সিরিয়ার বিদ্রোহীরা কী বিশ্বাসযোগ্য? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

সিরিয়ার বিদ্রোহীরা কী বিশ্বাসযোগ্য?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪ |
বাশার আল-আসাদের পতনের পর গত সপ্তাহে রাজধানী দামেস্কে যান সিরিয়ার বিদ্রোহী নেতা আবু মুহাম্মদ আল জুলানি। তাঁর নিয়ন্ত্রিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) আসাদ পরিবারের পাঁচ দশকের অবসান ঘটায়। দামেস্কে গিয়ে তিনি এক তরুণীর সঙ্গে ছবি তোলেন। যেটি নিয়ে তৈরি হয়েছে সমালোচনা। প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, বিদ্রোহীরা ইসলামের কঠোর পন্থা থেকে সরে যাওয়ার যে দাবি করছে, সেটি বিশ্বাস করা যায় কিনা। ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, জুলানির কাছে এক তরুণী ছবি তোলার আবদার করছেন। তখন হাতের ইশারায় তরুণীকে মাথার চুল ঢেকে নিতে বলেন। এর পর তিনি ছবি তোলেন। পশ্চিমা ও মুক্তমনারা বলছেন, জুলানির এই কর্মকাণ্ড ইঙ্গিত দিচ্ছে, তিনি পূর্ণ ক্ষমতা কায়েমের

পর সিরিয়ায় সব নারীর মাথা ঢাকা বাধ্যতামূলক করতে পারেন। যদিও তিনি এখন বলছেন, কঠোর পন্থা অবলম্বন করবেন না। কিন্তু তাঁর মত বদলে যেতে পারে। অন্যদিকে, তরুণীর সঙ্গে ছবি তোলায় নিজ সমর্থক ও ধর্মীয় নেতাদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন জুলানি। তারা বলছেন, ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর ছবি তোলার কোনো প্রয়োজনীয়তা ছিল না। কারণ, সে মাথায় কাপড় দেয়নি। সঙ্গে মুখে মেকআপ করা ছিল। তবে এসব আলোচনা-সমালোচনা উড়িয়ে দিয়েছেন সুন্নি ইসলামপন্থি এই বিদ্রোহী নেতা। তিনি বলেছেন, ‘আমি তাকে চুল ঢাকতে বাধ্য করিনি। কিন্তু এটি আমার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। আমি এমনভাবে আমার ছবি তুলতে চাইব, যেটির সঙ্গে আমাকে মানায়।’ অন্যদিকে, লিয়া খাইরুল্লাহ নামের ওই তরুণী বলেছেন, ‘তিনি খুবই

ভদ্র এবং পিতৃসুলভ ভঙ্গিতে আমাকে চুল ঢাকতে বলেছেন। ছবিতে নিজেকে নিজের ইচ্ছামতো উপস্থাপনের অধিকার এই নেতার আছে।’ সিরিয়ার বেশির ভাগ বাসিন্দা সুন্নি মুসলিম। শিয়া মুসলিম ছাড়াও খ্রিষ্টান, আলাউইত, দ্রুজ এবং ইসমাইলি সম্প্রদায়ের বাস রয়েছে এখানে। দেশটির অনেক মানুষ ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র এবং অনেকে ইসলামী শরিয়াহ্ আইন অনুযায়ী শাসন পরিচালনা চান। খবর বিবিসির।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকার ছবি তুলে বিশ্ব বিবেক নাড়িয়ে দেওয়া আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর দুর্নীতির আখড়া ডিএনসিসি: বাজারদরের ৬ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ দিতে বারবার দরপত্র বাতিল, শর্ত বদল ডিএনসিসির ইজারা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: বাজেয়াপ্ত পে-অর্ডারের সাড়ে ৭ কোটি টাকা উত্তোলন, জানে না কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি? বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা” গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য