল। কিন্তু গোলের লক্ষ্যে দুই শট নিয়ে বাংলাদেশ উল্লাসের উপলক্ষ্য পায়নি একবারও। অন্যদিকে নেপালের তোলা দুটি আক্রমণও ছিল গোল মুখে। নেপালকে একটি কর্ণার কিক নেওয়ার সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশ তিনটি কর্ণার পেলেও তা জালে যাওয়ার উপক্রম হয়নি। ম্যাচে নেপাল এগিয়ে ছিল কেবল এক জায়গাতে। বাংলাদেশের দুই হলুদ কার্ডের বিপরীতে তারা হলুদ কার্ড দেখেছে মাত্র একটি। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর একই মাঠে নেপালের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ
খেলবেন জামাল ভূইয়ারা।
মিডফিল্ডের ওই নিয়ন্ত্রণ কিছুটা হারায় বাংলাদেশ। যে কারণে পরিসংখ্যান বলছে, নেপাল ও বাংলাদেশের বলের দখল ছিল সমান ৫০ শতাংশ। তবে গোলের সুযোগ তৈরিতে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। চারটি সুযোগ তৈরি করেছিলেন রাকিবুলরা। যার দুটি ভালো ফিনিশ করার মতো ছিল। কিন্তু গোলের লক্ষ্যে দুই শট নিয়ে বাংলাদেশ উল্লাসের উপলক্ষ্য পায়নি একবারও। অন্যদিকে নেপালের তোলা দুটি আক্রমণও ছিল গোল মুখে। নেপালকে একটি কর্ণার কিক নেওয়ার সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশ তিনটি কর্ণার পেলেও তা জালে যাওয়ার উপক্রম হয়নি। ম্যাচে নেপাল এগিয়ে ছিল কেবল এক জায়গাতে। বাংলাদেশের দুই হলুদ কার্ডের বিপরীতে তারা হলুদ কার্ড দেখেছে মাত্র একটি। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর একই মাঠে নেপালের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ
খেলবেন জামাল ভূইয়ারা।



