ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট কবে?
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সরকারি গুদামে ধান বিক্রির আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে কৃষকদের ভোগান্তি, সিন্ডিকেটের অভিযোগ
সরকারি গুদামে ধান বিক্রির জন্য কৃষকদের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হলেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিবন্ধন জটিলতা ও প্রযুক্তিগত সমস্যার অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে আবেদন করা যাচ্ছে না। এতে প্রকৃত কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সরকারি গুদামে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কৃষকদের ৩ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকরা সরকারি নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান বিক্রির সুযোগ রাখা হয়েছে।
কৃষকদের অভিযোগ, আবেদন শুরুর পর থেকেই ওয়েবসাইট এবং
“কৃষকের অ্যাপ”-এ প্রবেশ করে নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। অনেকেই বারবার চেষ্টা করেও সফল হননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন কৃষি গ্রুপেও একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেখানে অসংখ্য কৃষক জানিয়েছেন, তারা আবেদন করতে গিয়ে প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, বাজারে বর্তমানে ধানের দাম সরকারি মূল্যের তুলনায় অনেক কম। এ সুযোগে একটি অসাধু সিন্ডিকেট বাজার থেকে কম দামে ধান কিনে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে আবেদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি করা হতে পারে যাতে সাধারণ কৃষকরা সরকারি গুদামে ধান বিক্রির সুযোগ না পান। একজন কৃষক জানান, “বাজারে ধানের দাম প্রায় অর্ধেক। যদি লটারিতে ধান বিক্রির সুযোগ পাওয়া যেত, তাহলে
সরকারি গুদামে ১০-২০ মণ ধান বিক্রি করে বাজারের চেয়ে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা বেশি পাওয়া সম্ভব ছিল।” কৃষকদের ভাষ্যমতে, পূর্ববর্তী সময়েও একই পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণ করা হতো। তবে এবার শুরু থেকেই সার্ভার জটিলতা ও অ্যাপ অকার্যকর থাকার অভিযোগ বেশি দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কৃষকদের দাবি, দ্রুত প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধান করে স্বচ্ছ ও নিরবচ্ছিন্ন আবেদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে, যাতে প্রকৃত কৃষকরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন।
“কৃষকের অ্যাপ”-এ প্রবেশ করে নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। অনেকেই বারবার চেষ্টা করেও সফল হননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন কৃষি গ্রুপেও একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেখানে অসংখ্য কৃষক জানিয়েছেন, তারা আবেদন করতে গিয়ে প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, বাজারে বর্তমানে ধানের দাম সরকারি মূল্যের তুলনায় অনেক কম। এ সুযোগে একটি অসাধু সিন্ডিকেট বাজার থেকে কম দামে ধান কিনে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে আবেদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি করা হতে পারে যাতে সাধারণ কৃষকরা সরকারি গুদামে ধান বিক্রির সুযোগ না পান। একজন কৃষক জানান, “বাজারে ধানের দাম প্রায় অর্ধেক। যদি লটারিতে ধান বিক্রির সুযোগ পাওয়া যেত, তাহলে
সরকারি গুদামে ১০-২০ মণ ধান বিক্রি করে বাজারের চেয়ে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা বেশি পাওয়া সম্ভব ছিল।” কৃষকদের ভাষ্যমতে, পূর্ববর্তী সময়েও একই পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণ করা হতো। তবে এবার শুরু থেকেই সার্ভার জটিলতা ও অ্যাপ অকার্যকর থাকার অভিযোগ বেশি দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কৃষকদের দাবি, দ্রুত প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধান করে স্বচ্ছ ও নিরবচ্ছিন্ন আবেদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে, যাতে প্রকৃত কৃষকরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন।



