ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
সিলেটে সাবেক মেয়র ও এমপির বাসায় হামলা
সিলেটের আওয়ামী লীগের দুই নেতার বাসায় হামলা-ভাঙচুর হয়েছে। এরমধ্যে একজন সাবেক মেয়র ও অপরজন সাবেক এমপি।
বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে সকালে নগরীতে আকস্মিক ঝটিকা মিছিল বের করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ। এর জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিলেট নগরীর পাঠানটুলা ও হাউজিং এস্টেট এলাকায় এ দুটি হামলার ঘটনা ঘটে গতকাল সন্ধ্যায়।
হামলার শিকার দুটি বাসার মধ্যে একটি সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর অপরটি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সাবেক এমপি শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের। হামলার সময় হামলাকারীরা বিএনপির স্লোগান দেয়।
স্থানীয়রা জানান, নগরীর হাউজিং এস্টেট এলাকার শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের বাসায়
সন্ধ্যার পর বেশ কয়েকজন মিছিল সহকারে ঢুকে পড়ে। এ সময় তারা বাসার সিসি ক্যামেরা, ল্যাপটপ ভাঙচুর করে। এদিকে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর পাঠানটুলা এলাকায় আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বাসায়ও হামলার ঘটনা ঘটে। একইভাবে হামলাকারীরা বাসার আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তবে পৃথক দুটি হামলার ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। এয়ারপোর্ট থানার ওসি সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের বাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জালালাবাদ থানার ওসি হারুনুর রশিদ বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। শুনেছি বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা এ হামলা চালিয়েছে। এদিকে, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এই পরিস্থিতিতে নিষিদ্ধদের আকস্মিক উসকানি লক্ষ্য। তবে তাই
বলে আইনশৃঙ্খলা নিজের হাতে তুলে নেওয়া বিএনপি সমর্থন করে না। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে আরও কঠোর ও শক্তিশালী অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, আমি বাইরে ছিলাম, সিলেটে ফিরে শুনেছি। আমার দল এসব সমর্থন করে না। গত ১৫ বছর যারা যারা হামলা-মামলা দিয়ে নির্যাতন চালিয়েছে, ব্যানার কেড়ে নিয়েছিল সেই ফ্যাসিস্টরাই এখন আড়ালে থেকে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। মূলত সিলেটের রাজনীতির সম্প্রীতি নষ্ট করে গেছে তারাই। আর নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আকস্মিক মিছিল করে অথচ প্রশাসন দেখে না?
সন্ধ্যার পর বেশ কয়েকজন মিছিল সহকারে ঢুকে পড়ে। এ সময় তারা বাসার সিসি ক্যামেরা, ল্যাপটপ ভাঙচুর করে। এদিকে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর পাঠানটুলা এলাকায় আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বাসায়ও হামলার ঘটনা ঘটে। একইভাবে হামলাকারীরা বাসার আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তবে পৃথক দুটি হামলার ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। এয়ারপোর্ট থানার ওসি সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের বাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জালালাবাদ থানার ওসি হারুনুর রশিদ বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। শুনেছি বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা এ হামলা চালিয়েছে। এদিকে, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এই পরিস্থিতিতে নিষিদ্ধদের আকস্মিক উসকানি লক্ষ্য। তবে তাই
বলে আইনশৃঙ্খলা নিজের হাতে তুলে নেওয়া বিএনপি সমর্থন করে না। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে আরও কঠোর ও শক্তিশালী অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, আমি বাইরে ছিলাম, সিলেটে ফিরে শুনেছি। আমার দল এসব সমর্থন করে না। গত ১৫ বছর যারা যারা হামলা-মামলা দিয়ে নির্যাতন চালিয়েছে, ব্যানার কেড়ে নিয়েছিল সেই ফ্যাসিস্টরাই এখন আড়ালে থেকে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। মূলত সিলেটের রাজনীতির সম্প্রীতি নষ্ট করে গেছে তারাই। আর নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আকস্মিক মিছিল করে অথচ প্রশাসন দেখে না?



