ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চুক্তি ছাড়াই শেষ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পারমাণবিক আলোচনা, যুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে
ঋণের বোঝা নিয়ে বাতি জ্বলছে : বিদ্যুৎমন্ত্রী
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের বিরুদ্ধে আয়কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ
জুলাই বিক্ষোভে নির্মমভাবে পুলিশ হত্যা: দাবি আদায়ের নামে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে পঙ্গু করার জঙ্গি পরিকল্পনা?
গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরলো জামায়াতপন্থী লে. জেনারেলসহ শীর্ষ ৬ কর্মকর্তা
গণভোটে অতিরিক্ত দেখানো ৯ লাখ ‘হ্যাঁ’ ভোট বাদ দিল নির্বাচন কমিশন
পুলিশে শিগগিরই বিশাল নিয়োগ: ১০ হাজার কনস্টেবল, শূন্যপদে ১৮০ সার্জেন্ট
শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষি-বিদ্যুৎ খাত ও মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
চলতি অর্থবছরের জন্য সরকারের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (আরএডিপি) অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)। মূল এডিপির তুলনায় এতে প্রায় ১৩ শতাংশ কাটছাঁট করা হয়েছে, যার ফলে মোট বরাদ্দ কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা। এই কাটছাঁটের পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।
আজ ১২ই জানুয়ারি (সোমবার) শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংশোধিত এডিপিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত এডিপিতে সরকারি অর্থায়ন এবং বিদেশি ঋণ ও অনুদান—উভয় খাতেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বরাদ্দ কমানো হয়েছে। সরকারি অর্থায়নের অংশে বরাদ্দ কমেছে ১৬ হাজার কোটি টাকা, যা মূল বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ।
অন্যদিকে বিদেশি ঋণ ও অনুদানের ক্ষেত্রে কাটছাঁট হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা, যা প্রায় ১৬ শতাংশের বেশি। ফলে সরকারি অর্থায়ন নেমে এসেছে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকায়, আর বিদেশি ঋণ ও অনুদান কমে হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা। পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, সংশোধিত এডিপিতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর চাহিদাই ছিল তুলনামূলকভাবে কম। সংশোধনের সময় তারা মোট বরাদ্দ চেয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে চলতি অর্থবছরে প্রকল্প বাস্তবায়নের ধীরগতি। সংশোধিত এডিপিতে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে স্বাস্থ্যখাত। দুর্বল বাস্তবায়ন সক্ষমতার কারণে এই খাতে বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ কমানো হয়েছে। মূল এডিপিতে যেখানে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল
১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা, সেখানে সংশোধনের পর তা নেমে এসেছে মাত্র ৪ হাজার ৭১৮ কোটি টাকায়। শিক্ষা খাতেও বড় ধরনের কাটছাঁট হয়েছে। এই খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। পরিবহন ও যোগাযোগ খাত মূল এডিপির বরাদ্দ থেকে সংশোধিত এডিপিতে প্রায় ৩৫ শতাংশ অর্থ কমানো হয়েছে। একইভাবে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ কমে এসেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। এই খাতে মূল এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ১৮ কোটি টাকা, যা সংশোধনের পর কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৪৫ কোটি টাকায়। স্বাস্থ্যসেবা খাতে বরাদ্দ কমেছে ৭৩ শতাংশ, আর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষায় কমেছে ৫৫ শতাংশ। বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ, আর কৃষি খাতে কমেছে
প্রায় ২১ শতাংশ। #উন্নয়ন #বরাদ্দ #ক
অন্যদিকে বিদেশি ঋণ ও অনুদানের ক্ষেত্রে কাটছাঁট হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা, যা প্রায় ১৬ শতাংশের বেশি। ফলে সরকারি অর্থায়ন নেমে এসেছে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকায়, আর বিদেশি ঋণ ও অনুদান কমে হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা। পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, সংশোধিত এডিপিতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর চাহিদাই ছিল তুলনামূলকভাবে কম। সংশোধনের সময় তারা মোট বরাদ্দ চেয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে চলতি অর্থবছরে প্রকল্প বাস্তবায়নের ধীরগতি। সংশোধিত এডিপিতে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে স্বাস্থ্যখাত। দুর্বল বাস্তবায়ন সক্ষমতার কারণে এই খাতে বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ কমানো হয়েছে। মূল এডিপিতে যেখানে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল
১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা, সেখানে সংশোধনের পর তা নেমে এসেছে মাত্র ৪ হাজার ৭১৮ কোটি টাকায়। শিক্ষা খাতেও বড় ধরনের কাটছাঁট হয়েছে। এই খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। পরিবহন ও যোগাযোগ খাত মূল এডিপির বরাদ্দ থেকে সংশোধিত এডিপিতে প্রায় ৩৫ শতাংশ অর্থ কমানো হয়েছে। একইভাবে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ কমে এসেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। এই খাতে মূল এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ১৮ কোটি টাকা, যা সংশোধনের পর কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫৪৫ কোটি টাকায়। স্বাস্থ্যসেবা খাতে বরাদ্দ কমেছে ৭৩ শতাংশ, আর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষায় কমেছে ৫৫ শতাংশ। বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ, আর কৃষি খাতে কমেছে
প্রায় ২১ শতাংশ। #উন্নয়ন #বরাদ্দ #ক



