ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মেসির বিদায়ী ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ এই বেনিন কারা?
আড়াই বছরে টি-টোয়েন্টিতে চার অধিনায়ক বদল করল পাকিস্তান
বিদায়ী ম্যাচে প্রস্তুত মেসি
ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচে ভারতের লড়াই, তবে ৪-০ গোলের বড় জয় ব্রাজিলের
এশিয়ান গেমসে হারের পর লিটনকে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ‘ব্যক্তিগত আক্রমণ’
ব্রাজিল-ভারত ম্যাচের সম্ভাব্য একাদশ
যুবভারতীতে সাম্বা ঝড় সামলানোর পরীক্ষা
মেসির বিদায়ী ম্যাচেও কেলেঙ্কারি
আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচেও কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে বুয়েনোস আইরেসের বাতাস। দেশের মাঠে মহাতারকার রাজকীয় বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখার পরিবর্তে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ‘অর্থলোভী’ কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত এর আগের ম্যাচেই। বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে ম্যাচের আগে সফরকারী দলটি ইকোনমি ক্লাসের বিমানে ভ্রমণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে মরক্কো বিমানবন্দরেই বিদ্রোহ ঘোষণা করে। শেষ মুহূর্তে কোনোমতে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বুয়েনোস আইরেসে পাঠায় বুরকিনা ফাসোর ফুটবল ফেডারেশন। মূল দল না আসায় চরম কেলেঙ্কারির মুখে পড়েছিল সেই ম্যাচ।
তবে সেই বিতর্ক মিটতে না মিটতেই এবার মেসির শেষ ম্যাচের প্রতিপক্ষ বেনিনও তুলেছে বিস্ফোরক সব অভিযোগ! দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এএফএ ইচ্ছা করেই ছোট
এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল আফ্রিকান দলগুলোকে প্রীতি ম্যাচের প্রতিপক্ষ বানায়। উদ্দেশ্য একটাই, বিপক্ষ দলকে নামমাত্র ‘ম্যাচ ফি’ দিয়ে বাকি সব কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যিক লাভ নিজেদের পকেটে নেওয়া। এই চরম অব্যবস্থাপনার নির্মম শিকার এখন বেনিন দল। একে তো দীর্ঘ যাত্রার সাধারণ ফ্লাইটের ধকল সহ্য করতে গিয়ে বেনিনের জাতীয় দলের এক ভিডিও অ্যানালিস্ট অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান, তার ওপর তাদের যেখানে রাখা হয়েছে সেই হোটেলের অবস্থাও করুণ। খেলোয়াড়দের জিম করার মতো কোনো সুযোগ নেই, এক পুরো ফ্লোরে নেই কোনো গরম পানির ব্যবস্থা, এমনকি একমাত্র ভরসা সনা বা স্টিম রুমটিও অকেজো হয়ে পড়ে আছে। স্বাগতিকদের এমন হীন আচরণ এবং নিম্নমানের আতিথেয়তায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে বেনিন ফুটবল
দল। পুরো বিশ্ব যখন লিওনেল মেসির ফুটবল জীবনের এক মহাকাব্যিক সমাপ্তি দেখতে চোখ রাখছে, ঠিক তখন বেনিনের বঞ্চনাভরা এক ক্ষুব্ধ প্রশ্ন পুরো ফুটবল বিশ্বকে নাড়া দিচ্ছে, মেসির এই ঐতিহাসিক বিদায় বিক্রি করে কার পকেটে ঢুকছে সব টাকা? তথ্যসূত্র: গোল ডটকম
এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল আফ্রিকান দলগুলোকে প্রীতি ম্যাচের প্রতিপক্ষ বানায়। উদ্দেশ্য একটাই, বিপক্ষ দলকে নামমাত্র ‘ম্যাচ ফি’ দিয়ে বাকি সব কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যিক লাভ নিজেদের পকেটে নেওয়া। এই চরম অব্যবস্থাপনার নির্মম শিকার এখন বেনিন দল। একে তো দীর্ঘ যাত্রার সাধারণ ফ্লাইটের ধকল সহ্য করতে গিয়ে বেনিনের জাতীয় দলের এক ভিডিও অ্যানালিস্ট অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান, তার ওপর তাদের যেখানে রাখা হয়েছে সেই হোটেলের অবস্থাও করুণ। খেলোয়াড়দের জিম করার মতো কোনো সুযোগ নেই, এক পুরো ফ্লোরে নেই কোনো গরম পানির ব্যবস্থা, এমনকি একমাত্র ভরসা সনা বা স্টিম রুমটিও অকেজো হয়ে পড়ে আছে। স্বাগতিকদের এমন হীন আচরণ এবং নিম্নমানের আতিথেয়তায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে বেনিন ফুটবল
দল। পুরো বিশ্ব যখন লিওনেল মেসির ফুটবল জীবনের এক মহাকাব্যিক সমাপ্তি দেখতে চোখ রাখছে, ঠিক তখন বেনিনের বঞ্চনাভরা এক ক্ষুব্ধ প্রশ্ন পুরো ফুটবল বিশ্বকে নাড়া দিচ্ছে, মেসির এই ঐতিহাসিক বিদায় বিক্রি করে কার পকেটে ঢুকছে সব টাকা? তথ্যসূত্র: গোল ডটকম



