সেন্ট মার্টিন দ্বীপে দেখা দিয়েছে নতুন বিপদ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৭ অক্টোবর, ২০২৪

আরও খবর

বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: নির্মাণের এক মাসেই সড়কে ধস, জলাবদ্ধতায় স্থবির পাঁচ গ্রামের জনজীবন

জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ফাঁড়ির খাবার পানিতে বিষ: নাশকতার শঙ্কা, নমুনা পাঠানো হলো ল্যাবে

গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে ডিগবাজি দেওয়া নেতা চাঁদাবাজির দায়ে গ্রেপ্তার

অস্ত্রের ভাণ্ডারে পরিণত হচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বাড়ছে জঙ্গি আতঙ্ক

বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: বিপুল ব্যয়ে নির্মিত ড্রেন ভেঙে পড়ল ৭ দিনেই, দায় চাপল মিস্ত্রিদের ঘাড়ে

চট্টগ্রামে নালা থেকে উদ্ধার ১৪শ গুলির বড় অংশই একে-৪৭ ও মেশিনগানের

বালু ব্যবসার দ্বন্দ্বে দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাচেষ্টা বিএনপির অপর গ্রুপের

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে দেখা দিয়েছে নতুন বিপদ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৭ অক্টোবর, ২০২৪ |
অনিয়ন্ত্রিত পর্যটনের কারণে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে কমপক্ষে ২০ ধরনের বিপদের মুখে পড়েছে। এনভায়নমেন্টাল অ্যাডভান্স নামের একটি বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। গত দুই যুগে এসব বিপদ তৈরি হয়েছে। প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছরের পুরোনো দ্বীপটির মাটি, পানি ও বাতাস বিষাক্ত হয়ে উঠছে। দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় দ্বীপের তাপমাত্রা কমপক্ষে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, পর্যটনের কারণে উচ্চ তাপমাত্রার পাশাপাশি লবণাক্ততা বৃদ্ধি, বন উজাড়, দূষণ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, কচ্ছপের আবাস ধ্বংস, প্লাস্টিকের ব্যবহার, মিঠাপানির সংকট, জোয়ারে সমুদ্রভাঙনসহ নানা বিপদ দেখা দিয়েছে। দ্বীপে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ১০ হাজার থাকলেও সারা বছরে সেখানে কয়েক লাখ পর্যটক থাকেন।

পর্যটন ব্যবসায়ীদের চাপে সরকার পিছু হটে। উদ্যোগ না নিলে প্রবালশূন্য হতে পারে দ্বীপটি। দ্বীপটিতে দেখা দিয়েছে মারাত্মক ক্ষতিকর সাদা মাছির উৎপাত। এই মাছি দ্বীপের গাছপালা ধ্বংস করছে। ঐতিহাসিকভাবে সেখানে শতাধিক প্রজাতির গাছ ছিল। দুই মাস ধরে দ্বীপে আরেকটি নতুন বিপদ হাজির হয়েছে। সেখানে দেখা দিয়েছে মারাত্মক ক্ষতিকর সাদা মাছির উৎপাত। সাদা মাছির কারণে গত কয়েক মাসে ৩০০ নারকেলগাছ মারা গেছে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত বলেন, এ ধরনের জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ ও স্বতন্ত্র দ্বীপ রক্ষায় বিভিন্ন দেশ নানা উদ্যোগ নেয়। কারণ, এ ধরনের দ্বীপ তৈরি হতে হাজার হাজার বছর লাগে। কিন্তু কিছু পর্যটকের কয়েক যুগের অত্যাচারে তা কয়েক বছরের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যেতে

পারে। সুতরাং সেন্ট মার্টিন রক্ষায় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকা উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেন্ট মার্টিনের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অপরিকল্পিত পর্যটনকে দায়ী করছেন। মৌসুমি পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত আচরণ ও পরিবেশবিধ্বংসী বিনোদনের ফলে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। গত এক যুগে দ্বীপটি রক্ষায় সরকার তিন দফায় পর্যটন নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছিল। সেন্ট মার্টিন দ্বীপ রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর একটি প্রকল্প চালু করে। কিন্তু পর্যটন ব্যবসায়ীদের চাপে ওই অবস্থান থেকে সরে আসে সরকার। সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বশেষ ২০২০ সালের আগস্টে সেখানে পর্যটক নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সরকারের তরফে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেসকে (সিইজিআইএস) একটি সমীক্ষা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা শেষে জানায়, দ্বীপটিতে কোনোভাবেই পর্যটকদের রাতে থাকার

অনুমতি দেওয়া ঠিক হবে না। শীতে পর্যটন মৌসুমে দিনে ১ হাজার ২৫০ জনের বেশি পর্যটক যেতে দেওয়া ঠিক হবে না। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে সেন্ট মার্টিন নিয়ে আন্তর্জাতিক ওশান সায়েন্স জার্নাল–এ প্রকাশিত এক গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়, ২০৪৫ সালের মধ্যে দ্বীপটি পুরোপুরি প্রবালশূন্য হতে পারে। বিশ্বজুড়ে বিলুপ্তপ্রায় জলপাই রঙের কাছিম, চার প্রজাতির ডলফিন, বিপন্ন প্রজাতির পাখিসহ নানা বন্য প্রাণীর বাস এই দ্বীপে। এসব প্রাণীও দ্বীপটি ছেড়ে চলে যাবে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগের বিষয়টি নিয়ে উল্টো প্রচার শুরু হয়। সেখানে মার্কিন ঘাঁটি তৈরিসহ নানা ধরনের প্রচার চলতে থাকে। সর্বশেষ গত সপ্তাহে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভায় সেন্ট মার্টিনে চার মাস

পর্যটকদের যাতায়াত ও অবস্থান সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নভেম্বরে পর্যটকেরা যেতে পারলেও রাতে থাকতে পারবেন না। আর ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে গিয়ে রাতেও থাকতে পারবেন। তবে ওই সময় দিনে দুই হাজারের বেশি পর্যটক যেতে পারবেন না। আর ফেব্রুয়ারিতে পর্যটকেরা সেখানে যেতে পারবেন না। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আমরা দ্বীপটি বাঁচাতে চাই। এটি দেশের সবার সম্পদ। পর্যটকেরা দায়িত্বশীল আচরণ করলে দেশের ওই সম্পদ রক্ষা পাবে।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রথম টেস্টের বাংলাদেশ দল ঘোষণা: ফিরলেন সৌম্য ও জাকের, বাদ জয় ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণের ৪২% খেলাপি, বাড়ছে বড় ঋণের ঝুঁকি বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: নির্মাণের এক মাসেই সড়কে ধস, জলাবদ্ধতায় স্থবির পাঁচ গ্রামের জনজীবন আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা ‘লীগ নেতা’ ট্যাগে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, না পেয়ে ব্যবসায়ীকে আয়নাঘরে নির্যাতনের পর পুলিশে দিল বিএনপি নেতা জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ফাঁড়ির খাবার পানিতে বিষ: নাশকতার শঙ্কা, নমুনা পাঠানো হলো ল্যাবে গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে ডিগবাজি দেওয়া নেতা চাঁদাবাজির দায়ে গ্রেপ্তার অস্ত্রের ভাণ্ডারে পরিণত হচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বাড়ছে জঙ্গি আতঙ্ক আগাম ঘোষণা দিয়েই রামুতে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন রপ্তানি আয়ের ধারাবাহিক পতনের মধ্যেই ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য সরকারের বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: বিপুল ব্যয়ে নির্মিত ড্রেন ভেঙে পড়ল ৭ দিনেই, দায় চাপল মিস্ত্রিদের ঘাড়ে রবীন্দ্র সরোবরে বর্ষামঙ্গল উদযাপন: গান-কবিতা-নৃত্যে মুখরিত হলো ধানমন্ডি ভারতীয় সন্দেহে বিজিবি গাড়ি বহরের উপর আক্রমণে নিহত সন্ত্রাসীরা স্থান পেলো জুলাই শহিদ গেজেটে টানা দুই অর্থবছর প্রবৃদ্ধি ৩% এর নীচে থাকলেও কোটিপতি বেড়েছে মোট ১৯,৩৫৬ জন সংসদ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কোথাও ঠাঁই না পেয়ে ১১ দলীয় জোট ছাড়ছেন ইসলামিক দলগুলো সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে চরম অনিয়ম: রাজনৈতিক প্রভাব ও বহিরাগতদের দাপটে প্রশ্নবিদ্ধ পরীক্ষা পদার্থবিজ্ঞানের পর রসায়ন পরীক্ষাতেও বিপর্যয়: ৮ সৃজনশীলের ৪টিতেই ভুল! শিক্ষার্থীদের সাথে এ কেমন তামাশা? চট্টগ্রাম রেলওয়েতে ছাত্রদল নেতার মাস্তানি, বখরা না পেয়ে দপ্তরে হামলা, প্রকৌশলী লাঞ্ছিত বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: রংপুরে নির্মাণের ১৫ দিনেই সড়কে ফাটল, উঠে গেছে কার্পেটিং প্রশাসনকে দলীয়করণে অতীতের সকল রেকর্ড ভাঙ্গলো বিএনপি