যে কারণে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমছে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ October, ২০২৬

যে কারণে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমছে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ October, ২০২৬ |
বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেও তেলের বাজারে নিম্নমুখী চাপ তৈরি হয়েছে। মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বাড়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের মজুত বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক চাহিদা নিয়ে অনিশ্চয়তাকে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪৯ ডলারে নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম কমেছে ১ দশমিক ১ শতাংশ, ব্যারেলপ্রতি ৮৮ দশমিক ৪৩ ডলারে। তেলের দাম কমার অন্যতম বড় কারণ মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহের পরিস্থিতির উন্নতি। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে ইরান ছাড়া উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল সরবরাহ যুদ্ধ শুরুর আগের মাত্রার

প্রায় ৮১ শতাংশে ফিরে এসেছে। সৌদি আরবের উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধিই এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। রয়টার্সের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকের সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেটের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এতে বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কিছুটা কমেছে। তেলের দামে চাপ তৈরির আরেকটি কারণ হলো— জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বড় অর্থনীতিগুলোর পদক্ষেপ। জি৭ দেশগুলো জরুরি মজুত থেকে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বাজারে হঠাৎ সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কা কমেছে এবং দামের ওপরও নিম্নমুখী চাপ তৈরি হয়েছে। তেলের দাম নির্ধারণে শুধু সরবরাহ নয়, চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক অর্থনীতির গতি কমলে শিল্প,

পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির ব্যবহারও কমতে পারে। ফলে তেলের ভবিষ্যৎ চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ থাকলে ব্যবসায়ীরা দাম কমার আশঙ্কায় আগেভাগেই বিক্রি বাড়ান। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা আইইএ চলতি বছরের তেলের বাজার নিয়ে চাহিদা ও সরবরাহের পূর্বাভাসে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। সংস্থাটির মাসিক তেলবাজার প্রতিবেদনে বৈশ্বিক সরবরাহ, ব্যবহার ও মজুতের ওপর ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বলছে, বিশ্বে তেলের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় বেশি হলে মজুত বাড়তে থাকে। আর মজুত বাড়ার সঙ্গে সাধারণত অপরিশোধিত তেলের দামে নিম্নমুখী চাপ তৈরি হয়। ইআইএ-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পর উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৈশ্বিক মজুতও পুনরায় বাড়তে পারে। এতে আগামী বছর তেলের দাম আরও

কমার সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থাটি ২০২৭ সালে ব্রেন্টের গড় দাম প্রায় ৭৪ ডলার হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ওয়াশিংটনে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন: আওয়ামী লীগকে নিয়েই অবাধ নির্বাচন ও পুনর্মিলনের আহ্বান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় লঙ্কানদের রেকর্ড জয় মানুষের পেটে ভাত নেই, ৭০% ছাড় দিয়েও বিক্রি হচ্ছে না জামা-কাপড়: ব্যবসা নেমেছে এক-তৃতীয়াংশে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক স্থবিরতা (স্ট্যাগফ্লেশন) এবং মহা অস্বীকৃতি কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাটে আওয়ামী লীগ নেত্রী ডালিয়াকে জবাই করে হত্যা দারিদ্র নির্মূলে বিশ্বজুড়ে রোল মডেল বাংলাদেশ এখন খাদের দ্বারপ্রান্তে এখনই ১৮৩৭ টাকার সিলিন্ডার কিনছে ভোক্তারা ২৫০০-তে, নতুন প্রস্তাবে দাম ছাড়াতে পারে ৪ হাজার সাভারে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ: শিক্ষক স্বামীকে সহায়তাকারী স্ত্রী গ্রেপ্তার ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা হুজুরের, মাদ্রাসা ভাঙচুর করে আগুন দিলেন এলাকাবাসী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মনপুরায় রাজনৈতিক প্রভাবে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসব টেকনাফে পাহাড়ে ৩ দিন নির্যাতন: ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণে বাড়ি ফিরলেন যুবক পটিয়ায় ছিনতাই হওয়া ২৮৪ বস্তা চিনি চকরিয়া থেকে উদ্ধার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম বিশ্বের শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ৪৫তম ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ রিকশাচালক হাফিজুল হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপু মনি ফের দ্রুততম মানব-মানবী ইমরান-শিরিন, টাইমিং নিয়ে প্রথম দিনেই বিতর্ক নাটোরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১২ জন্মদিন উদযাপনে যাওয়ার পথে নেতানিয়াহুর গাড়িবহরে হামলা দেশে হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু