ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
সাত বছর পর প্রকাশ্যে খালেদা জিয়ার প্রকাশ্য প্রত্যাবর্তন
দীর্ঘ সাত বছর পর প্রকাশ্যে কোনও রাজনৈতিক সমাবেশে অংশ নিতে চলেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। আগামী ২১ ডিসেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভারচুয়ালি এই সমাবেশে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।
এই সমাবেশ শুধু একটি রাজনৈতিক আয়োজন নয়, এটি খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৭ সালের ১২ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সর্বশেষ প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখার পর, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হন তিনি। দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর, ২০২০ সালের ২৫ মার্চ শর্তসাপেক্ষে মুক্তি
পান খালেদা জিয়া। তবে এরপর থেকে তিনি আর কোনও প্রকাশ্য সমাবেশে যোগ দেননি। বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সরকার পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়া এবং বিএনপির কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে একমঞ্চে থাকার পর এবার মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের মাধ্যমে খালেদা জিয়া সরাসরি জনসমক্ষে আসছেন। জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত জানান, সমাবেশে সারা দেশ থেকে মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেবেন। মুক্তিযোদ্ধা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই সমাবেশে খালেদা জিয়ার বক্তব্য শোনার জন্য বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই সমাবেশে খালেদা জিয়া কী বার্তা দেবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহলে ব্যাপক কৌতূহল। সরকারের সমালোচনা, নির্বাচন, মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা
এবং বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত থাকতে পারে তাঁর ভাষণে। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে বিএনপির সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে চাপ দেওয়ার কৌশল নিয়েছে তারা। ২১ ডিসেম্বরের সমাবেশটি বিএনপির জন্য একটি বড় মঞ্চ হতে চলেছে, যেখানে দলটির ঐক্য, মুক্তিযোদ্ধাদের সমর্থন এবং জনগণের কাছে তাঁদের রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই সমাবেশের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার প্রত্যাবর্তন শুধু বিএনপির জন্য নয়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ২১ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ দেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা বয়ে আনবে, যা আগামী নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
পান খালেদা জিয়া। তবে এরপর থেকে তিনি আর কোনও প্রকাশ্য সমাবেশে যোগ দেননি। বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সরকার পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়া এবং বিএনপির কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে একমঞ্চে থাকার পর এবার মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের মাধ্যমে খালেদা জিয়া সরাসরি জনসমক্ষে আসছেন। জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত জানান, সমাবেশে সারা দেশ থেকে মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেবেন। মুক্তিযোদ্ধা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই সমাবেশে খালেদা জিয়ার বক্তব্য শোনার জন্য বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই সমাবেশে খালেদা জিয়া কী বার্তা দেবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহলে ব্যাপক কৌতূহল। সরকারের সমালোচনা, নির্বাচন, মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা
এবং বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত থাকতে পারে তাঁর ভাষণে। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে বিএনপির সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে চাপ দেওয়ার কৌশল নিয়েছে তারা। ২১ ডিসেম্বরের সমাবেশটি বিএনপির জন্য একটি বড় মঞ্চ হতে চলেছে, যেখানে দলটির ঐক্য, মুক্তিযোদ্ধাদের সমর্থন এবং জনগণের কাছে তাঁদের রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই সমাবেশের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার প্রত্যাবর্তন শুধু বিএনপির জন্য নয়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ২১ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ দেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা বয়ে আনবে, যা আগামী নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।



