ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা
মোদি-মমতার বিরোধ আসলে লোকদেখানো, দাবি রাহুলের
আততায়ীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের যে ৪ প্রেসিডেন্ট
মেট অপেরাকে ২০ কোটি ডলার দেবে না সৌদি
ইসলামাবাদে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার: ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফর
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
যুদ্ধবিরতি বাড়লেও থামেনি হিজবুল্লাহ-ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলা
সিরিয়ায় ইরান-রাশিয়ার পর এবার যুক্তরাষ্ট্রকে হটাচ্ছে তুরস্ক
বাশার আল আসাদের পতনের মধ্য দিয়ে এরই মধ্যে সিরিয়াতে প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছে পরাশক্তি রাশিয়া ও ইরান। এর মধ্যেই অঞ্চলটিতে আরেক ধাক্কা খেতে যাচ্ছে আরেক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র। আর উভয় পরাশক্তির এমন দুর্দশার পেছনে আছে তুরস্ক। সিরিয়ার তুর্কি আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় এবার আটঘাট বেঁধে নেমেছে আঙ্কারা।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী ওয়াইপিজির অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত মানবিদের দখল নিয়েছে তুর্কিপন্থি সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মি।
মানবিজ শহরটি তুরস্কের দক্ষিণ সীমান্ত থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা ইউফ্রেটিস তথা ফুরাত নদীর পশ্চিমে ওয়াইপিজির সবচেয়ে বড় ঘাঁটি ছিল। কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্স তথা এসডিএফ
এর নিয়ন্ত্রণে আছে, যারা উত্তর ও পূর্ব সিরিয়ার একটি বড় অংশ শাসন করছে। এর মধ্যে সিরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু তেলক্ষেত্র ও প্রায় ৯০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। ২০১৬ সালে আইএস-এর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে যুদ্ধ করে মানবিজ দখল করে ওয়াইপিজি। মানবিজের পর ওয়াইপিজির দখলে থাকা রাক্কা শহরের দিকে অগ্রসর হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মি, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েরেল জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর নিয়ন্ত্রণে আছে, যারা উত্তর ও পূর্ব সিরিয়ার একটি বড় অংশ শাসন করছে। এর মধ্যে সিরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু তেলক্ষেত্র ও প্রায় ৯০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। ২০১৬ সালে আইএস-এর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে যুদ্ধ করে মানবিজ দখল করে ওয়াইপিজি। মানবিজের পর ওয়াইপিজির দখলে থাকা রাক্কা শহরের দিকে অগ্রসর হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মি, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েরেল জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



