ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন
নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি
এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন
নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী
জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
সমকামিতার অভিযোগ: আইনজীবী শিশির মনিরের বিরুদ্ধে প্রধান বিচারপতির দ্বারে ভুক্তভোগী
বিয়ের প্রলোভন ও ধর্ষণ: ধানমন্ডির চেম্বারে ডেকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ।
সমকামিতার গুরুতর অভিযোগ: আইনজীবী শিশির মনিরের বিরুদ্ধে তার জুনিয়র ও ক্লার্কের সাথে সমকামিতার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী।
আপস প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান: ঘটনা ধামাচাপা দিতে টাকার বিনিময়ে আপসের প্রস্তাব ঘৃভরে প্রত্যাখ্যান।
ভিডিও বার্তা ও নালিশ: নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়ে ভিডিও বার্তা প্রকাশ এবং প্রধান বিচারপতির দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের।
বিশেষ প্রতিনিধি:
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনিরের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং সমকামিতার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সাদিয়া আক্তার রাফি (প্রিয়সী) নামের এক তরুণী এসব বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একইসাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া
একটি ভিডিও বার্তায় তিনি তার ওপর হওয়া নির্যাতনের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে হাইকোর্ট নির্বাচন প্রচারণার সময় আইনজীবী শিশির মনিরের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয় এবং ২০১৮ সালে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ভুক্তভোগীর দাবি, ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে শিশির মনির তাকে ধানমন্ডির চেম্বারে ডেকে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে শিশির মনির বিবাহিত—এ বিষয়টি সামনে এলে তিনি স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে ভুক্তভোগীকে বিয়ের আশ্বাস দেন এবং নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যান। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, সর্বশেষ গত ৮ নভেম্বর ২০২৩, সন্ধ্যা ৬টার দিকে ধানমন্ডির চেম্বারে ওই নারীকে আবারও জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এরপর বিয়ের জন্য
চাপ দিলে শিশির মনির ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করেন এবং তার ক্লার্ক নয়নের মাধ্যমে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে চেম্বার থেকে বের করে দেন। ভিডিও বার্তায় ওই তরুণী আইনজীবী শিশির মনিরের চারিত্রিক স্খলন নিয়ে এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শিশির মনিরের সঙ্গে তার জুনিয়র জায়েদ এবং ক্লার্ক নয়নের ‘সমকামিতার সম্পর্ক’ রয়েছে। ভুক্তভোগী দাবি করেন, এই অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি তিনি অভিযুক্তের ক্লার্ক নয়নের কাছ থেকেই জানতে পেরেছেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে শিশির মনির ওই নারীকে টাকার বিনিময়ে আপস করার এবং দূরে চলে যাওয়ার প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ভুক্তভোগী সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, "সে আমাকে বলছে টাকা নিয়ে আপস হও। কিন্তু
আমি সেটা নিতে চাচ্ছি না।" বিয়ের আশ্বাসে এতদিন কোনো মামলা না করে কেবল জিডি করেছিলেন বলে জানান ওই নারী। তবে বর্তমানে শিশির মনির বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানানোয় তিনি ধর্ষণের সুষ্ঠু বিচার চেয়ে দেশের প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হয়েছেন। উল্লেখ্য, অভিযোগে শিশির মনিরের পিতা মুকিত মনিরকে যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছে।
একটি ভিডিও বার্তায় তিনি তার ওপর হওয়া নির্যাতনের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে হাইকোর্ট নির্বাচন প্রচারণার সময় আইনজীবী শিশির মনিরের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয় এবং ২০১৮ সালে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ভুক্তভোগীর দাবি, ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে শিশির মনির তাকে ধানমন্ডির চেম্বারে ডেকে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে শিশির মনির বিবাহিত—এ বিষয়টি সামনে এলে তিনি স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে ভুক্তভোগীকে বিয়ের আশ্বাস দেন এবং নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যান। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, সর্বশেষ গত ৮ নভেম্বর ২০২৩, সন্ধ্যা ৬টার দিকে ধানমন্ডির চেম্বারে ওই নারীকে আবারও জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এরপর বিয়ের জন্য
চাপ দিলে শিশির মনির ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করেন এবং তার ক্লার্ক নয়নের মাধ্যমে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে চেম্বার থেকে বের করে দেন। ভিডিও বার্তায় ওই তরুণী আইনজীবী শিশির মনিরের চারিত্রিক স্খলন নিয়ে এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শিশির মনিরের সঙ্গে তার জুনিয়র জায়েদ এবং ক্লার্ক নয়নের ‘সমকামিতার সম্পর্ক’ রয়েছে। ভুক্তভোগী দাবি করেন, এই অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি তিনি অভিযুক্তের ক্লার্ক নয়নের কাছ থেকেই জানতে পেরেছেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে শিশির মনির ওই নারীকে টাকার বিনিময়ে আপস করার এবং দূরে চলে যাওয়ার প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ভুক্তভোগী সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, "সে আমাকে বলছে টাকা নিয়ে আপস হও। কিন্তু
আমি সেটা নিতে চাচ্ছি না।" বিয়ের আশ্বাসে এতদিন কোনো মামলা না করে কেবল জিডি করেছিলেন বলে জানান ওই নারী। তবে বর্তমানে শিশির মনির বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানানোয় তিনি ধর্ষণের সুষ্ঠু বিচার চেয়ে দেশের প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হয়েছেন। উল্লেখ্য, অভিযোগে শিশির মনিরের পিতা মুকিত মনিরকে যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছে।



