ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার তদন্ত দাবি পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
প্রিপেইড মিটারে ভৌতিক বিল কর্তনের অভিযোগ, মধ্যরাতে বিদ্যুতহীনতার ভোগান্তিতে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা
বিশ্বজুড়ে ৯১টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে শেখ হাসিনা: “এ বছরই দেশে ফিরব”
ঢাবি স্থাপনার নাম পরিবর্তন: সিনেট অধিবেশন থেকে শিবিরের ওয়াকআউট; পছন্দের নাম ‘শহিদ ওসমান হাদি’
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
তুরাগ হত্যাকাণ্ড: বিএনপি ও পুলিশের অস্বীকারের পরেও সত্য উদ্ঘাটন; পুলিশ-বিএনপি’র যৌথ অভিযান ও হামলা!
সংখ্যালঘুর জমি দখল-চেষ্টায় সহযোগিতা, যশোরে ওসি-এসআই’র বিরুদ্ধে মামলা
যশোরের মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান ও উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
গত ২৬শে অক্টোবর, রোববার উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়নের গাবরডাঙ্গা গ্রামের প্রভাষ ঘোষ বাদী হয়ে যশোরের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে আগামী ২রা ডিসেম্বর ওসি বাবলুর রহমান খান ও এসআই মিলন হোসেনকে সশরীরে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে প্রভাষ ঘোষ উল্লেখ করেন, নেহালপুর মৌজায় তার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৫ একর ১৫ শতক জমি তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি—রবিউল হোসেন, আবুল হোসেন, রফিকুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন—জোরপূর্বক ওই জমি
দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। প্রভাষ ঘোষের অভিযোগ, জমি দখলের চেষ্টা ঠেকাতে প্রশাসনের সহায়তা চাইলেও মনিরামপুর থানা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। বরং ওসি ও এসআই দায়িত্বে অবহেলা করে পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, থানায় গিয়ে সহায়তা চাইলে ওসি ও এসআই তাকে হুমকি দেন। তারা নাকি বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, বরং “বেশি বাড়াবাড়ি” করলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হবে। এতে প্রভাষ ঘোষ ও তার পরিবার আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রতন কুমার দেবনাথ বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ২রা ডিসেম্বর দুই কর্মকর্তাকে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে মনিরামপুর
থানার ওসি বাবলুর রহমান খান বলেন, “প্রভাষ ঘোষ একজন ভূমিদস্যু এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের অনুসারী। সে আমাদের দিয়ে জমি দখল করাতে চাইলে আমরা অস্বীকার করি। এজন্যই সে আমাদের নামে মামলা করেছে বলে শুনেছি। আমরা কোনো পক্ষপাতমূলক আচরণ করিনি।”
দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। প্রভাষ ঘোষের অভিযোগ, জমি দখলের চেষ্টা ঠেকাতে প্রশাসনের সহায়তা চাইলেও মনিরামপুর থানা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। বরং ওসি ও এসআই দায়িত্বে অবহেলা করে পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, থানায় গিয়ে সহায়তা চাইলে ওসি ও এসআই তাকে হুমকি দেন। তারা নাকি বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, বরং “বেশি বাড়াবাড়ি” করলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হবে। এতে প্রভাষ ঘোষ ও তার পরিবার আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রতন কুমার দেবনাথ বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ২রা ডিসেম্বর দুই কর্মকর্তাকে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে মনিরামপুর
থানার ওসি বাবলুর রহমান খান বলেন, “প্রভাষ ঘোষ একজন ভূমিদস্যু এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের অনুসারী। সে আমাদের দিয়ে জমি দখল করাতে চাইলে আমরা অস্বীকার করি। এজন্যই সে আমাদের নামে মামলা করেছে বলে শুনেছি। আমরা কোনো পক্ষপাতমূলক আচরণ করিনি।”



