ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অধ্যাদেশ নিয়ে যে ‘খেলা’ সেটা রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রের: টিআইবি
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
সাইনবোর্ডে লেখা রাত ৮টা, কিন্তু ৭টার আগেই বন্ধ তেলের পাম্প!
রাজধানীর শাহবাগের পরীবাগে মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের একটি ফিলিং স্টেশন। সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে- পেট্রোল পাম্পটি খোলা থাকবে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। কিন্তু, শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টা বাজার আগেই ফিলিং স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পাম্পের সামনে তখনও তেল নিতে আসা শতাধিক মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার অপেক্ষা করছিল। কারও সঙ্গে কোনো কথা না বলেই পাম্প বন্ধ করে দ্রুত সরে পড়তে দেখা যায় ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের। কারণ জানতে বারবার ডাকলেও তারা কোনো সাড়া দেননি।
পাশেই রয়েছে পূর্বাচল ট্রেডার্স নামে আরেকটি ফিলিং স্টেশন। তারা অবশ্য সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে জানিয়েছে, তাদের কাছে পেট্রোল ও অকটেন নেই। কারণ জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিষ্ঠানটির
একজন ম্যানেজার জানান, শুক্রবার ডিপো বন্ধ থাকায় তারা তেল সংগ্রহ করতে পারেননি। তবে তেল নিতে আসা ভোক্তাদের অভিযোগ, শুধু এই দুটি নয়- রাজধানীর অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনই তেল দিচ্ছে না। বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে, এই আশায় পাম্প মালিকরা তেল বিক্রি বন্ধ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাদের। সরকারের পক্ষ থেকে তেলের কোনো সংকট নেই জানিয়ে ক্রেতাদের জন্য তেলের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও পাম্প মালিকরা সেই নির্দেশনা মানছেন না বলেও দাবি করেন ভোক্তারা।
একজন ম্যানেজার জানান, শুক্রবার ডিপো বন্ধ থাকায় তারা তেল সংগ্রহ করতে পারেননি। তবে তেল নিতে আসা ভোক্তাদের অভিযোগ, শুধু এই দুটি নয়- রাজধানীর অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনই তেল দিচ্ছে না। বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে, এই আশায় পাম্প মালিকরা তেল বিক্রি বন্ধ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাদের। সরকারের পক্ষ থেকে তেলের কোনো সংকট নেই জানিয়ে ক্রেতাদের জন্য তেলের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও পাম্প মালিকরা সেই নির্দেশনা মানছেন না বলেও দাবি করেন ভোক্তারা।



