শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল আর্জেন্টিনা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ October, ২০২৬

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ October, ২০২৬ |
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলেইয়ের কঠোর ব্যয় সংকোচন নীতির প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছেন দেশটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা খাতে বাজেট ছাঁটাই, বেতন ও বৃত্তির তীব্র সংকট এবং গবেষণার সুযোগ সংকুচিত হওয়ার প্রতিবাদে তারা রাজপথে নেমে এসেছেন। রাজধানী বুয়েনস এইরেসে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিরাপত্তাকর্মীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এই ঘটনায় অন্তত ২৫ জনকে আটক করা হয়েছে। বিক্ষোভের অংশ হিসেবে বুয়েনস এইরেস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞান অনুষদের একটি ভবন এক দিনের জন্য নেন আন্দোলনকারীরা। সেখানে সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ব্যানার টানিয়ে তারা স্লোগান দেন, ‘এভাবে আর চলতে পারে না’। শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, সরকারি বাজেট কাটের কারণে ফ্রিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ এখন চরম হুমকির মুখে

পড়েছে। উপযুক্ত বেতন না পেয়ে অনেক শিক্ষকই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চলে যাচ্ছেন। ২০২৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রেসিডেন্ট মাইলেই সরকারি খাতে হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই, একাধিক মন্ত্রণালয় বিলুপ্ত এবং সার্বিক ভর্তুকি কমানোর মতো কঠোর পদক্ষেপ নেন। এতে মাসে মূল্যস্ফীতি কমে প্রায় ২ শতাংশে নামলেও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের ওপর চরম নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক ও ওয়াশিংটন সফরকালে প্রেসিডেন্ট মাইলেই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দাবি করলেও বিরোধীদের অভিযোগ—সাধারণ জনগণের ওপর অস্বাভাবিক খরচের বোঝা চাপিয়েই এই হিসাব দেখানো হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অর্থায়ন বজায় রাখতে কংগ্রেসে একটি বিল পাস হলেও প্রেসিডেনশিয়াল ভেটো এবং সরকারের অর্থ ছাড় না করার অজুহাতে তা থমকে আছে। এ

নিয়ে দেশটির এক ফেডারেল আদালত সরকারকে প্রতিদিন ১ লাখ পেসো জরিমানা পর্যন্ত করেছেন। আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে শিক্ষা খাতে নিয়মিত বাজেট বরাদ্দ ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। বুয়েনস এইরেস বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মারিয়া তেরেসা দে হেসুস জানান, মাসে প্রায় ৭০০ ডলার আয় করেও তার পক্ষে সংসারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আলজাজিরাকে তিনি বলেন, ‘শেষ চেষ্টা হিসেবে আমি এই বিক্ষোভে এসেছি। আমি একজন অধ্যাপক। শিক্ষকতা ও গবেষণা করতে ভালোবাসি। আমার এখানে থাকার কথা নয়।’ অন্যদিকে, অনেকেই সরকারের পরিকল্পনার ওপর আস্থা হারিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, মাইলেই সরকার একটি সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করছে, আর তার অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ব্যয় বহন করতে হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষকে। সূত্র: আলজাজিরা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের