ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাটে আওয়ামী লীগ নেত্রী ডালিয়াকে জবাই করে হত্যা
সাভারে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ: শিক্ষক স্বামীকে সহায়তাকারী স্ত্রী গ্রেপ্তার
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা হুজুরের, মাদ্রাসা ভাঙচুর করে আগুন দিলেন এলাকাবাসী
টেকনাফে পাহাড়ে ৩ দিন নির্যাতন: ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণে বাড়ি ফিরলেন যুবক
১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণে সহায়তা করেছিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকের স্ত্রী, গ্রেপ্তার
হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিস অফিসে ভাঙচুর-লুটপাট
প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় কৃষি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
ইতালি পাঠানোর কথা বলে লিবিয়ায় পাচার, গ্রেফতার ২
ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নেওয়ার পর এক যুবককে মিশর হয়ে লিবিয়ায় পাচার, সেখানে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে মানবপাচার চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর আশকোনা হাজি ক্যাম্পের সিভিল এভিয়েশন ওয়েলফেয়ার মার্কেটের সামনে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন—মো. আতিকুর রহমান টমাস (৩২) ও মো. বদিউল আলম ভূঁইয়া ওরফে বেলাল (৫৪)।
সিআইডি জানায়, নোয়াখালীর সেনবাগের বাসিন্দা ভুক্তভোগী যুবক প্রায় তিন বছর সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। দেশে ফেরার পথে বিমানে এক সহযাত্রীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ওই সহযাত্রীর মাধ্যমে মানবপাচার চক্রের এক সদস্যের সঙ্গে পরিচিত হন
তিনি। চক্রের সদস্যরা তাকে লিবিয়া হয়ে নিরাপদে ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে পাঠানোর চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল ঢাকার আশকোনার একটি অফিসে পাসপোর্ট জমা দিয়ে অগ্রিম ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেন ভুক্তভোগী। ৭ এপ্রিল তাকে প্রথমে ভারতের নয়াদিল্লি এবং সেখান থেকে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় পাঠানো হয়। সেখানে প্রায় ১৬ দিন রাখার পর বিভিন্ন অজুহাতে তার পরিবারের কাছ থেকে ধাপে ধাপে আরও টাকা নেওয়া হয়। পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ হয়ে তাকে মিশরের কায়রোতে পাঠানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, কায়রো বিমানবন্দর থেকে চক্রের এক সদস্য তাকে একটি বাসায় নিয়ে প্রায় পাঁচ দিন আটকে রাখে। পরে পূর্বের চুক্তির কথা বলে
তার কাছে আরও ৬ হাজার মার্কিন ডলার দাবি করা হয়। নগদ টাকা, বিকাশ ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের কাছ থেকে মোট প্রায় ১২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এরপর তাকে গাড়িতে করে দুর্গম মরুভূমি ও পাহাড়ি সীমান্ত পেরিয়ে লিবিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে চক্রের সহযোগী হিসেবে পরিচিত এক ব্যক্তি তাকে একটি কথিত ‘গেম রুমে’ আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে লিবিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে অন্যদের সঙ্গে ভুক্তভোগীকেও আটক করে কারাগারে পাঠায়। কারাগারে থাকা অবস্থায় তাকে মুক্ত করার কথা বলে পরিবারের কাছে আরও ৬ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে লিবিয়া পুলিশ তাকে আটক
করে ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। দেশে ফিরে ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন। সিআইডি জানায়, মামলাটির তদন্তভার গ্রহণের পর তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় আসামি আতিকুর রহমান টমাস ও বদিউল আলম ভূঁইয়া ওরফে বেলালকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলাটির তদন্ত চলছে।
তিনি। চক্রের সদস্যরা তাকে লিবিয়া হয়ে নিরাপদে ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে পাঠানোর চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল ঢাকার আশকোনার একটি অফিসে পাসপোর্ট জমা দিয়ে অগ্রিম ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেন ভুক্তভোগী। ৭ এপ্রিল তাকে প্রথমে ভারতের নয়াদিল্লি এবং সেখান থেকে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় পাঠানো হয়। সেখানে প্রায় ১৬ দিন রাখার পর বিভিন্ন অজুহাতে তার পরিবারের কাছ থেকে ধাপে ধাপে আরও টাকা নেওয়া হয়। পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ হয়ে তাকে মিশরের কায়রোতে পাঠানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, কায়রো বিমানবন্দর থেকে চক্রের এক সদস্য তাকে একটি বাসায় নিয়ে প্রায় পাঁচ দিন আটকে রাখে। পরে পূর্বের চুক্তির কথা বলে
তার কাছে আরও ৬ হাজার মার্কিন ডলার দাবি করা হয়। নগদ টাকা, বিকাশ ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের কাছ থেকে মোট প্রায় ১২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এরপর তাকে গাড়িতে করে দুর্গম মরুভূমি ও পাহাড়ি সীমান্ত পেরিয়ে লিবিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে চক্রের সহযোগী হিসেবে পরিচিত এক ব্যক্তি তাকে একটি কথিত ‘গেম রুমে’ আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে লিবিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে অন্যদের সঙ্গে ভুক্তভোগীকেও আটক করে কারাগারে পাঠায়। কারাগারে থাকা অবস্থায় তাকে মুক্ত করার কথা বলে পরিবারের কাছে আরও ৬ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে লিবিয়া পুলিশ তাকে আটক
করে ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। দেশে ফিরে ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন। সিআইডি জানায়, মামলাটির তদন্তভার গ্রহণের পর তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় আসামি আতিকুর রহমান টমাস ও বদিউল আলম ভূঁইয়া ওরফে বেলালকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলাটির তদন্ত চলছে।





