ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ বাদ – ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে গেলো
তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল ভারত, সেমিফাইনাল নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার
জিম্বাবুয়েকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জাগাল ভারত
মা হারালেন শেখ মেহেদী
দ্যা হান্ড্রেডের নিলামে বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটার, সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিতে মোস্তাফিজ
ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে বাংলাদেশের জনসংখ্যার তিন গুণ আবেদন!
সাবেক লঙ্কান ফুটবলার পাকিরের মনে পীড়া দেয় আবাহনীর ট্রফি লুট
আবাহনীর ট্রফি লুটের প্রসঙ্গ উঠতেই ঢাকার মাঠে এক দশক ঘাম ঝরানো শ্রীলঙ্কান ডিফেন্ডার পাকির আলীর কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে উন্মাত্ত জনতা লুট করে ঢাকা আবাহনী লিমিটেডের ট্রফি, ক্লাবের শিরোপা কক্ষ ভাঙচুরসহ নানা ঘটনাপ্রবাহ তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।
“ওগুলো শুধু কাপ নয়, আমাদের জীবনের স্মৃতি”—বলছেন তিনি।
সম্প্রতি বেসরকারি অনলাইন সংবাদ মাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া এক স্বাক্ষাৎকারে তিনি এ অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন।
১৯৮১ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ঢাকা আবাহনী লিমিটেডের জার্সিতে স্টপার ব্যাক হিসেবে খেলেছেন পাকির আলী। ঝাঁকড়া চুল আর দৃঢ় ট্যাকলের জন্য সমর্থকদের কাছে তিনি ছিলেন পরিচিত মুখ। দীর্ঘ সময় বাংলাদেশে কাটাতে কাটাতে বাংলা ভাষাও
রপ্ত করেন। এখনও অনর্গল বাংলায় কথা বলেন। বর্তমানে কলম্বোতে বসবাস করলেও বাংলাদেশের ফুটবলের খবর রাখেন নিয়মিত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আবাহনীর ট্রফি কক্ষ ভাঙচুর ও অধিকাংশ শিরোপা চুরি হওয়ার খবর তাকে ব্যথিত করেছে। পাকিরের ভাষায়, “আমরা যখন খেলতাম, দর্শকদের আনন্দ দিতাম। বিনিময়ে যে ট্রফি বা মেডেল পেতাম, সেটাই ছিল স্মৃতি। একদিন গিয়ে যদি দেখি সেটাই নেই, খুব কষ্ট লাগবে।” তিনি বলেন, খেলাধুলাকে কখনও রাজনৈতিক অস্থিরতার বলি করা উচিত নয়। “রাজনীতি তার জায়গায় থাকবে, কিন্তু ক্লাবের ইতিহাস, খেলোয়াড়দের স্মৃতি—এসব নষ্ট করা ঠিক হয়নি,” মন্তব্য করেন তিনি। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে বাংলাদেশে আবাহনী, মোহামেডান ক্রীড়াচক্র ও শেখ জামাল ক্লাবসহ একাধিক দলে কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন । কোচিংয়ের
সময়ও বাংলা ভাষাই ছিল তার প্রধান ভরসা। খেলোয়াড়দের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে ভাষাগত সেতুবন্ধন তাকে আলাদা সুবিধা দিয়েছে বলে মনে করেন তিনি। বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুধু মাঠেই সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে কলম্বোর একটি হাসপাতালে বাংলা জানা থাকায় বাংলাদেশি রোগীদের সহায়তা করছেন তিনি। “বাংলাদেশের মানুষ এলে ভাষা নিয়ে সমস্যা হবে না—আমি আছি,” বলেন পাকির। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ফুটবল নিয়েও আশাবাদী এই সাবেক ডিফেন্ডার। বিদেশি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি। হামজা চৌধুরীর পারফরম্যান্সের কথা তুলে ধরে বলেন, “এমন খেলোয়াড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। তবে তৃণমূল শক্ত না হলে উন্নতি টেকসই হবে না।” বাংলাদেশের সাবেক গোলকিপার আমিনুল হকের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হওয়ায়ও খুশি পাকির। স্মৃতিচারণ করে জানান,
একসময় বিদেশে কোচিংয়ের সুযোগ থাকলেও বাংলাদেশের টানে ফিরে এসেছিলেন। তবে আলোচনার শেষে আবার ফিরে আসে আবাহনীর ট্রফির প্রসঙ্গ। “ওগুলো শুধু ধাতুর কাপ নয়” মন্তব্য করে পাকির আলী বলেন, “ওগুলোর সঙ্গে আমাদের রক্ত-ঘাম জড়িয়ে আছে। সেই স্মৃতি হারানোর কষ্ট সহজে ভোলা যায় না।”
রপ্ত করেন। এখনও অনর্গল বাংলায় কথা বলেন। বর্তমানে কলম্বোতে বসবাস করলেও বাংলাদেশের ফুটবলের খবর রাখেন নিয়মিত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আবাহনীর ট্রফি কক্ষ ভাঙচুর ও অধিকাংশ শিরোপা চুরি হওয়ার খবর তাকে ব্যথিত করেছে। পাকিরের ভাষায়, “আমরা যখন খেলতাম, দর্শকদের আনন্দ দিতাম। বিনিময়ে যে ট্রফি বা মেডেল পেতাম, সেটাই ছিল স্মৃতি। একদিন গিয়ে যদি দেখি সেটাই নেই, খুব কষ্ট লাগবে।” তিনি বলেন, খেলাধুলাকে কখনও রাজনৈতিক অস্থিরতার বলি করা উচিত নয়। “রাজনীতি তার জায়গায় থাকবে, কিন্তু ক্লাবের ইতিহাস, খেলোয়াড়দের স্মৃতি—এসব নষ্ট করা ঠিক হয়নি,” মন্তব্য করেন তিনি। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে বাংলাদেশে আবাহনী, মোহামেডান ক্রীড়াচক্র ও শেখ জামাল ক্লাবসহ একাধিক দলে কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন । কোচিংয়ের
সময়ও বাংলা ভাষাই ছিল তার প্রধান ভরসা। খেলোয়াড়দের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে ভাষাগত সেতুবন্ধন তাকে আলাদা সুবিধা দিয়েছে বলে মনে করেন তিনি। বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুধু মাঠেই সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে কলম্বোর একটি হাসপাতালে বাংলা জানা থাকায় বাংলাদেশি রোগীদের সহায়তা করছেন তিনি। “বাংলাদেশের মানুষ এলে ভাষা নিয়ে সমস্যা হবে না—আমি আছি,” বলেন পাকির। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ফুটবল নিয়েও আশাবাদী এই সাবেক ডিফেন্ডার। বিদেশি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি। হামজা চৌধুরীর পারফরম্যান্সের কথা তুলে ধরে বলেন, “এমন খেলোয়াড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। তবে তৃণমূল শক্ত না হলে উন্নতি টেকসই হবে না।” বাংলাদেশের সাবেক গোলকিপার আমিনুল হকের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হওয়ায়ও খুশি পাকির। স্মৃতিচারণ করে জানান,
একসময় বিদেশে কোচিংয়ের সুযোগ থাকলেও বাংলাদেশের টানে ফিরে এসেছিলেন। তবে আলোচনার শেষে আবার ফিরে আসে আবাহনীর ট্রফির প্রসঙ্গ। “ওগুলো শুধু ধাতুর কাপ নয়” মন্তব্য করে পাকির আলী বলেন, “ওগুলোর সঙ্গে আমাদের রক্ত-ঘাম জড়িয়ে আছে। সেই স্মৃতি হারানোর কষ্ট সহজে ভোলা যায় না।”



