শোকস্তব্ধ বিশ্বনেতারা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪

শোকস্তব্ধ বিশ্বনেতারা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ |
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও শান্তিতে নোবেলজয়ী জিমি কার্টারের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা। ভার্জিন আইল্যান্ডের সেন্ট ক্রোইক্সে দেওয়া এক ভাষণে জো বাইডেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারকে ‘দীর্ঘদিনের বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন। কার্টারের ‘শিষ্টাচার’ ও ‘মানবিক মূল্যবোধের’ প্রশংসা করেন বাইডেন। শোক জানিয়েছেন দেশটির আসন্ন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তিনি বলেছেন, জিমি কার্টার সত্যিই একজন ভালো মানুষ ছিলেন। আমেরিকাকে আরও শ্রেষ্ঠ বানানোর জন্য তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক না কেন, জিমি কার্টার বরাবর মানুষের ভালোর জন্য কাজ করেছেন। প্রেসিডেন্ট থাকা এবং পরবর্তী সময়ে জিমি কার্টারের কাজের কথা স্মরণ করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বলেন,

তিনি আমাদের বাতাস-পানি রক্ষায় কাজ করেছেন। সরকারের স্বচ্ছতা বাড়াতে কাজ করেছেন। ইসরাইল ও মিসরের মধ্যে ঐতিহাসিক ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছেন। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার শোকবার্তায় বলেন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রতি অসাধারণ প্রতিশ্রুতি পূরণের মধ্য দিয়ে জিমি কার্টার তার শাসনামলের পরবর্তী সময়কে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, জিমি কার্টার দয়া, উদারতা, সহানুভূতি ও কঠোর পরিশ্রমের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মানুষের অধিকার আর শান্তির পক্ষে জীবনভর অবিচল ও অক্লান্তভাবে কাজ করেছেন জিমি কার্টার। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শোক জানিয়ে বলেন, তিনি এমন একসময়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যখন ইউক্রেন স্বাধীনতা অর্জন

করেনি। এর পরও আমাদের চলমান লড়াইয়ে তিনি হৃদয় দিয়ে দৃঢ়ভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন। ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে নির্বাচিত জিমি কার্টার ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটের মধ্যেই তাকে কাজ করতে হয়েছিল। সূত্র: এএফপি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসামূলক নীতি তা নষ্ট করছে: আজিজ খান রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে কোয়ালিফাই করল বাংলাদেশের নারীরা মুক্তিযুদ্ধের বিভীষিকার ছবি তুলে বিশ্ব বিবেক নাড়িয়ে দেওয়া আলোকচিত্রী রঘু রাই আর নেই বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসদের ফ্রান্স-ইতালি-তুরস্ক সফর দুর্নীতির আখড়া ডিএনসিসি: বাজারদরের ৬ গুণ বেশি দামে পণ্য ক্রয়, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ দিতে বারবার দরপত্র বাতিল, শর্ত বদল ডিএনসিসির ইজারা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: বাজেয়াপ্ত পে-অর্ডারের সাড়ে ৭ কোটি টাকা উত্তোলন, জানে না কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ সফল করতে নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভা — সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রগতির দৃঢ় অঙ্গীকার শিক্ষক লাঞ্ছনার কালো অধ্যায় ও একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধের দলিল তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি? বিদ্যুৎ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ – বিএনপি সরকার ঘুমে ছয় শিক্ষকের মৃত্যু, একটি ঘটনারও বিচার হয়নি মহান মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাইয়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শোক ফারুকীর নাশতায় প্রতিদিন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা” গণঅভ্যুত্থান নয়, ৫ আগস্ট ছিল সুপরিকল্পিত ‘রেজিম চেঞ্জ’: পুরো সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর তথ্য