ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘অগ্নিঝরা মার্চ’ উপলক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের
আলু ফলায় কৃষক, দাম পায় ফড়িয়া, ক্ষমতা ভোগ করে বিএনপি
‘কোরবানি-ভাগাভাগির’ নির্বাচনে ক্ষমতা দখলে নিয়েছে বিএনপি
নরসিংদীর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত জামায়াত কর্মীকে বাঁচাতে মিমাংসা করেন বিএনপি নেতা
বিএনপি: ক্ষুধাকে পুঁজি করে ধর্ষণ করে যে দলের নেতাকর্মীরা
অতীতে মামলা-হামলার ঝুঁকির কারনে গুপ্ত রাখা নারী সদস্যদের নাম প্রকাশ করলো জামায়াতে ইসলামী!
বুয়েটসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নামাজ, ইফতার কর্মসূচির আড়ালে ছাত্রদের আবার সংগঠিত করার ষড়যন্ত্র!
শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা: ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার হামিম
শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দীন হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও ডাকসু নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিমকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে হামিম সেটার জবাব না দেওয়ার কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দিলে তাকে বহিস্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ছাত্রদল।
বুধবার (৪ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
এতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক শেখ তানভীর বারী হামিমকে তার পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব
ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। এর আগে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে হামিমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়, দায়িত্বশীল পদে থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কেন তার বিরুদ্ধে স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে হবে। সংগঠনটির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ৫ আগস্টের পর থেকে হামিম নিজ উদ্যোগে কয়েকটি কর্মসূচি ও অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। এসব অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ছাত্রদলের একটি অংশে অসন্তোষ তৈরি হয়। শোকজের পর শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া
এক ভিডিও বার্তায় হামিম বলেন, তিনি লিখিত জবাব দেবেন না। তার দাবি, তিনি এমন কোনো বড় অন্যায় করেননি যে ব্যক্তিগতভাবে না জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকজ দিতে হবে। ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি ইফতার মাহফিল ও কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলেন। সেই আয়োজনের কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। হামিম বলেন, “শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইফতার আয়োজন যদি অপরাধ হয়, তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আর যদি এ ঘটনাকে অন্যায় মনে করেন নেতাকর্মীরা, তবে সেই অন্যায়েই আমি খুশি।” উল্লেখ্য, হামিম গত ডাকসু নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন।
ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। এর আগে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে হামিমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়, দায়িত্বশীল পদে থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কেন তার বিরুদ্ধে স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে হবে। সংগঠনটির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ৫ আগস্টের পর থেকে হামিম নিজ উদ্যোগে কয়েকটি কর্মসূচি ও অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। এসব অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ছাত্রদলের একটি অংশে অসন্তোষ তৈরি হয়। শোকজের পর শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া
এক ভিডিও বার্তায় হামিম বলেন, তিনি লিখিত জবাব দেবেন না। তার দাবি, তিনি এমন কোনো বড় অন্যায় করেননি যে ব্যক্তিগতভাবে না জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকজ দিতে হবে। ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি ইফতার মাহফিল ও কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলেন। সেই আয়োজনের কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। হামিম বলেন, “শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইফতার আয়োজন যদি অপরাধ হয়, তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আর যদি এ ঘটনাকে অন্যায় মনে করেন নেতাকর্মীরা, তবে সেই অন্যায়েই আমি খুশি।” উল্লেখ্য, হামিম গত ডাকসু নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন।



